ওসমানী মেডিকেল কলেজের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে : সিসিক প্রশাসক

ওসমানী মেডিকেল কলেজের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে : সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে তিনি কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক চিকিৎসক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং রোগীবান্ধব সেবার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ওসমানী মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম সনামধন্য চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই কলেজ থেকে পাস করে অনেক চিকিৎসক দেশ-বিদেশে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের স্বাস্থ্য খাতেও এ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানটির কিছু সমস্যা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। সেগুলো সমাধান না হলে ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিষয়গুলো জানার পর সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে এসেছি।” সিসিক প্রশাসক বলেন, “কলেজ ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পর্যাপ্ত জনবল নেই, যা অন্যতম বড় সমস্যা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি, ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। একই সঙ্গে ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ও বিবেচনা করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শুধু সিলেট বিভাগের নয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। রোগীদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নগর প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব।” এ সময় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, “দেড় কোটিরও বেশি মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখা গেলে রোগী, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবারই উপকার হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।” সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তফা তৌফিক আহমেদ বলেন, “কলেজের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো আমরা সিসিক প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেছি। তিনি আন্তরিকভাবে বিষয়গুলো শুনেছেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে চাই।” পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, সহকারী অধ্যাপক (চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ) ডা. মইনুল ইসলাম চৌধুরী নান্না, সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (হৃদরোগ বিভাগ) ডা. শুয়াইব আহমদ শোয়েব, সহযোগী অধ্যাপক (নাক, কান ও গলা বিভাগ) ডা. সৈয়দ নাফি মাহদীসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

১০ই জুন, ২০২৬
২০০৯ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাত এসেছিল: প্রধানমন্ত্রী

২০০৯ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাত এসেছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তা হলো— ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অব কমান্ড’ ছাড়া সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চললেও ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাত এসেছিল, যার পরিণতি দেশের মানুষের জানা। আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বুধবার (১০ জুন) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শাহাদাতবরণকারী ছয় সেনাসদস্যের স্ত্রীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন। একই সঙ্গে ওই হামলাসহ বিভিন্ন মিশনে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও সম্মাননা দেন। পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কুশলবিনিময় করেন তিনি। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আমি সারাবিশ্বের সেইসব সাহসী শান্তিরক্ষীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যারা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মত্যাগ করেছেন। ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এ বছর যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, আজকের এ বিশেষ দিনে তাদের পরিবারকে সম্মাননা জানিয়ে আমি আমার বিশ্বাস থেকে একটি কথা বলতে চাই, শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান যুদ্ধবিরোধী শান্তিকামী মানুষের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের এ আত্মত্যাগ প্রমাণ করে, শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বই নয়, জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মূল্যে শান্তি রক্ষায় বদ্ধপরিকর।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বমঞ্চে যে গৌরব ও কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা খুব সহজ ছিল না। শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে তাঁদের এই মহান ও মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। পরিবার-পরিজন থেকে বহু দূরে থেকে প্রতিকূল পরিবেশে তাঁরা নিষ্ঠা, সাহস এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রী শান্তিরক্ষীদের উদ্দেশে বলেন, “বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনাদের এই অবদানের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানাই।” তিনি জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের দুই লাখেরও বেশি সদস্য বিশ্বের ৪৩টি দেশের প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন। হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে। নারী শান্তিরক্ষীদের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাবাহিনীতে নারী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই নতুনমাত্রা যোগ করেছে।’ তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সদস্যদের নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ এবং সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের কারণেই বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তার সুনাম ও অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এ গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।’ সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সম্মান এবং সাহসের প্রতীক। বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আমি বিশ্বাস করি, এই গৌরব এবং অহংকার অবশ্যই আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস।’ তিনি আরও বলেন, ‘সুতরাং, এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়, সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।’ বিভিন্ন সময়ে বাহিনীকে ঘিরে অপতৎপরতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ও বিদেশে সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার নানা তৎপরতা ছিল। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এরপরও বিভিন্ন সময়ে নানারকম ঘটনায় সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চললেও ২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্রবাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল। সেই আঘাতটির ফলে বাংলাদেশে কি ঘটেছিল সেটি আমাদের সবার জানা।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তাটি হলো, ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অব কমান্ড’ ছাড়া সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুই অতীতচর্চা নয়, বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে স্বমহিমায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা দেশে কিংবা বিদেশে যেখানে যেই দায়িত্ব পালন করছি সেই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করাই হোক আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার।” বিশ্ব পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জ এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর ভাষায়, “আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর।” তিনি জানান, শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাস করে। সংবিধানে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারের প্রতি যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, বাংলাদেশ তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘একটি স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব সময় শান্তি, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মানবতার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় থাকবে ইনশাল্লাহ।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিদেশি কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে তাদের অব্যাহত সমর্থন প্রশংসার দাবিদার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা তাঁদের আন্তরিকতা, কর্তব্যবোধ এবং পেশাদারত্বের গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শান্তিরক্ষা মিশনের প্রতিটি সদস্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং দেশের মান-সম্মানের বাহক। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা একইভাবে দেশের সুনাম সমুন্নত রাখবেন। আপলোড: শিউলি

১০ই জুন, ২০২৬
জৈন্তাপুরে নব যাত্রায় শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন 

জৈন্তাপুরে নব যাত্রায় শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন 

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় শিক্ষা ব্যবস্হা উন্নয়ন, বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৯জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় স্হানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন। জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম সরওয়ার বেলালের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি আব্দুল হালিমের উপস্থাপনায় জৈন্তাপুর উপজেলার শিক্ষা সহ সামগ্রিক বিষয়ের উপর আলোচনা হয় এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংগঠনের নাম দেওয়া হয় জৈন্তাপুর শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। এসময় সর্বসম্মতিতে সাংবাদিক আব্দুল হালিম কে ফাউন্ডেশনের আহবায়ক মনোনীত করা হয়। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয় আদিবাসী নেতা ক্লেমেন্ট চিশিম বর্ষা কে।  ফাউন্ডেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছেন গোলাম সরওয়ার বেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম রায়হান, সুবীর চক্রবর্তী, মোঃ মাসুক আহমদ, জামিল আহমদ জাবেদ, রুহুল আমিন কামাল, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম, বিলালুর রহমান, মাওলানা সাদ উদ্দিন, আমিনুল হক, খন্দকার জয়নাল আবেদিন, অলিউর রহমান গুলশান, সজিব আহমদ। পরবর্তী সভায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে বলে জানানো হয়। রিপোর্ট: মাসুক আহমদ আপলোড: শিউলি

১০ই জুন, ২০২৬
বিলেতের ইউনিভার্সিটিতে সিলেটি তরুণীর ‘নেতৃত্ব’

বিলেতের ইউনিভার্সিটিতে সিলেটি তরুণীর ‘নেতৃত্ব’

বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে যাওয়া শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য তাঁদের নেতৃত্বগুণ ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এসব কৃতী শিক্ষার্থীর মধ্যে রয়েছেন সিলেটের তরুণ-তরুণীরাও। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী- বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত ১৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে একজন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের সন্তান হাফসা আজমারি ফারজু। তিনি ওয়েলসের রেক্সহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। হাফসা আজমারি ফারজু ‘সাসটেইনেবিলিটি চ্যাম্পিয়ন অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার, সমতা ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন। অ্যাঙ্গলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটির লন্ডন ক্যাম্পাস ছাত্র সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সন্তান নাঈম হাসান। ১ হাজার ৬২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়া নাঈম বর্তমানে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবিষয়ক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড (ইউডব্লিউই) ব্রিস্টলের স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট (এডুকেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খাদিজা হোসেন অড়লা। প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর একাডেমিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী খাদিজা শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং আবাসন ও রেন্টার্স রাইটস ইস্যুতে কাজ করছেন। কুষ্টিয়ার শায়েখ হাসান। ডিজিটাল মার্কেটিং বিভাগের এই শিক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সফল ভূমিকার কারণে টানা দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস স্টুডেন্টস ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইরফান রহমান। কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ইরফান এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করছেন। ইউনিভার্সিটি অব গ্লস্টারশায়ার স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ডাইভারসিটি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইফফাত জাহান। প্রায় এক দশক পর শিক্ষাজীবনে ফিরে এসে তিনি ৬৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর উদ্যোগে শিশু পরিচর্যাসুবিধা, মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও নামাজের কক্ষ স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। গাজীপুরের টঙ্গীর সন্তান মো. সাইফ মোল্লা চঞ্চল গ্রিনউইচ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। কম্পিউটার সায়েন্সের এই শিক্ষার্থী মানসিক স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধী ও সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস ছাত্র সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট (এডুকেশন) এ বি এম রাহাত মুবাশশির ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর একাডেমিক প্রতিনিধিত্ব করছেন। লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট রাজ্য মন্ডল। ৮৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত এই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের অধিকার, মানসিক স্বাস্থ্য এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট (অ্যাকটিভিটিজ অ্যান্ড অপরচুনিটিজ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাহিদ বিনতে ইসলাম। টানা দুবার নির্বাচিত নাহিদ সহশিক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করছেন। ব্রুনেল ইউনিভার্সিটি লন্ডন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন নাফি হাসান খান। অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই শিক্ষার্থী এর আগে বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে শিক্ষার্থী সম্পৃক্ততা ও ক্যাম্পাস উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইকুইটি অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার) সৌমিত্র পাল। নোয়াখালীর এই শিক্ষার্থী মানসিক স্বাস্থ্য, অ্যান্টিরেসিজম, অ্যান্টিহ্যারাসমেন্ট এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করছেন। ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ার স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জুবায়ের আহম্মেদ। প্রায় ৩৮ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্বকারী এই পদে থেকে তিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসপেকস অফিসার ও বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রংপুরের মুহতাসিম সাদাত নিবির। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি একাডেমিক অভিজ্ঞতা উন্নয়ন ও পরিবহনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ওয়েলফেয়ার) এম ইমাম হোসাইন টানা দুবার সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, সহায়তা ও সংকট মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী বলছেন- ‘বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমার সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই। সমতা, ন্যায়বিচার ও সাম্যের ভিত্তিতে একটি সুন্দর সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখি আমরা। পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই, বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী রেখে যেতে চাই।’ তারা আরও বলেন- ‘শিক্ষার্থীনেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও জননীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি- মানসম্মত শিক্ষা, সমান সুযোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই সমাজ গঠনের ভিত্তি। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার স্বপ্ন দেখি আমরা। (মূল রিপোর্ট : প্রথম আলো)

১০ই জুন, ২০২৬
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ফের দুর্ঘটনা, নিহত ২

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ফের দুর্ঘটনা, নিহত ২

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে একের পর এক ঘটেই চলেছে বড় দুর্ঘটনা। ঝরছে তাজা প্রাণগুলো।   এবার মহাসড়কটির হবিগঞ্জের মাধবপুরে ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া সেতুর কাছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উপজেলার বেঙ্গাডুবা গ্রামের সিএনজি চালক আক্কাছ মিয়া (৪৫) এবং উত্তর নোয়াপাড়া গ্রামের কৃষিবিদ ড. কামরুল হাসানের স্ত্রী মানোয়ারা বেগম (৭০)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুজন। দুর্ঘটনার পর প্রায় ২ ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ তৎপর হয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

১০ই জুন, ২০২৬
ডা. অচিনপুরীর সঙ্গে যা ঘটলো

ডা. অচিনপুরীর সঙ্গে যা ঘটলো

সিলেটের কৃতিসন্তান, জনপ্রিয় চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সুরকার ডা. জহিরুল ইসলাম (অচিনপুরী) প্রতারণার শিকার হতে চলেছিলেন। তবে যাচাই করতে গিয়ে রক্ষা হয়েছে তাঁর। ঘনিষ্ট বন্ধু পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে স্ত্রী মরে গেছেন উল্লেখ করে অচিনপুরীর কাছে ৩০ হাজার সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে সরাসরি বন্ধুকে কল দিলে প্রতারণাচেষ্টার বিষয়টি ধরা পড়ে।  আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে এক ফেসবুক পোস্টে ডা. জহিরুল ইসলাম (অচিনপুরী) বলেন- ‘একটা ফোন কল আসলো। আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর ছবিও ভেসে উঠলো। কান্নাজড়িত ভাঙা কন্ঠস্বর। দোস্ত, আমি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বলছি। কিছুক্ষণ আগে তোর ভাবী মারা গেছেন। বলেই কান্না জুড়ে দিলো। ঘটনার আকস্মিকতায় আমিও আবেগপ্রবণ ও হতবিহ্বল হয়ে গেলাম। বলতে থাকলো দোস্ত, এইতো দু' জন একসাথে হজ্জ করে আসলাম। কি থেকে কি হয়ে গেলো!  আমি বললাম আমি এভারকেয়ার আসছি, এক্ষুনি।  তুই লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে যাইস না, আমি আসছি। ও প্রান্ত থেকে বললো, না, এসে তুই পাবি না, সব গোছানো শেষ, এক্ষুনি রওয়ানা দিবো, দোয়া করিস।  দোস্ত, হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে হাত একদম খালি, ব্যাংকও বন্ধ।  বন্ধু, পারলে হাজার ত্রিশেক টাকা আমাকে বিকাশে পাঠিয়ে দে। আর দোয়া করিস। আমি বললাম,  ওকে আমি টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছি।  টাকা পাঠাতে যাবো তখন ভাবলাম চেক করে দেখিতো কলটা ফোনে না হোয়াটসঅ্যাপে এসেছিলো?  দেখলাম হোয়াটসঅ্যাপে এসেছে। সরাসরি ফোনে কল দিলাম যাচাই করতে। ফোন ধরলো আমার বন্ধু। তুমি কি এভারকেয়ার, ঢাকায়? না তো, আমি বগুড়ায়। ভাবীর কি অবস্থা,ভালো? হ্যা, ভালো। অসুস্থ না তো? না।  হায় হায়, তাকে বললাম, তোর হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়েছে, ভাবীকে মেরে ফেলেছে রে!  ফোনে তাকিয়ে দেখি ঐ লোক মেসেজ দিয়েছে,  "বিকাশ নম্বর পাঠিয়েছি দোস্ত"  আমি উত্তর দিলাম, " দোস্ত, ভাবীর সাথে আমার যোগাযোগ হয়েছে, টাকা আমি বিকাশে পাঠিয়ে দিবো। উনি কবর থেকে টাকা রিসিভ করে নিবেন। তুই চিন্তা করিস না। দোয়া করতে থাক।"  এরপর আর কোন রেসপোন্স নাই।’ তবে কোনদিন এ ঘটনা ঘটেছে তা ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেননি ডা. জহিরুল ইসলাম (অচিনপুরী)।

১০ই জুন, ২০২৬
বদলে গেছে চন্ডিপুলের গোলচত্বরের নাম

বদলে গেছে চন্ডিপুলের গোলচত্বরের নাম

বদলে গেছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল এলাকার গোলচত্বরের নাম। আগে ছিলো ‘আব্দুস সামাদ আজাদ চত্বর’ , এবার হয়েছে ‘রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান চত্বর’। জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে পুরোনো নাম মুছে নতুন নামের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। এ কার্যক্রম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন খেলাফত মজসিলের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম আহমদ আলী। তিনি ‘এম এ খান চত্বর বাস্তবায়ন কমিটি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক। নতুন সাইবোর্ড স্থাপনকারীরা জানান- চণ্ডীপুল থেকে জালালপুরমুখী সড়ক হয়ে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের বাড়িতে (বিরাহিমপুর গ্রাম) যেতে হয়। এ পথের সঙ্গে তার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তাই দীর্ঘদিন ধরে তার নামে চত্বরটির নামকরণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা। এবার সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন। তাদের দাবি, আগের নামকরণটি বিধি অনুযায়ী হয়নি। সাংবাদিক এম আহমদ আলী এ বিষয়ে বলেন, ‘রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা এ বিষয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন নামের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান সিলেটের কৃতিসন্তান। তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুর। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বাবা। মাহবুব আলী খান ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি রিয়ার অ্যাডমিরাল পদে অভিষিক্ত হন। জাতীয় বাস্তবায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পরে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন মাহবুব আলী খান। ১৯৮২ সালের ১০ জুলাই থেকে ১৯৮৪ সালের ১ জুন পর্যন্ত যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন। মাহবুব আলী খানের দায়িত্বকালে সিলেটের শাহজালাল সেতু, লামাকাজি সেতু ও শেওলা সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তাঁর স্মরণে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের লামাকাজি সেতুর নামকরণ করা হয়। এছাড়া মাহবুব আলী খানের নামে রয়েছে বালাগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম। ছবি : হাবিবুর রহমান সায়েম

১০ই জুন, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : ওসমানী হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

হাম-উপসর্গ : ওসমানী হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

সিলেটে গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার (১০ মে) সকাল পর্যন্ত এই ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ৫ মাস বয়েসি এ শিশুর বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হাম রোগে মারা গেছেন ৪ জন ও বাকিরা উপসর্গে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৬ জন ভর্তি হয়েছেন।  তাদের নিয়ে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৫৬ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে কারো হাম রোগ শনাক্ত হয়নি।

১০ই জুন, ২০২৬
সুরমা ফুঁসছে

সুরমা ফুঁসছে

সিলেটে গত দু-তিনদের টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সুরমা নদীর পানি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীটির পানি সিলেট কানাইঘাট এলাকায় বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই। নদীর পানি বাড়তে থাকায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টির ফলে নদীর স্রোতও বেড়েছে এবং বিভিন্ন ঘাট এলাকায় পানির উচ্চতা আগের তুলনায় অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমি ও বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি। এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশের একাংশে প্রবেশ করেছে এবং আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এর প্রভাবে বিশেষ করে সিলেটে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

০৯ই জুন, ২০২৬
আগাম বর্ষা: তাপপ্রবাহের মাঝেই ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আগাম বর্ষা: তাপপ্রবাহের মাঝেই ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশের একাংশে প্রবেশ করেছে এবং আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে দেশের পাঁচটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রথম দিন: ৯ জুন বৃষ্টির পূর্বাভাস ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হবে। রংপুর, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২৩-৪৩ মিমি) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মিমি) বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ (৩৬.০° সে.- ৩৭.৯° সে.) বয়ে যাচ্ছে এবং তা আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। ঢাকার আবহাওয়া: বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮৫ শতাংশ। বাতাস দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিমি বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। দ্বিতীয় দিন: ১০ জুন বৃষ্টির পূর্বাভাস সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি হবে।সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ দেশের কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত (কমে যাওয়া) হতে পারে। তৃতীয় দিন: ১১ জুন বৃষ্টির পূর্বাভাস রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হবে। ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের প্রবণতা বজায় থাকবে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। চতুর্থ দিন: ১২ জুন বৃষ্টির পূর্বাভাস খুলনা বিভাগ বাদে দেশের বাকি সব বিভাগে বৃষ্টির দাপট বাড়বে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা গরমে স্বস্তি এনে দেবে। পঞ্চম দিন: ১৩ জুন বৃষ্টির পূর্বাভাস   রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পরবর্তী প্রবণতা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করবে। পাঁচ দিনের এই মেয়াদের শেষের দিকে (অর্থাৎ ১৩ জুনের পর) দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৯ জুনের পর থেকে দেশের ওপর বৃষ্টির আওতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহী ও খুলনাসহ পশ্চিমাঞ্চলের চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে।   আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
সিলেটে চিকিৎসক নারীর ছেলের ঝুলন্ত লাশ, পাশে চিরকুট

সিলেটে চিকিৎসক নারীর ছেলের ঝুলন্ত লাশ, পাশে চিরকুট

সিলেটের গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রুলী বিনতে রহিমের কিশোর ছেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার নাম মাহাদি আনজুম (১৫)। তারা সিলেট মহানগরের মিয়া ফাজিলচিশত এলাকার ১৩/৩ নং বাসার চতুর্থ তলায় থাকেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে নিজ পড়ার কক্ষের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় লাশটি উদ্ধার ফায়ারসার্ভিস ও বিমানবন্দর থানাপুলিশ টিম। পুলিশের প্রাথমিক ধারনা- এটি আত্মহত্যা।  লাশ উদ্ধারের সময় পাশে একটি চিরকুট মিলে। এতে লেখা- ‘আমার লাশ পুলিশ যেন না  ধরে, ময়না তদন্ত যেন না হয়।’ বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান সচিত্র সিলেটকে বলেন- লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন- আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

০৯ই জুন, ২০২৬
কোনো বিষয়ের অনার্স বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

কোনো বিষয়ের অনার্স বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

‎কোনো বিষয়ের অনার্স কোর্স বন্ধ করার পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমার জানামতে এ রকম কোনো আলোচনা হয়নি। আর বাংলা মাতৃভাষা, এটা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে?’ ‎মন্ত্রী বলেন, ‘এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমার জ্ঞাতসারে নেই। আমি জানি না এই নিউজ কোথা থেকে আসল।’ ‎এদিন একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা কয়, বাংলা, দর্শন, ইতিহাসসহ ছয় বিষয়ে অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। যদিও এই দাবি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। ‎মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারিগরিকে ইম্পর্টেন্স দিচ্ছি। আমরা আধুনিক করছি। যেগুলোর মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে, সেগুলোকে আমরা দেখছি। সে তো প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে এই আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি এবং আমরাও কোথাও করিনি।’ ‎‎মন্ত্রী বলেন, ‘মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ী তো কোর্স আমরা রেগুলারলি ইন্ট্রোডিউস করছি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি এবং প্রতিটি লেভেলেই আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে, এমন কথা কোথাও হয়নি।’ ‎অনার্স কোর্স কমিয়ে আনা বা কোনো বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই বলেও জানান মন্ত্রী। ‎এদিন দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।   আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
বিএনপি নেতা ও চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির নিন্দা

বিএনপি নেতা ও চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির নিন্দা

সিলেট নগরীর ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন ফাত্তাহ এবং তাঁর চাচাতো ভাই ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. আজিজুর রহমান ফয়সালের ওপর বর্বরোচিত ও নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি। গত রবিবার সন্ধ্যার ঠিক আগ মুহূর্তে নগরীর একটি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের ক্যাডার বেলালের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা মোবারক হোসেন ফাত্তাহর বাসার সামনে এই হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলার শিকার হন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আজিজুর রহমান ফয়সাল। দুর্বৃত্তরা ডা. ফয়সালের ব্যক্তিগত গাড়িটিতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতিসাধন করে। হামলায় গুরুতর আহত মোবারক হোসেন ফাত্তাহকে রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর আঘাত অত্যন্ত গুরুতর। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দিতে হয়েছে এবং পায়ের দুই স্থানে জটিল অস্ত্রোপচার (সার্জারি) করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। নৃশংস এই হামলার খবর পেয়ে ঘটনার দিন রাতেই ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি আহত নেতার পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পরদিন সোমবার (৮ জুন) রাতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ও অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দও হাসপাতালে গিয়ে আহত মোবারক হোসেন ফাত্তাহকে দেখতে যান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। পৃথক প্রতিক্রিয়া ও এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের ক্যাডারদের দ্বারা একজন রাজনৈতিক নেতা ও সম্মানিত চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের কাপুরুষোচিত ও সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই। নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে হামলার মূল হোতা যুবলীগ ক্যাডার বেলালসহ জড়িত সকল দুর্বৃত্তকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সিলেটের রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে নেতৃবৃন্দ আহত নেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।   আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
লন্ডনে মেয়ে ‘আটকা’, সিলেটে মায়ের আহাজারি

লন্ডনে মেয়ে ‘আটকা’, সিলেটে মায়ের আহাজারি

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত মেয়ে আনিকা হক চৌধুরীকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নির্যাতন থেকে উদ্ধার করে তার জীবন রক্ষায় সরকারের উচ্চপর্যায়সহ সংশ্লিষ্ট মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার মা রেখা খাতুন চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ জুন) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সিলেট নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের শাপলাবাগ এলাকার বাসিন্দা মো. এনামুল হকের স্ত্রী রেখা খাতুন চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেখা খাতুন বলেন, তার মেয়ে আনিকা হক চৌধুরীর সঙ্গে সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার সাঈফ টাওয়ারের বাসিন্দা আফজালুর রহমান জুলুর ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রোম্মান আলমের বিয়ে হয় ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। বিয়ের কিছুদিন পর রোম্মান আলম লন্ডনে চলে যান। এরপর দেশে অবস্থানকালে আনিকা তার শাশুড়ি নাসিমা বেগম রিনু ও ভাসুর রুহুল আমিনের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন তিনি। রেখা খাতুন চৌধুরীর দাবি, দীর্ঘ সময় মেয়েকে বাবার বাড়িতে আসতে দেওয়া হয়নি। পরে স্বামীর কাছে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি; বরং তা আরও বেড়েছে। তার অভিযোগ, বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত আনিকাকে স্বামী রোম্মান আলম ঘরে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, রোম্মান আলম তার মেয়ের খালাকে ফোন করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া শাশুড়ি নাসিমা বেগম রিনুও ভয়েস মেসেজে তার মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব কারণে তার মেয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গত ১৯ মে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর রক্তাক্ত অবস্থার কিছু ছবি তার মেয়ে পরিবারের কাছে পাঠিয়েছেন। অভিযোগ করা হয়, নির্যাতনের তথ্য বাইরে যাতে প্রকাশ না পায় সেজন্য তার মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আনিকার উপার্জনের অর্থ জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি শাহপরান থানায় গত ৩১ জানুয়ারি জিডি (নং-১৭০২) করেছেন । লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত ৩ জুন রোম্মান আলমের মা নাসিমা বেগম রিনু তাকে ফোনে গালিগালাজ করেন এবং আনিকাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিমান টিকিটের টাকা দাবি করেন। এ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রোম্মান আলমের বড় ভাই রুহুল আমিন তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। রেখা খাতুন চৌধুরী দাবি করেন, প্রতিবাদ করায় রুহুল আমিন তাদের বাসায় গিয়ে গালিগালাজ করেন এবং নিজেকে প্রভাবশালী দাবি করে বলেন, “আমার কথায় প্রশাসন চলে।” এ ঘটনায় তিনি ৩ জুন শাহপরান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, রোম্মান আলমের চাচা সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, যিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট, তার রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তে বাধা সৃষ্টি করছেন। তার দাবি, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু তাকে ফোন করে অভিযোগগুলোকে “বানোয়াট” বলে উল্লেখ করেন এবং কোনো বিচার পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মেয়ের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি বিভিন্ন ভিডিও ও তথ্য-প্রমাণসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হলেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমনকি বিষয়টি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনারকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে রেখা খাতুন চৌধুরী তার মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

০৯ই জুন, ২০২৬
এক রাতেই ৮ স্থানে পুশ-ইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবি-স্থানীয়দের প্রতিরোধ

এক রাতেই ৮ স্থানে পুশ-ইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবি-স্থানীয়দের প্রতিরোধ

জামালপুর-কুড়িগ্রাম সীমান্তে এক রাতে শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে তাদের এ চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন বিজিবি ও স্থানীয়রা। সোমবার (৮ জুন) দিনগত রাত ১২টা থেকে জামালপুর ব্যাটালিয়ন ৩৫ বিজিবির আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রাত ১২টা থেকে দাঁতভাঙা বিওপির ১০৫৪ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকা, মুল্লারচর সীমান্ত পিলার ১০৬২-এর পাশে কুচুনিমারা, ইজলামারি বিওপির ১০৬৭ নম্বর পিলারের বিপরীতে মানকারচর, খেয়ারচর বিওপির ১০৬৯ নম্বর পিলারের বিপরীতে সদরটিলা, পাথরেরচর বিওপির ১০৭৫ নম্বর পিলারের বিপরীতে লুকায়েরচর, বাঘারচর বিওপির ১০৭৩ নম্বর পিলারের বিপরীতে বালুরঘাট, ঝাউডাঙা বিওপির ১০৭৮ নম্বর পিলারের বিপরীতে দর্গাপাড়া এবং সাতানীপাড়া বিওপির ১০৮৭ নম্বর পিলারের বিপরীতে বিলডুবা এলাকায় শতাধিক মানুষকে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এক রাতেই ৮ স্থানে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবি-স্থানীয়দের প্রতিরোধ জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‌‘সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও অনেক সজাগ। যে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।’ আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রচার  ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুর রহমান জিলুকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার জগন্নাথপুর পৌরপয়েন্টে জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে এ দাবি জানানো হয়।  জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হাসান সুনুর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত দেবের পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন বেলাল,জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবির, দপ্তর সম্পাদক গোলাম সারোয়ার, কার্যনির্বাহী সদস্য আলী আহমদ, জুয়েল আহমদ, সদস্য শাহ এস এম ফরিদ, হুমায়ুন কবির ফরিদী, আজকালের খবর পত্রিকার জগন্নাথপুর প্রতিনিধি আলী হোসেন খান,জগন্নাথপুর গ্রামের প্রবীণ মুরব্বি আব্দুল করিম গেদন,আবু মিয়া, আব্দুল মান্নান,তঞ্জব আলী,আব্দুল হেকিম,আবুল খায়ের,শ্রমিক দল নেতা শফিকুল ইসলাম খেজর,ব্যবসায়ী আলী আহমেদ, মাদক বিরোধী আন্দোলনের নেতা লিমান ভূঁইয়া, সমাজকর্মী রাজু আহমেদ, মাহবুব,রনি মায়হান,নানু মিয়া প্রমুখ সভায় বক্তারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুর রহমান জিলুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, কোন  ধরনের তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলুকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে স্বাধীন সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ করেছে। সাংবাদিকতার মতো মহান পেশার মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে তাকে দ্রুত মুক্তির দাবি জানানো হয়। উল্লেখ্য গত ২ জুন উপজেলা সদরের থানরোডস্হ তাঁর পত্রিকা কার্যালয় থেকে সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশ  তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তাঁর বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া বাদী হয়ে সিলেট সাইবার ট্রাইব্যালে একটি মামলা দায়ের করেন।  রিপোর্ট: গোবিন্দ দেব আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়িতে ‘টাউন সাব-পোস্ট অফিস’র নবযাত্রা

প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়িতে ‘টাউন সাব-পোস্ট অফিস’র নবযাত্রা

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম এলাকার বিরাহিমপুরে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়িতে ডাকঘরের (টাউন সাব-পোস্ট অফিস) কার্যক্রম ফের শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে এর উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় প্রধান ডাকঘরের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (ডিপিএমজি) সুজিত চক্রবর্তী। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের নিকটজন, ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ১২টায় ফিতা কেটে ‘বিরাহিমপুর ডাকঘর’ নামক এই সাব-পোস্ট অফিসের নব-কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এর আগে সিলেট প্রধান ডাকঘরের সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল কাম পোস্ট মাস্টার মো. আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও পোস্ট অফিস পরিদর্শক (শহর)- রুনু চক্রবর্তীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ডিপিএমজি সুজিত চক্রবর্তী বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সম্মানিত শ্বশুর মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খাঁনের দাদা মরহুম খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলী জীবদ্দশায় তাঁর এই বাড়িতে ডাকবিভাগকে ১৬ শতক জমি দান করেছিলেন। সেখানে স্থাপন করা হয়েছিলো শাখা ডাকঘর। কিন্তু ভবন পরিত্যক্ততায় ২০১৩ সালে এ ডাকঘরের কার্যক্রম পার্শ্ববর্তী সিলাম সাব-পোস্ট অফিসে স্থানান্তর করা হয়। তবে ২০২৪ সালে এ ডাকঘরকে টাউন সাব-পোস্ট অফিস হিসেবে উন্নীত করে পুনরায় কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং সম্প্রতি ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কাজী আসাদুল ইসলাম স্যারের নির্দেশ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) মো. আবু তালেব স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আমাদের সিলেট বিভাগীয় ডাকঘরের ব্যবস্থাপনায় ভবনের সংস্কারকাজ শেষ করা হয়। মরহুম খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলীসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ির সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সুজিত চক্রবর্তী বলেন- স্থানীয় মানুষের ডাকসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তাঁরা বহু বছর আগে এই মহান উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আজ আমরা সেই উদ্যোগকে সবাই এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং স্থানীয়দের সকল আধুনিক ডাকসেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবো। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ‘খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলী ওয়াকফ এস্টেট’র মুতাওয়াল্লি বাবর আলী খাঁন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আসাদ উদ্দিন, সিলেট প্রধান ডাকঘরের এপিএম লিপ্টন রঞ্জন রায় ও এপিএম মুুজিবুর রহমান খান পাঠান। সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়া করেন স্থানীয় মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন এবং গিতা পাঠ করেন ডাকবিভাগ কর্মকর্তা চুমকি রানী তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট প্রধান ডাকঘরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ‘বিরাহিমপুর ডাকঘর’র পোস্ট মাস্টার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। 

০৯ই জুন, ২০২৬
ওসমানীনগরে রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফাটল! উঠছে কার্পেটিং

ওসমানীনগরে রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফাটল! উঠছে কার্পেটিং

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নে প্রধান সড়কের প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে, ফাটল দেখা দেওয়া এবং যান চলাচলে সমস্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কাজ চলমান থাকা অবস্থাতেই সড়কের বিভিন্ন অংশে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। সরেজমিনে দেখা যায়, বুরুঙ্গা সড়কের মোড় থেকে বুরুঙ্গা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে পাথর ও ইটের সুরকি বেরিয়ে এসেছে। প্রথমপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বুরুঙ্গা ইকবাল আহমদ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বেশ কিছু অংশে ফাটল ও ক্ষয়ের চিহ্ন দেখা গেছে।  কয়েকটি স্থানে কার্পেটিং ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সিসি ঢালাই অংশের শুরুতে ফাটল দেখা যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।  সড়কের কয়েকটি স্থানে দুই পাশের মাটি ভরাটের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় যানবাহন চলাচলেও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে অভিযোগ স্থানীয়দের। কাজ এখনো চলমান থাকলেও এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাওয়া, পাথর বেরিয়ে আসা এবং ফাটল দেখা দেওয়ায় সড়কের গুণগত মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বুরুঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খালিল আহমদ বলেন, “কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে ক্ষতির চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। কোথাও ফাটল ধরেছে, আবার কোথাও কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। এছাড়া আমার কাছে মনে হচ্ছে সড়কটি আগের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়ে গেছে। আগে যেখানে দুটি গাড়ি সহজে চলাচল করত, এখন সেখানে একসঙ্গে দুটি গাড়ি পাশ দিতে সমস্যা হচ্ছে।  স্থানীয় ব্যবসায়ী কামাল আহমদ বলেন, “সিসি ঢালাই সড়কের দুই পাশের মাটি ভরাট নেই। অনেক স্থানে মাটি ভরাটের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। একসঙ্গে দুটি গাড়ি যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।  উপ-সিএনজি শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজান আহমদ বলেন, “দীর্ঘদিনের দাবির পর সড়কের কাজ হয়েছে। যদি এখনই এ অবস্থা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। আমরা চাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।  অটোরিকশা চালক রাজু মিয়া ও সুরুজ আলী বলেন, “নতুন সড়ক হওয়ায় আমরা স্বস্তি পাব ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন অনেক স্থানে গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। বিপরীত দিক থেকে গাড়ি এলে পাশ কাটাতে কষ্ট হয়। আমার কাছে মনে হচ্ছে আগের তুলনায় রাস্তা কিছুটা ছোট লাগছে। এ কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।  অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার বেলাল আহমদ বলেন, “অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন। উপজেলা প্রকৗশলীসহ সংশ্লিষ্টরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। একটি স্থানে সামান্য ফাটল দেখা দিয়েছিল, যা ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। তাছাড়া সড়কের আর কোথাও পাথর বেরিয়ে আসেনি। আমাদের কাজ চলমান রয়েছে এবং এখনো সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়নি।” ওসমানীনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “বিষয়টি আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করব। কোথাও কোনো ত্রুটি বা সমস্যা থাকলে ঠিকাদারকে তা সংশোধন করতে হবে। এখনো কাজের সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়নি।” ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা বলেন, “বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলব। তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমসি কলেজ অধ্যক্ষের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এমসি কলেজ অধ্যক্ষের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিলেট সরকারি মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. তোফায়েল আহমদ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নগরভবনে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে এমসি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আকমল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে স্বাগত জানান এবং কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. তোফায়েল আহমদ কলেজের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন। সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “মুরারিচাঁদ কলেজ দেশের অন্যতম প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সিলেটের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কলেজের উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। একটি শিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে শিক্ষা ও নগর উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয়। আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
পাগলাবাজারে সাগরিকা বাস কেড়ে নিল বৃদ্ধের প্রাণ

পাগলাবাজারে সাগরিকা বাস কেড়ে নিল বৃদ্ধের প্রাণ

শান্তিগঞ্জের পাগলা বাজারে সাগরিকা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় আব্দুল মনাফ (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাগলা বাজার বাসস্ট্যান্ডে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মনাফ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত রিফাত উল্লাহর ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও জয়কলস হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ভোরে কান্দিগাঁও জামে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় শেষে কান্দিগাঁওয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাগলা বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন আব্দুল মনাফ। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুনামগঞ্জগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১৯৬০ নম্বরের সাগরিকা পরিবহনের একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দূর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে যায়। পরে উপজেলার সদরপুর সেতুর সামনে বাসটি রেখে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে বাসটি জব্দ করে। তবে চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি। জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রিপোর্ট: আব্দুল রহমান জামি আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী

বারবার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী

বার বার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি কার জন্য হচ্ছে তাকে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার (৯ জুন) ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। যে কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে একনেক সভা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কার কারণে প্রকল্পটিতে বার বার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে সেই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একনেক সভায় প্রকল্পের খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রকল্পের অধিকাংশ খরচ বা ব্যয় অস্বাভাবিক বলে মত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এলজিইডি-পিডাব্লিউডিসহ সব বিভাগের রেট সিডিউল এক না হওয়ায় বিরক্ত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য দ্রুত সময়ে রেট সিডিউল একীভূত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনেক গাছ ছিল যা দেখে ভালো লাগতো।ঢাকা-বগুড়া সড়কেও গাছ নেই। নগরায়ন নয় গ্রামীণ পরিবেশ পছন্দ প্রধানমন্ত্রীর। সড়কের পাশে যেন ইউক্লিপটাস-ইপিলি-ইপিল গাছ না লাগানো হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। একনেক সভায় অনুমোদিত ১০টি প্রকল্প হলো ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’, ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’, ‘ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ’, ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) (আর-১৭০) আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ)’ প্রকল্প। এছাড়া ‘দেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও এ লিফট সংযোজন’, ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ’, ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (২য় পর্যায়)’, ‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’, ‘দেশের ৬৫৩টি মাদরাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন’, ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (১ম সংশোধিত’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।   আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
আনিলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউকে প্রবাসী মিজানকে সংবর্ধনা

আনিলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউকে প্রবাসী মিজানকে সংবর্ধনা

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আনিলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘হাজি তারা মিয়া ফুল ফ্রি টিউশন স্কলারশিপ’র প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক ইউকে প্রবাসী মো. মিজানুর রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ জুন) বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া বাতিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান ও সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রবাসী মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কলারশিপের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ইউকে প্রবাসী সেলিম আহমদ। তাঁকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য ছিলেন ও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শিক্ষাক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন- হাজী তারা মিয়া ফুল ফ্রি টিউশন স্কলারশিপ সংস্থা এলাকার মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংবর্ধিত অতিথিরাও শিক্ষার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।   রিপোর্ট: হাসান আপলোড: শিউলি

০৯ই জুন, ২০২৬
সিলেটে সিটিকে ডেঙ্গুমুক্ত করার ‘প্রতিশ্রুতি’

সিলেটে সিটিকে ডেঙ্গুমুক্ত করার ‘প্রতিশ্রুতি’

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নগরভবন প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি বের হয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন। র‌্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় নগরভবনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আমরা একটি ডেঙ্গুমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্যেই ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করেছি। এখন মৌসুম শুরু হয়েছে, তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। নিজেদের আঙিনা, বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।” তিনি বলেন, “অতীতেও সিলেটে ডেঙ্গুর প্রকোপ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। সবাই সচেতন থাকলে এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এবারও আমরা নগরবাসীকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হব।” সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত নগরীতে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে আক্রান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে আমরা আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছি। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার কার‌্যক্রম  চালানো হবে। মসজিদের জুমার খুতবায়ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হবে।” মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আগামী মাস থেকে প্রতিটি বাসাবাড়িতে গিয়ে এডিস মশার লার্ভা রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এর উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা হবে।” সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, “নগরবাসী অত্যন্ত দায়িত্বশীল। বিভিন্ন জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে আমরা তাদের সহযোগিতা পেয়েছি। তাই প্রাথমিকভাবে কোথাও এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং সচেতনতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। বাসাবাড়িতে যাতে পানি জমে না থাকে সে বিষয়ে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি বাড়িতে লার্ভা নিধনের ওষুধ নিয়ে যাওয়া হবে। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তা স্প্রে করে ধ্বংস করা হবে। সবাই সচেতনভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অনেক সহজ হবে।” সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “পূর্বের বছরের মতো এবারও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। হাসপাতালগুলোতে সিসিকের পৃথক সার্ভিল্যান্স টিম কাজ করবে। কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে কুইক রেসপন্স টিম তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির বাসা বা সংশ্লিষ্ট এলাকার আশপাশের অন্তত ২০টি বাড়িতে অনুসন্ধান চালাবে এবং এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে তা ধ্বংস করবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, নগরবাসীর সচেতনতা এবং সিটি কর্পোরেশনের গৃহীত কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতীতের মতো এ বছরও সিলেটকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখা সম্ভব হবে। র‌্যালিতে সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

০৯ই জুন, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : শামসুদ্দিন হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

হাম-উপসর্গ : শামসুদ্দিন হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

সিলেটে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় হামে উপসর্গ নিয়ে সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  গতকাল সোমবার মারা যাওয়া সাড়ে ৩ মাস বয়েসি এ শিশুর বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায়। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হাম রোগে মারা গেছেন ৪ জন ও বাকিরা উপসর্গে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৮ জন ভর্তি হয়েছেন।  তাদের নিয়ে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৪৮ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে কারো হাম রোগ শনাক্ত হয়নি।

০৯ই জুন, ২০২৬
আল্লামা গহরপুরিকে নিয়ে মন্তব্য, অবশেষে এমপি মালিকের দুঃখ প্রকাশ

আল্লামা গহরপুরিকে নিয়ে মন্তব্য, অবশেষে এমপি মালিকের দুঃখ প্রকাশ

উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুজুর্গ আল্লামা নুর উদ্দিন গহরপুরি রাহ.-কে নিয়ে ‘অনিচ্ছাকৃত অসৌজন্যমূলক’ মন্তব্যের জন্য অবশেষে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক।  তিনি সোমবার (৮ জুন) রাত সোয় ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন- ‘‘প্রিয় সিলেট-৩ (দক্ষিন সুরমা,ফেঞ্চুগঞ্জ,বালাগঞ্জ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর ৬টি ওয়ার্ড) এর সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ। সম্প্রতি আমার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মরহুম আল্লামা নূরউদ্দীন গহরপুরী (রহ.)-এর প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আমি সুস্পষ্টভাবে আমার অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চাই। প্রথমত, মরহুম আল্লামা নূরউদ্দীন গহরপুরী (রহ.) আমার পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি তাঁর সঙ্গে পবিত্র হজ পালন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ধর্মীয় অবদান ও ব্যক্তিত্বের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান ছিল এবং আজও রয়েছে। নির্বাচনের আগে  একাধিকবার উনার কবর জিয়ারত করেছি এবং উনার জন্য দোয়া করেছি। মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন রাজু সাহেব আমার আত্মীয় (বিয়াই) এবং তাঁর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাঁর সঙ্গে আমার একাধিকবার কথা হয়েছে, এমনকি আজও তাঁর সঙ্গে ফোন কলে আমার কৌশলগত আলোচনা হয়েছে। এ সময় আমার নির্বাচনী এলাকার বিএনপির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। আমি জানি, মরহুম গহরপুরী হুজুর (রহ.) তাঁর জীবদ্দশায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ পোষণ করতেন, তবে তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। একজন মরহুম আলেম হিসেবে তিনি সর্বদা আমার শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র। তাঁর সম্পর্ক এমন কোনো মন্তব্য করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না, যা উনার মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে। যদি গহরপুরী হুজুরের পরিবার, তাঁদের অনুসারী বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে কষ্টের সৃষ্টি হয়ে থাকে, তবে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আশা করি, সবাই আমার বক্তব্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করবেন এবং এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে। পরিশেষে আপনাদের নিকট আহবান থাকবে সিলট-৩ সংসদীয় আসনে আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দলমত নির্বিশেষে আমি সকলের প্রতিনিধি এবং আমি সকলকে নিয়ে এই আসনের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার তাওফিক দান করুন।’’

০৮ই জুন, ২০২৬
নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুরমা নদীতে নারীর লাশ

নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুরমা নদীতে নারীর লাশ

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের কোনাগ্রাম এলাকার এক গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার আট ঘণ্টা পর সুরমা নদী থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় জকিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত বাসনা রানি মালাকার (২৮) উপজেলার কোনাগ্রামের বাসিন্দা কাজল মালাকারের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশের সুরমা নদীতে ভাসমান জ্বালানিকাঠ (লাকড়ি) সংগ্রহ করতে যান বাসনা রানি মালাকার। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি জকিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে তাদের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপি তল্লাশি চালানোর পর সন্ধ্যায় সুরমা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজন মিয়া।

০৮ই জুন, ২০২৬
এমপি এমরান আহমদ নিয়ে আসলেন বড় প্রকল্প

এমপি এমরান আহমদ নিয়ে আসলেন বড় প্রকল্প

সিলেট-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ও দুবাগ ইউনিয়ন স্পর্শ করে ছুটেছে সারপার-সিলেটিপাড়া-গজুকাটা সড়ক। দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার। স্থানীয় পর্যায়ে আন্তঃযোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি। বিশেষ করে এটি বিজিবি ক্যাম্পে যাতায়াতের পথ। গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে পড়েছিলো সংস্কারবিহীন। তবে এ আসনের নতুন সংসদ সদস্য অ্যাড. এমরান আহমদ চৌধুরী স্থানীয় হাজার হাজার বাসিন্দার জন্য নিয়ে আসলেন সুসংবাদ। প্রায় ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়ক এবার সংস্কার ও বড় করতে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় প্রায় ৪৭ কোটি বরাদ্দ দিয়েছে। ৩ ভাগে শেষ হবে এ প্রকল্পের কাজ। এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন- সোমবার (৮ জুন) এ প্রকল্পের বরাদ্দ মিলেছে। বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৪৬ কোটি ৬৪ লাখ। প্রথমেই সিলেট-৬ আসনের সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং এলজিইডি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি বলেন- সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা নজর রয়েছে। আমরা আশা করছি- এ ৫ বছরে সিলেট বিভাগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সাধিত হবে। দূর হবে সিলেটের উন্নয়ন-বঞ্চনা।

০৮ই জুন, ২০২৬
আবুল হোসেন হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার

আবুল হোসেন হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার

পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আলোচিত শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আরও দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, খাগাইল গ্রামের মৃত মজেফর আলীর ছেলে মামলার ১১ নম্বর আসামি কুটু মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের মৃত উমেদ আলীর ছেলে ১২ নম্বর আসামি আব্দুর রহমান (৬৫)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৬ নম্বর দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়নের গৌরীনগর গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত সুজন চন্দ্র কর্মকার বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, হত্যা মামলার বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, আবুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মামলার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
বিশ্বনাথ থানার অভিযানে ৫ আসামি গ্রেপ্তার

বিশ্বনাথ থানার অভিযানে ৫ আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জ ও বিশ্বনাথে অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক, আদালতে প্রেরণ সিলেটের বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় পৃথক অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ৫ জন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (০৮ জুন ২০২৬) এসআই সামসুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিশ্বনাথ থানার মামলা নং-০৫/৬৯, তারিখ ০৮/০৬/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩০ ধারার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— হাবিবুর রহমান (২৩), পিতা চিনু মিয়া, সাং-মুরাদপুর; তোবারক মিয়া (২২), পিতা সমশের আলী, সাং-রায়পুর; আমির হোসেন (৩২), পিতা মৃত চুনু মিয়া, সাং-আগোয়া, থানা-বানিয়াচং এবং তাজুল ইসলাম (২৪), পিতা আব্দুল হাই, সাং-দুলিখাল (তেতুইয়া), জেলা-হবিগঞ্জ। অপরদিকে এসআই ওবায়দুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশ্বনাথ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার মামলা নং-০৩/৬৭, তারিখ ০৭/০৬/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ১১(গ)/৩০ ধারার এজাহারভুক্ত আসামি মো. রেজওয়ার আহমদ পারভেজ (২৭), পিতা মাসুক আলী, মাতা ফুলমালা বেগম, সাং-রামপাশা, থানা-विश्वনাথ, জেলা-সিলেটকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রিপোর্ট: সাব্বির  আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
এনসিটিবি ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান

এনসিটিবি ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং ঢাকা, যশোর, রাজশাহী, কুমিল্লা ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার তাঁদের নিয়োগ দিয়ে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এনসিটিবির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। এদিকে, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বোর্ডটির সচিব শামীম আরা চৌধুরী। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়েছেন দেবিদ্বার সরকারি এসএস কলেজের অধ্যক্ষ মো. আহসান পারভেজ। অন্যদিকে, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে খুলনার হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালামকে। এ ছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
এবার সিটি করপোরেশন প্রশাসকের বিদেশযাত্রা নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী

এবার সিটি করপোরেশন প্রশাসকের বিদেশযাত্রা নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী

সড়কবাতি বা স্ট্রিট লাইটিংয়ের নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ওপর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ফ্রান্স যাওয়ার আবেদন করেছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম আসাদুজ্জামান সুইটের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন সরকারপ্রধান। আজ সোমবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সারসংক্ষেপের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ খবর জানা গেছে। সূত্রটি বলছে, সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেডের আমন্ত্রণে ফ্রান্সের আউটডোর লাইটিং অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এই দুই কর্মকর্তার বিদেশ সফরের আবেদন জমা পড়েছিল। এই প্রস্তাবের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো প্রকৌশলী জ্ঞান আহরণ করলে তা রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাজে লাগবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক প্রকৌশলী নন, বিধায় তাঁর যাওয়া কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এ সফরে শুধু প্রস্তাবিত নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রয়োজনে যেতে পারেন।’ মশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীরমশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্ভাবনী কাজের ক্ষেত্রে বুয়েট ও দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রী মূলত রাষ্ট্রীয় যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে সংশ্লিষ্ট প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। যে কাজের সঙ্গে যাঁদের সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক বা পেশাগত কোনো সম্পর্ক নেই, তাঁদের বিদেশ ভ্রমণে পাঠিয়ে দেশের রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করার তীব্র বিরোধী তিনি। এর আগেও মশা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও অন্য কর্মকর্তাদের একটি যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাব একইভাবে নাকচ করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
তালিকায় স্বজনপ্রীতি, শাল্লায় কৃষকদের বিক্ষোভ

তালিকায় স্বজনপ্রীতি, শাল্লায় কৃষকদের বিক্ষোভ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সরকারের সুবিধা প্রাপ্তি থেকে থেকে বঞ্চিত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।  উপজেলার ২নং হবিবপুর ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন। এসময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা।  এসময় বিক্ষুব্ধ কৃষকরা বলেন, যারা জলাবদ্ধতার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদেরকে তালিকায় অর্ন্তভুক্তি করা হয়নি। ঢাকায় চাকরি করে এমন লোকও সরকারি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকায় বিল পাচ্ছে। চাকরিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজনও ভাতা পাচ্ছে। যারা প্রকৃত কৃষক তাদের নাম তালিকায় নেই।  কৃষকেরা বলেন, স্বজনপ্রীতি করে ইউপি সদস্যের ভাই-ভাতিজাদের নাম তালিকায় আগে দেওয়া হয়েছে। স্বজনপ্রীতির তালিকা আমরা মানি না। এই তালিকা তদন্ত করে পুনরায় করার দাবি জানান তারা।  এ বিষয়ে হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য বাবলু রায় বলেন, ‘এখানে যারা এসেছে তাদের পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় রয়েছে। প্রথম তালিকায় একঘরের ১১ জনের নাম ছিল। আমার অনিয়ম যদি ধরা হয় তাহলে আমার অনিয়ম হবে এটাই এখনো কালাই মিয়া নামের একজন লোকের একঘরে সাতজনের নাম দিয়েছি।  সবার নাম দেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ উদ্দেশ্য-প্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।’ ২নং হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুবল চন্দ্র দাস বলেন, সুবল চন্দ্র দাস বলেন, যদি অনিয়ম হয়ে থাকে এবং  জমি নষ্ট হয়নি এমন কৃষকের নাম তালিকায় যদি থাকে তাহলে তাদের বিল আটকে দেবো। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারপরও নির্দিষ্ট অনিয়মের তথ্য সহকারে কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে শাবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে শাবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে নগরভবনে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও নগর উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। সাক্ষাৎকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নবনিযুক্ত উপাচার্যকে স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতার গুরুত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি শুধু সিলেট অঞ্চলের জন্য নয়, সমগ্র দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। তিনি আরও বলেন, সিলেটকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ শিক্ষা, গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
দ্বিতীয় দিনেও সিলেটে ইন্টার্ন চিকিৎসদের কর্মবিরতি

দ্বিতীয় দিনেও সিলেটে ইন্টার্ন চিকিৎসদের কর্মবিরতি

ভাতা বাড়ানো, এফসিপিএস প্রশিক্ষণবিষয়ক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো গতকাল সোমবার কর্মবিরতি পালন করছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।  সকাল ১০ টা থেকে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের পাশে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনরত ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দাবি মান না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান নেতারা। এদিকে, ৬ দফা দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য সারা দেশের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকেও দু'জন প্রতিনিধি ঢাকায় অবস্থান করছেন। আজ দুপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেট মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের বৈঠকের কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে নির্ধারণ হবে পরবর্তী করণীয়।  সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এফসিপিএস ট্রেনিং-সংক্রান্ত কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সেখানে উপজেলায় দুই বছর বাধ্যতামূলক সেবাদান এবং মেধাভিত্তিক সীমিত ভাতার বিধান রাখা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল থেকে আন্দোলন চলছে। এদিকে আন্দোলন চলাকালে হাসপাতালের সকল ধরনের জরুরি সেবা চালু রয়েছে। এতে কোন প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট শাট ডাউনের হুশিয়ারি

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট শাট ডাউনের হুশিয়ারি

বাংলাদেশের চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, বৈষম্য নিরসন এবং সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার শৃঙ্খলার স্বার্থে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা  ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছে।     সোমবার সকাল এগারোটায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মদনপুরে অবস্থিত মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।  বিক্ষোভ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফাত রেজা আকাশ, তোফায়েল আহমদ, দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, প্রিয়াস চন্দ্র, ফারজানা আহমেদ  মিম,চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন, ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী  শীর্ষেন্দু বিশ্বাস প্রমুখ।  শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবিসমূহ হচ্ছে - স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক ১৯ মে ২০২৬ তারিখে জারিকৃত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত (স্মারক নং: ৫৯.০০.০০০০.১৪০.১৬.১০.২৫.৩৩৬) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করতে হবে। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং এর আওতায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ৩০,০০০ টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা ৫০,০০০ টাকায় উন্নীতকরণসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন সহ এই ৬ দফা দবি তুলে ধরেন।  অন্যতায় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্রথম থেকে পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ৯ জুন (মঙ্গলবার) থেকে প্রতিদিন সকাল ১১ টার পর থেকে সকল একাডেমিক কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
বিসিবি পরিচালক হওয়ায় সিসিক প্রশাসককে সংবর্ধনা

বিসিবি পরিচালক হওয়ায় সিসিক প্রশাসককে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। সোমবার (৮ জুন) সকালে নগর ভবনে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবনির্বাচিত পরিচালককে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন প্রমুখ। এরপর বেলা ১২টায় নগর ভবনে পৃথকভাবে সিসিক প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানায় সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ, দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজ, দরগাহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও শুকরিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্নার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাভেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাসেল আহমদ ও কোষাধ্যক্ষ তাহমিদুল হাসান জাবেদসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ইফতেখার আলম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ছালমা ইয়াসমিন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান মো. জয়নুল ইসলাম, প্রভাষক নাফিস সাকিনা, শাহেদ আহমেদ ও নুরুজ্জামান কোরেশী। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নেতৃবৃন্দ বিসিবির পরিচালক হিসেবে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সফলতা কামনা করেন এবং দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, রোববার (৭ জুন) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে সিলেট বিভাগসহ মোট ৮ জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এর আগেও ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বিসিবির পরিচালক এবং অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনে তিনি বর্তমানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবসহ ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
আম পাড়া নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হ ত্যা, আ ট ক ২

আম পাড়া নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হ ত্যা, আ ট ক ২

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় গাছ থেকে বাচ্চাদের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। নিহত ব্যক্তির নাম তৈয়বুর রহমান মোল্লা (৬৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত দিনা মোল্লার ছেলে। সোমবার ( ০৮ জুন ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের হাটোইর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন হাটোইর মধ্যপাড়া গ্রামের সৈয়ব আলী (৬২) ও তাঁর ছেলে স্বাধীন (২২)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে প্রতিপক্ষ ইমরান হোসেনের শিশুসন্তান শাকিল (৮) প্রতিবেশী জালাল হোসেনের গাছ থেকে কিছু আম নামায়। এ নিয়ে আব্দুল মোমিন ওই বাচ্চাকে চড়-থাপ্পড় দিলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে আজ সকালে ইমরান হোসেন ও তাঁর লোকজন মোমিনের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। এ সময় বাধা দিলে ওই বাড়িতে থাকা মেহেরুন্নেছা (৫০), মেহেদী হাসান (২৮), আব্দুল মোমিন (২৬) ও শিশু রিয়ানকে (৮) পিটিয়ে জখম করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল জানান, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়িসংলগ্ন পাকা রাস্তায় তাঁদের ওপর আবারও হামলা করে প্রতিপক্ষ। এ সময় বাধা দেওয়ায় তৈয়বুর মোল্লাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মান্দা থানার ওসি খোরশেদ আলম বলেন, তৈয়বুর মোল্লার মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সৈয়ব আলী ও তার ছেলে স্বাধীনকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও কর্তৃত্বের দ্বন্দ্বে ১১ দলীয় জোটে অসন্তোষ

প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও কর্তৃত্বের দ্বন্দ্বে ১১ দলীয় জোটে অসন্তোষ

জোটের কোনো প্রোগ্রামে আপাতত আমরা যাচ্ছি না: ইউসুফ সাদিক হক্কানী অনেক প্রত্যাশাই পূরণ হয়নি, তবু জোটের প্রয়োজন রয়েছে: সারজিস আলম আমরা সবাইকে সমান দৃষ্টিতে সমান গুরুত্ব-মর্যাদা দিই: হামিদুর রহমান আযাদ গঠনের পাঁচ মাসের মধ্যে ১১ দলীয় জোটে যেন ভাঙনের সুর বেজে উঠছে। জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব না মেলার পাশাপাশি আদর্শিক ও রাজনৈতিক দূরত্বও প্রকাশ পাচ্ছে। বিশেষ করে, সংরক্ষিত নারী আসনে সব দলের মতামত না নেওয়া, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ প্রশ্নে মতপার্থক্য, এনসিপিতে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা-কর্মীদের যোগদান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বিল নিয়ে এনসিপির অবস্থান এবং একক কর্তৃত্বের অভিযোগ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। দলীয় সূত্র বলছে, জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের অভ্যন্তরে ইতিমধ্যে জোট ছাড়ার আলোচনা চলছে। আরও কয়েকটি দল জোট নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েছে। শরিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, জোটের দলগুলোকে এখনো পর্যন্ত ‘নামকাওয়াস্তে’ একসঙ্গে রেখেছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি। সংসদে বিরোধী-দলীয় অবস্থান আর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে এই জোটে কার্যকর সমন্বয় নেই। বিশেষ করে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কয়েকটি সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমঝোতা না হলে জোটের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়বে বলে মনে করছেন নেতারা। জোটের শরিক এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং দলটির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। অনেক প্রত্যাশাই পূরণ হয়নি। বিশেষ করে, সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে সংসদে জামায়াতের যে ভূমিকা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, তা প্রত্যাশা অনুযায়ী পাচ্ছি না। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে জোটে থাকার কারণে তাদের মধ্যে একটা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব রয়েছে।’ তারপরও সংসদে ও রাজপথে শক্তিশালী বিরোধী দলের জন্য এই জোটের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন সারজিস। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম ঘোষণা করেছে এনসিপি। অন্যদিকে জামায়াত দক্ষিণে মেয়র পদে শিবির নেতা সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার কথা বলছে। এনসিপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত যদি ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে ছাড় না দেয়, তাহলে জোট নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেবে এনসিপি। এ বিষয়ে দলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, ঢাকা দক্ষিণে ছাড় না পেলে জোটের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে। এনসিপি জোট ছেড়ে বের হয়ে যেতেও পারে। তবে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জুর মতে, ১১ দলীয় জোট মূলত একটি নির্বাচনী ঐক্য ছিল। নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বা দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির ভিত্তিতে জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সে সময় জামায়াতের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিল যে এটি শুধু একটি ‘নির্বাচনী জোট’। নির্বাচনের পর এই জোট কার্যকর থাকার কথাও ছিল না। তবে বর্তমানে জুলাই সনদ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় জোটটি কোনোভাবে টিকে আছে। জোটের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে মঞ্জু বলেন, কিছু টানাপোড়েন থাকাটা স্বাভাবিক। কারণ জোটের কিছু দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে, আবার কিছু দল সংসদের বাইরে রয়েছে। তা ছাড়া জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি সংগঠিত নয়। ফলে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দিচ্ছে। সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়েও জোটের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে কেউ কোনো আলোচনা করেনি বলেও উল্লেখ করেন। সূত্রমতে, খেলাফত আন্দোলনের ভেতরে জোট ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। ১১ দলীয় জোট ছাড়ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী বলেন, ‘জোটের কোনো প্রোগ্রামে আপাতত আমরা যাচ্ছি না। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আমরা নিইনি। চলতি মাসের ১০ তারিখে আমাদের মজলিসে আমেলার মিটিং আছে, সেই মিটিংয়ে জোটে থাকা না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।’ যদিও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জোট ত্যাগের আশঙ্কার বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ আছে। তাঁরা বলেছেন, আমরা জোট থেকে বের হওয়ার ঘোষণা দিইনি।’ জোটে জামায়াতের একক কর্তৃত্বের অভিযোগের বিষয়ে এই নেতা বলেন, ‘এই অভিযোগ সঠিক না। কেউ যদি এমন অজুহাত দাঁড় করায় সেটা ভিন্ন। আমাদের মধ্যে এরকম কিছু নেই। আমরা সবাইকে সমান দৃষ্টিতে সমান গুরুত্ব-মর্যাদা দিই।’   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার তুরিন আফরোজ

পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার তুরিন আফরোজ

জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।  সোমবার (৮ জুন) ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। বাদীর আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, তুরিন আফরোজের আপন ভাই শাহ নেওয়াজ আহাম্মদ শিশির আদালতে নালিশি (সিআর) মামলাটি করেছিলেন। আদালতের নির্দেশে তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা রয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। একই সঙ্গে মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।  অন্য মামলায় কারাগারে থাকা আসামিকে এ মামলার শুনানির ধার্য তারিখে আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানো ‘শোন অ্যারেস্ট’ সংক্রান্ত শুনানির সময় কাঠগড়ায় নির্বিকার দাঁড়িয়ে ছিলেন তুরিন আফরোজ। শুনানি শেষে আদেশের পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।  মামলার বিবরণে জানা গেছে, প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন তুরিন আফরোজ। বাবা মারা যাওয়ার পর ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর থাকাকালীন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে গেছেন। তুরিন তার ভাই মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।  দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে মামলা করায় দেরি হয়েছে বলে বাদী উল্লেখ করেন।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদার সহ) সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এখন থেকে তাদের মূল বেতন হবে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা।  আগে তারা জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ নবম গ্রেডে (২২০০০-৫৩০৬০ টাকা) নিয়োগ পেতেন। অর্থাৎ মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। সেই হিসাবে তাদের মূল বেতন এখন বাড়লো। সম্প্রতি এ বেতন নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চ এ বিষয়ে মতামত জানতে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।  অর্থ বিভাগ চিঠিতে জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরির বাইর থেকে অস্থায়ীভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী একান্ত সচিব এবং উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একান্ত সচিবদের মূল বেতন শর্তসাপেক্ষে ‌‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণে মতামত প্রদান করা হলো। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- মূল বেতন নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতাদি পাবেন। কোন প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না। এই মূল বেতন মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইর থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলেও মতামতে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
রূঢ় আচরণ নয়; সরকারি অফিসে ‘সালাম-ধন্যবাদ’ ব্যবহারে জোর

রূঢ় আচরণ নয়; সরকারি অফিসে ‘সালাম-ধন্যবাদ’ ব্যবহারে জোর

সরকারি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই রূঢ়, অবমাননাকর, অসৌজন্যমূলক বা বিরক্তিপূর্ণ ভাষায় কথা বলা যাবে না। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে সাক্ষাতে সালাম বা সম্ভাষণ জানানো এবং ‘অনুগ্রহ করে’, ‘ধন্যবাদ’, ‘দয়া করে’, ‘আপনাকে কীভাবে সহায়তা করতে পারি’— এ ধরনের সৌজন্যমূলক ভাষা ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। একই সঙ্গে সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহীতার প্রতি বৈষম্যহীন, ন্যায়সংগত, মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি ‘সেবা সহজীকরণ নির্দেশিকা ২০২৬’ তৈরি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন এই খসড়ায় এসব নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খসড়া নির্দেশিকাটি সংশোধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে চূড়ান্ত করার আগে অংশীজন পর্যায়ে মতামত নেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। খসড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জনসেবা নিশ্চিত করা সরকারি অফিসের অন্যতম প্রধান কাজ। সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মানসম্পন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতার সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী নাগরিকবান্ধব ভাবমূর্তি গঠন করা। নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সেবা সহজীকরণের ধারণার দীর্ঘ চর্চা বিশ্বব্যাপী পরিলক্ষিত হয়। গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন, প্রক্রিয়া ব্যয় কমানো এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার উদ্দেশ্যে ১৯৯০-এর দশকে ‘বিজনেস প্রসেস পুনঃপ্রকৌশল’ কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে এই ধারণা সরকারি খাতে অঙ্গীভূত হতে থাকে। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশে এ ধারণার চর্চা ও বাস্তবায়ন হচ্ছে। ধারণাটি বিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশে এর নামকরণ হয়েছে ‘সেবাপদ্ধতি সহজীকরণ’। সরকারি অফিসে সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের রূঢ়, অবমাননাকর বা বিরক্তিপূর্ণ আচরণ করা যাবে না। সরকারি কর্মচারীদের এখন থেকে সালাম বা সম্ভাষণ জানানো এবং ‘অনুগ্রহ করে’, ‘ধন্যবাদ’, ‘দয়া করে’, ‘আপনাকে কীভাবে সহায়তা করতে পারি’— এরকম সৌজন্যমূলক শব্দ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহীতার প্রতি বৈষম্যহীন ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি সেবা প্রদান পদ্ধতিতে বিদ্যমান অপ্রয়োজনীয় ধাপ, কাগজপত্র, সময় ও যাতায়াত কমানো কিংবা সেবার গুণগত মান— যেমন নির্ভুলতা, সময়মতো সেবা প্রদান, আচরণ, সৌজন্য ও ভদ্রতাপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সেবা নির্বাচন, সেবাগ্রহীতার মতামত ও চাহিদা অনুধাবন, সেবা বিশ্লেষণ, নতুন প্রস্তাব গ্রহণ, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন এবং অব্যাহতভাবে উৎকর্ষ সাধনের ধারাবাহিক কার্যক্রমকেই সেবা সহজীকরণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। খসড়া নির্দেশিকায় সেবা সহজীকরণের পদ্ধতি হিসেবে বিদ্যমান পদ্ধতির বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন, সর্বোৎকৃষ্ট চর্চা চিহ্নিতকরণ ও অনুধাবন, প্রস্তাবিত পদ্ধতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের বিষয়গুলো তুলে করা হয়েছে। সেবা সহজীকরণের ৩ মূলনীতি সেবা সহজীকরণের তিনটি মূলনীতিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—  মৌলিক পুনঃচিন্তন: সেবা সহজীকরণের সময় শুধু সেবাটিকে নয়, সংশ্লিষ্ট অফিসটির সামগ্রিক কার্যক্রম, প্রচলিত আইন ও বিধি, সেবার ধরন ও তালিকা, সেবাগ্রহীতা, সেবা প্রক্রিয়া, বিদ্যমান পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা, নাগরিক চাহিদা এবং সেবার মানোন্নয়নের সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করতে হবে। আমূল পরিবর্তন: কম খরচে, দ্রুত ও কার্যকরভাবে সেবা প্রদান বিদ্যমান পদ্ধতির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। নাগরিকের অভিজ্ঞতা, মতামত ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যমান পদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান সম্ভব হয়ে ওঠে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বিদ্যমান কার্যপদ্ধতির সম্পূর্ণ রূপান্তর ঘটাতে পারে। অভূতপূর্ব উন্নয়ন: সেবাপদ্ধতি সহজীকরণের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সেবা প্রদান কার্যক্রমে ব্যাপক উন্নতি আনা। সেবা প্রদানের সময়, খরচ, অফিসে গমনের সংখ্যা, ধাপ এবং সেবা-সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র কমানোর মাধ্যমে নাগরিক সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব। সেবা সহজীকরণের প্রয়োজনীয়তা ও প্রধান নিয়ামক খসড়া নির্দেশিকায় সেবা সহজীকরণের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে নাগরিকের সেবা গ্রহণ সহজতর করা, সেবা প্রদানের সময় কমিয়ে আনা, কম খরচে কার্যকর সেবাপ্রাপ্তি, অফিসে যাতায়াতের সংখ্যা কমানো, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমানো, সেবাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অভিগম্য করা, সহজলভ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আচরণগত উৎকর্ষতা ও সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মাধ্যমে সেবা সহজীকরণের সূচনা হয়। নাগরিকের ভোগান্তি নিজে অনুধাবন করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার নাম সমানুভূতি। সমানুভূতিশীল সেবাদাতা যখন সেবাগ্রহীতার কষ্ট লাঘব করতে মনোনিবেশ করেন, তখন তিনি আচরণগত উৎকর্ষ সাধন, অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ, সেবার মানোন্নয়ন এবং নাগরিক সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি সেবা প্রদানে সময়, ব্যয়, যাতায়াত ও কাগজপত্র কমানোর প্রচেষ্টায় আত্মনিয়োগ করেন। খসড়া নির্দেশিকায় আচরণ, সেবার মান, সময়, খরচ, অন্তর্ভুক্তি, দাখিলীয় কাগজপত্র, যাতায়াত এবং গ্রাহক সন্তুষ্টিকে সেবাপদ্ধতি সহজীকরণের প্রধান নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন এই খসড়ায় সেবাপদ্ধতি সহজীকরণের জন্য ৩টি মূলনীতি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হলো— মৌলিক পুনঃচিন্তন, আমূল পরিবর্তন এবং অভূতপূর্ব উন্নয়ন। কম খরচে, কম যাতায়াতে এবং দ্রুত সেবা দিতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আচরণ, সেবার মান, সময় ও খরচকে সেবা সহজীকরণের প্রধান নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সেবা নির্বাচন ও মতামত গ্রহণ সেবা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় বা বিভাগ সেবা সহজীকরণের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। উদ্ভাবন দল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সেবাপদ্ধতি সহজীকরণ কার্যকরী দল গঠন করবে। এ দল সহজীকরণের জন্য সেবা নির্বাচনের আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রোফাইল প্রস্তুত করবে। সেখানে প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সেবার ধরন, সেবাগ্রহীতার ধরন, সেবার আর্থসামাজিক গুরুত্ব এবং বিদ্যমান সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরা হবে। নির্দেশিকায় সেবাগ্রহীতার মতামত গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সেবা প্রদানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সেবাগ্রহীতার সন্তুষ্টি অর্জন এবং সরকারি অফিসের দীর্ঘমেয়াদি নাগরিকবান্ধব ভাবমূর্তি গড়ে তোলা। সেবাগ্রহীতার বাস্তব অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকেই সেবাকে সহজ করার যৌক্তিকতা তৈরি হয়। সরাসরি মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতার ভোগান্তি, তার কারণ, চাহিদা এবং বিদ্যমান বিধিবিধান পরিবর্তনের পরামর্শ সম্পর্কে জানা যায়। তাই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সেবাসমূহের ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতার অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১৫টি করণীয় নির্দেশনা খসড়া নির্দেশিকায় সেবা সহজীকরণসংক্রান্ত ১৫টি করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— • দপ্তর বা সংস্থার সামগ্রিক অফিস ব্যবস্থাপনাকে সহজ, আধুনিক, স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী করা। • নথি ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার নিশ্চিত করা। • বৈষম্যহীন ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা। • অফিসের সামগ্রিক সেবা-পরিবেশ উন্নত করা। • প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, প্রবীণ, গর্ভবতী নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা। • পরিবেশগত টেকসইতা নিশ্চিত করা এবং পেপারলেস অফিস ব্যবস্থা চালু করা। • উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। • কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া। • নাগরিক মতামত বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দেওয়া। • অনলাইন, সরাসরি, ডাকযোগে, ডিজিটাল সেন্টার, মোবাইল অ্যাপ বা সহায়ক ডেস্কের মাধ্যমে একাধিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের সুযোগ রাখা। • সহজীকরণের তথ্য ও প্রমাণক সংরক্ষণ করা। • জাতীয় তথ্য বাতায়নে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা। • সিটিজেন চার্টারে সহজীকৃত সেবার প্রসেস ম্যাপ সংযুক্ত করা। • বিভিন্ন মাধ্যমে প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা। • সময়-খরচ-যাতায়াত-গুণগত মানের ভিত্তিতে ফলাফল পরিমাপ, নিয়মিত মনিটরিং, মূল্যায়ন ও সামাজিক নিরীক্ষা পরিচালনা এবং সহজীকরণকে ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা। ১২টি বর্জনীয় বিষয় অন্যদিকে, সেবা সহজীকরণসংক্রান্ত ১২টি বর্জনীয় বিষয়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে—  • কেবল সেবাদাতার মতামতকে সেবাগ্রহীতার অভিজ্ঞতার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। • গ্রাহক ভোগান্তি, জনসম্পৃক্ততা, সেবার সামাজিক গুরুত্ব এবং সময়-খরচ-যাতায়াত-গুণগত মান বিশ্লেষণ উপেক্ষা করে সুবিধাজনক সেবা নির্বাচন করা যাবে না। • সেবা সহজীকরণকে এককালীন উদ্যোগ হিসেবে দেখা যাবে না। • সেবাগ্রহীতার সঙ্গে রূঢ়, অবমাননাকর, অসৌজন্যমূলক বা বিরক্তিপূর্ণ ভাষায় কথা বলা যাবে না। • সাক্ষাতে সালাম বা সম্ভাষণ, ‘অনুগ্রহ করে’, ‘ধন্যবাদ’, ‘দয়া করে’ এবং ‘আপনাকে কীভাবে সহায়তা করতে পারি’—এ ধরনের সৌজন্যমূলক ভাষা ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা যাবে না, বরং উৎসাহিত করতে হবে। খসড়া নির্দেশিকায় ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরিসহ ১৫টি করণীয় বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রাহক ভোগান্তি উপেক্ষা করে সুবিধাজনক সেবা নির্বাচন, একই নথি বারবার চাওয়া এবং দালালচক্রের সুযোগ বহাল রাখার মতো ১২টি বিষয় বর্জন করতে বলা হয়েছে। খসড়াটি বর্তমানে চূড়ান্ত করার আগে অংশীজনদের মতামতের জন্য সব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে • অপ্রয়োজনীয় কাগজ অপচয় করা যাবে না। • পানি ও বিদ্যুতের অপচয় করা যাবে না। • একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে হবে। • একই তথ্য বা কাগজপত্র একাধিকবার চাওয়া যাবে না। • সহজীকরণের পর পুরোনো জটিল পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া যাবে না। • সিটিজেন চার্টার ও জাতীয় তথ্য বাতায়নে পুরোনো বা পরস্পরবিরোধী তথ্য রাখা যাবে না। • কেবল জটিল প্রক্রিয়াকে অনলাইনে স্থানান্তর করে তাকে সহজীকরণ বলা যাবে না এবং মধ্যস্বত্বভোগী, অনানুষ্ঠানিক দালালচক্র, অস্বচ্ছ যোগাযোগ বা অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়— এমন কোনো প্রক্রিয়া বহাল রাখা যাবে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের খসড়া নির্দেশিকায় পরিশেষে বলা হয়েছে, সেবা সহজীকরণকে এককালীন কার্যক্রম নয়, বরং ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আইন, বিধি, প্রযুক্তি, নাগরিকের চাহিদা এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে সহজ হওয়া সেবাকে নিয়মিতভাবে পরিমার্জন ও হালনাগাদ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘সেবা সহজীকরণ নির্দেশিকার খসড়া সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে মতামত ও পরামর্শ আসার পর যৌক্তিক বিষয়গুলো যুক্ত করে এই নির্দেশিকাটি চূড়ান্ত করা হবে।’ আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
ভারতকে ১২-১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতকে ১২-১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শক্তভাবে প্রতিহত করছে। পাশাপাশি পুশইন বন্ধে ভারত সরকারকে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। শামা ওবায়েদ বলেন, ভারতের পুশইনের চেষ্টা বিজিবি শক্তভাবে প্রতিহত করছে। নিয়ম না মেনে পুশইনের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। পুশইন বন্ধে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি দেওয়া হয়েছে ভারতকে।  তিনি বলেন, ইলিগ্যাল (অবৈধ) যারা আছে তাদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া আছে। সেটা মেনেই ভারতকে কাজ করতে হবে। পুশইন দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) শিশু, নারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে ঠেলে পাঠানো ঠেকাতে সম্প্রতি বাংলাদেশের ২৬ জেলার সীমান্তে বিপুল সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চার পালায় ২৪ ঘণ্টা তারা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন। সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় লোকজনও তাদের সহযোগিতা করছেন। ভারত থেকে পুশইনের মধ্যে আজ সোমবার থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, সম্মেলনে অবৈধ পুশইন, সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮ জনের মৃত্যু

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮ জনের মৃত্যু

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ বিষয়ক সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূমিকম্পের সময় তীব্র কম্পনে দেশটির বেশ কিছু বহুতল ভবন ধসে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফিলিপাইনে আঘাত হানা এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের জেরে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সুনামি সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ফিলিপাইনের মিন্দানাও অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র দিয়েগো মারিয়ানো বলেছেন, নিহতদের মধ্যে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের তিনজন, জেনারেল সান্তোস শহরের তিনজন এবং দক্ষিণ কোতাবাতো প্রদেশের দুজন রয়েছেন। প্রায় ৭ লাখ ২০ হাজার জনসংখ্যার শহর জেনারেল সান্তোসের দক্ষিণে সমুদ্রগর্ভে ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভের মতে, প্রথম ভূমিকম্পের প্রায় দুই ঘণ্টা পর থেকে এলাকাটিতে একাধিক শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৫। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব ভবনের দাবি সংসদে, এমপি মালিককে অভিনন্দন

দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব ভবনের দাবি সংসদে, এমপি মালিককে অভিনন্দন

মহান জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করায় সিলেট-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এম এ মালিককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব। জাতীয় সংসদে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ করা হবে কি-না-এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপনের মাধ্যমে তিনি দক্ষিণ সুরমার সাংবাদিক সমাজের ন্যায্য দাবি ও প্রত্যাশার প্রতি আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, মাননীয় সংসদ সদস্যের এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় অচিরেই দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নিজস্ব ভবন নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ইমরান ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম এক যৌথ ধন্যবাদ বার্তায় সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার ও দাবি নিয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলায় সংসদ সদস্য এম এ মালিক-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

০৮ই জুন, ২০২৬
মন্ত্রী আরিফের হাত ধরে খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার

মন্ত্রী আরিফের হাত ধরে খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার

সুইজারল্যান্ড এর জেনেভায় ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন ২০২৬ এ যোগ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী।  পুর্ব নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী জেনেভাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯ টায় মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।  সভায় মরিশাসে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার চালু, বাংলাদেশি শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা ও দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। যার ফলশ্রুতিতে খুব শিঘ্রই দুই দেশের সমঝোতা-স্মারক স্বাক্ষর হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।  বৈঠকে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম বলেন, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেয়ার বিষয়ে মরিশাস আগ্রহ প্রকাশ করছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। পুনরায় শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে সমঝোতা স্মারক এর খসড়া বাংলাদেশে শিঘ্রই প্রেরণ করবেন মর্মে মারিশাসের শ্রমমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। এছাড়া বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মরিশাস সরকার।  শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শুরুতেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে মরিশাস সরকারকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলাদেশ থেকে মরিশাসে জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে সমঝোতা-স্মারক দ্রুত স্বাক্ষর করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মরিশাস সরকারকে অনুরোধ জানান।  তিনি আরও বলেন- টেক্সটাইল শিল্প ছাড়াও অন্যান্য পেশা যেমন- ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, একাউন্টেন্ট ইত্যাদি দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে বাংলাদেশ সরকার আগ্রহী। সবশেষে তিনি মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান।  বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সুইজারল্যান্ড এ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি  নাহিদা সোবহান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল ইসলাম ও বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

০৮ই জুন, ২০২৬
চেয়ারম্যান সমর্থকদের সংঘর্ষে বানিয়াচংয়ে অর্ধশতাধিক আহত

চেয়ারম্যান সমর্থকদের সংঘর্ষে বানিয়াচংয়ে অর্ধশতাধিক আহত

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অপারেশন ডেভিল হান্ট চলাকালে বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদ আহমেদ গ্রেফতার হন। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান যুবদল নেতা কফিল উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। দীর্ঘদিন কারাভোগ শেষে জাতীয় নির্বাচনের পর ফরিদ আহমদ জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তিনি পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের উদ্যোগ নিলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন এতে আপত্তি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আজ সকালে সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ উপস্থিত হলে তাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ফরিদ আহমদের সমর্থনে নোয়াগাঁও, কদুপুরসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন এবং কফিল উদ্দিনের সমর্থনে হলদারপুর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩টি টিয়ারশেল ও ৫টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে বানিয়াচং থানার ওসিসহ ৪ পুলিশ সদস্য ও উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় মামলার আবেদন খারিজ

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় মামলার আবেদন খারিজ

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা এবং সময়মতো টিকা আমদানিতে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলাম মামলার আবেদনটি শুনানি শেষে খারিজের আদেশ দেন। মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান ইকবাল। আবেদনে আরও আসামি করা হয়েছিল স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরকে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা সংগ্রহ ও আমদানিতে সিদ্ধান্তগত ব্যর্থতা এবং অবহেলার কারণে দেশে হামের ব্যাপক বিস্তার ঘটে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু আক্রান্ত হয় এবং শত শত শিশুর মৃত্যু ঘটে বলে দাবি করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের প্রচলিত ব্যবস্থা বাতিল করে উন্মুক্ত দরপত্রের উদ্যোগ নেওয়ায় টিকা সরবরাহে বিলম্ব হয় এবং সংকট তৈরি হয়। মামলার বাদী পরে গণমাধ্যমকে বলেন, ইউনিসেফের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য টিকা সংকট সম্পর্কে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। তিনি দাবি করেন, এই অবহেলার কারণেই দেশে হামের ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং এর দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এড়াতে পারেন না। তবে শুনানি শেষে আদালত মামলার আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালতের এই আদেশের ফলে আপাতত এ বিষয়ে কোনো ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

দুপুর ১২টায় খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। সোমবার (৮ জুন) সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দেশের কোটি কোটি ভোক্তা এবং প্রায় ৭০ লক্ষ দোকান ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে এই আবেদন৷’ এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের খুচরা ব্যবসা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের শহর, মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য দোকান, মার্কেট ও শপিংমলকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যবসায়িক ব্যয়, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে রয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান বন্ধ রাখার বর্তমান সিদ্ধান্ত দেশের খুচরা ব্যবসার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেক ক্রেতা কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় কেনাকাটা করতে পারেন না এবং বিকেল বা সন্ধ্যার পর বাজারে আসেন। ফলে দোকান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ না থাকলে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রত্যাশিত বিক্রয় থেকে বঞ্চিত হন। এতে ব্যবসার পরিমাণ কমে যায়, কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়ে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতি সচল রাখা, ব্যবসায়ীদের জীবিকা রক্ষা করা এবং সাধারণ জনগণের কেনাকাটার সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারের বিবেচনায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ১২টা বা সরকারের উপযুক্ত মনে হওয়া যেকোনো সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশের সকল দোকান, শপিং মল, মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমোদন প্রদান করা হোক। চিঠিতে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৭০ লক্ষ দোকান ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর জীবিকা সুরক্ষিত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে; সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে; সাধারণ জনগণ সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন; দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। চিঠিতে আরও বলা হয়, অন্যথায় বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ী আর্থিক সংকটে পড়ে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন, যার নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির ওপর পড়বে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। গত ১ জুন বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠেয় মেলা, বাণিজ্যমেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সেই সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে দেওয়া বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে রাত ১০টার পরিবর্তে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কার্যক্রম শেষ করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের বিলবোর্ডের বাতি, দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত মেলা, বাণিজ্যমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।   আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
জগন্নাথপুরে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১৫

জগন্নাথপুরে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১৫

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের (দক্ষিণ পাড়া) জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রবিবার ৭ জুন বিকাল ৪ টায়   দু-পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছিল। পাইলগাঁও গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা দবির উদ্দিন ও খলিলুর রহমানের মধ্যে  জায়গা নিয়ে কথা কাটা কাটি হয়। এই ঘটনার জেরে রানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী তকবুর আলী বাড়ি যাওয়ার পথে বাড়ির সামনে দবিরর ছেলে শাহ আলম সহ কয়েক জন মিয়ে রামদা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর অতর্কিত হামলায় লিপ্ত হয়। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ​সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় জগন্নাথপুর  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত রা হলেন তকবুর আলী (৪০) ফজরুল বিবি(৬০) আরশ আলী(২৮) তারেক রহমান(১৭) দবির মিয়া (৫০) শাহ আলম(৩২) জুফান মিয়া(২০) লালন মিয়া (২৫) বাকি আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ​খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। খলিলুর রহমান বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।  ​এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম  জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেয়েছি   তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রিপোর্ট: গোবিন্দ দেব আপলোড: শিউলি

০৮ই জুন, ২০২৬
ফেঞ্চুগঞ্জে মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ

ফেঞ্চুগঞ্জে মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ইলাশপুর জামেয়া কুরআন মাদরাসার শাহরিয়ার নামের এক ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল রবিবার (৭ জুন) বিকাল থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। শাহরিয়ার ওই এলাকার বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকালে ইলাশপুর জামেয়া কুরআন মাদরাসা এলাকা থেকে বের হওয়ার পর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজের সময় শাহরিয়ারের পরনে ছিল আকাশী রঙের পাঞ্জাবি, সাদা পায়জামা এবং মাথায় টুপি। কেউ শাহরিয়ারের সন্ধান পেলে এই দুই ফোন নাম্বারে (০১৯৬৪-২৯৩১৬৬ ও ০১৬১৬-১৮৯৭২৩) যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

০৮ই জুন, ২০২৬
সিলেটে শাশুড়িকে কোপালেন জামাতা

সিলেটে শাশুড়িকে কোপালেন জামাতা

সিলেটের ওসমানীনগরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ও শাশুড়িকে বটি (দা) দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছেন ছানু মিয়া (৩৫) নামের এক জামাতা। রবিবার (৭ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার তাজপুর ইউপির স্কুল রোডের সাবেক ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনের বাসাতে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ জামাতা ছানু মিয়াকে আটক করে। ছানু মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার মিসকিনপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন- উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির জায়ফরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের মেয়ে ও ছানু মিয়ার স্ত্রী রেশমা বেগম (৩০) এবং রেশমা বেগমের মা আজিরুন বেগম(৬৫)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর পূর্বে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির জায়ফরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের মেয়ে রেশমা বেগমকে বিয়ে করেন নবীগঞ্জ উপজেলার মিসকিনপুর গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে ছানু মিয়া। এর মধ্যে রেশমা-ছানু দম্পতি ঘরে দুটি ছেলে ও কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। সম্প্রতি পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ার কারণে দুই সন্তান ও মাকে নিয়ে তাজপুর স্কুল রোডে সাবেক ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনের বাসায় ভাড়া থাকতেন তারা। গত রোববার রাতে স্বামী ছানু মিয়া তার দুই সন্তানকে রেশমাদের বাসায় খেতে আসলে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে ছানু মিয়া বটি(দা) দিয়ে স্ত্রী রেশমা বেগম ও শাশুরি আজিরুন বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ জামাতা ছানু মিয়াকে আটক করে। ওসমানীনগর থানার ওসি মুরশেদুল আলম ভূইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর পর আমরা জামাতা ছানু মিয়াকে আটক করি। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ছানু মিয়াকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

০৮ই জুন, ২০২৬
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে বাস উল্টে হবিগঞ্জের নারীসহ ৪ জন নিহত

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে বাস উল্টে হবিগঞ্জের নারীসহ ৪ জন নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের পাশে খাদে উল্টে পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১০ জন যাত্রী। সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামোড়া এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এদের মধ্যে দুইজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- সরাইল উপজেলার শাহবাজুরের আরস আলী মুন্সি (৭০) ও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌসুমি দাস (৩০)। ​হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকাল যাত্রীবাহী বাসটি মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বৈশামোড়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তেই বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। ​দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার মো. আব্দুল বাতেন বলেন, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। চারজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

০৮ই জুন, ২০২৬
বাহুবলে কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

বাহুবলে কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা সদর থেকে বাহুবল-রাজাপুর বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক কোটি ৩৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বরাদ্দকৃত সড়কটির সংস্কার কাজে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দায়সারা কাজ, নিম্নমানের নির্মাণ এবং তদারকির চরম ঘাটতিতে সরকারের কোটি টাকা অপচয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দেখা যায়, সড়কে পিচ ঢালার আগে নিয়ম অনুযায়ী যে প্রাইমকোড (স্থানীয়ভাবে ‘ভিটামিন’) দেওয়ার কথা, তা ৩-৪ দিন আগে প্রয়োগ করা হলেও এর মধ্যে টানা ভারী বৃষ্টিতে সেটি সম্পূর্ণ ধুয়ে গেছে। ফলে রাস্তার ওপর প্রাইম কোডের কোনো অস্তিত্বই নেই। অথচ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিফা ভুঁইয়া পুনরায় প্রাইমকোড না দিয়েই দীর্ঘ অংশজুড়ে পিচ ঢালাই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাইমকোড ছাড়া পিচ ঢাললে তা টেকসই হয় না এবং অল্প সময়ের মধ্যেই উঠে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে পুরো প্রকল্পই ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের পর নতুন সড়ক পেয়ে স্বস্তি ফিরেছিল স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে। কিন্তু শুরুতেই এমন অনিয়ম দেখে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন তারা। যে কোনো সময় এই ক্ষোভ বিস্ফোরণে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা জুবাঈদ আহমদ বলেন, আমরা কয়েকদিন ধরে বারবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো নিয়মনীতি মানা হচ্ছে না। এভাবে কাজ হলে এই রাস্তা কয়েক মাসও টিকবে না। আরেক বাসিন্দা নুরুদ্দীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভিটামিন ছাড়া পিচ দেওয়া হচ্ছে—এটা কাজ না করে টাকা নষ্ট করার নামান্তর। এই কাজ করার চেয়ে না করাই ভালো। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বাঁধনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অপরদিকে, কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা তদারকির ঘাটতিকে আরও স্পষ্ট করেছে। যদিও এলজিইডির সার্ভেয়ার উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, প্রাইমকোড দেওয়ার পর যানবাহন চলাচল বা বৃষ্টির কারণে তা উঠে গেলে পুনরায় দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুনরায় প্রাইম কোড দিয়ে পিচ করা উচিত ছিল। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ভোগান্তির পর পাওয়া এই সড়কটি যদি শুরুতেই অনিয়মের শিকার হয়, তবে তা সরকারের অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি জন-দুর্ভোগ আরও বাড়াবে। সচেতন মহল বলছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারি না হলে এই প্রকল্প দুর্নীতির আরেকটি দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়াবে। এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও উজ্জ্বল রায় কে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। (মূল রিপোর্ট : কালবেলা)

০৮ই জুন, ২০২৬
শাবির বাসের তিন ট্রিপ বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ 

শাবির বাসের তিন ট্রিপ বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ 

জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পরিবহন পুলের বাসের তিনটি ট্রিপ। এর মধ্যে রয়েছে বিকেল ৫টা ১০ মিনিট, রাত ৭টা ১০ মিনিট ও রাত ৮টার ট্রিপ। ট্রিপগুলো চালু না করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার (৭ জুন) বাসের রুট ও ট্রিপের নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে শাবিপ্রবির পরিবহন দপ্তর। সময়সূচিতে গত ১২ এপ্রিল দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তে বন্ধ রাখা তিনটি ট্রিপ চালু করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের পূর্বের সময়সূচি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, জ্বালানি সংকটে সরকারের নির্দেশনা দেওয়ার আগে শাবিপ্রবিতে দিনে মোট সাতটি ট্রিপের মাধ্যমে বাসগুলো ক্যাম্পাস থেকে সিলেট শহরের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছাত। এর মধ্যে ছিল সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট ও ৮টা ৫০ মিনিট, বেলা ১টা ১০ মিনিট, বিকেল ৪টা ১০ মিনিট ও ৫টা ১৫ মিনিট, রাত ৭টা ১০ মিনিট ও ৮টা। তবে গত এপ্রিল মাসে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর প্রেক্ষিতে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের পরের বাসের ট্রিপগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এদিকে নতুন সময়সূচিতে বন্ধ থাকা ট্রিপগুলো চালু না করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের কেউ কেউ বিকেল ৫টার পরের বাস নেই ‘কেন’ এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন প্রশাসনের উদ্দেশে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে মো. সাব্বির আহমেদ শিমুল নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাতে কি সব দায় সেরে ফেলবেন? এখনো কি এই সংকটের কোনো সুরাহা হয়নি? নাকি সব দায়ভার শুধু আমাদের মতো সাধারণ শিক্ষার্থীদেরই বইতে হবে? সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো বিকেল ৫টা ১০ এবং সন্ধ্যা ৭টা ১০-এর বাসগুলো এখনো বন্ধ। আপনারা কি মনে করেন শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কেবল সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত? ওই শিক্ষার্থী আরও লিখেছেন, ক্যাম্পাসের এতগুলো মুখ যাদের ভরসায় এখানে প্রতিদিন বাঁচে তাদের থেকে এমন বিমাতাসুলভ আচরণ আমরা প্রত্যাশা করি না। অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী যারা ক্যাম্পাসের বাইরে থাকে, তাদের কি ক্যাম্পাসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখার অধিকার নেই? নাকি আপনাদের নীতি এমন যে সূর্য ডুবলেই বাইরের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে? শিক্ষার্থীদের টিউশনি করা আপনারা পছন্দ করেন না, সেটা তো ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আ. ফ. ম. জাকারিয়া বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের প্রজ্ঞাপনের পর তৎকালীন উপাচার্য আমাদের ডেকে মিটিং করে বলেছিলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকা সময়সূচি মানতে। বিষয়টি নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি বলে বর্তমান উপাচার্য স্যার আমাকে জানিয়েছেন, ফলে বাসগুলো চালু করা হয়নি। ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে যদি নির্দেশনা আসে বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার বাইরে গিয়ে আমাদের বলা হয় ট্রিপ চালু করা যেতে পারে, তাহলে সেভাবে ব্যবস্থা নিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। (মূল রিপোর্ট : জাগো নিউজ)

০৮ই জুন, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : ওসমানী হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

হাম-উপসর্গ : ওসমানী হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু

সিলেটে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় হামে উপসর্গ নিয়ে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  গতকাল রবিবার মারা যাওয়া ১৭ মাস বয়েসি এ শিশুর বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায়। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হাম রোগে মারা গেছেন ৪ জন ও বাকিরা উপসর্গে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন ভর্তি হয়েছেন।  তাদের নিয়ে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৭০ জন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে ৩ জনের হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে।

০৮ই জুন, ২০২৬
রামিসার পরিবারে ‘সন্তুষ্টি’, ফাহিমার ঘরে এখনো কান্না : বিচার মিলবে কবে?

রামিসার পরিবারে ‘সন্তুষ্টি’, ফাহিমার ঘরে এখনো কান্না : বিচার মিলবে কবে?

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।  এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব রায় কার্যকর চাই।’ ঢাকার রামিসার মতো একইভাবে নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছে সিলেটের চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার। সে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। গত ৬ মে মায়ের কাছ থেকে ১০ টাকা নিয়ে বিস্কুট কিনতে গিয়েছিলো ফাহিমা। ওইসময় প্রতিবেশী মাদকাসক্ত পাষণ্ড চাচা তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করে। অভিযুক্ত যুববেকর নাম জাকির হোসেন। ঘটনার একদিন পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফাহিমার বাবা সিলেটের জালালাবাদ থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ বলছে- মামলার তদন্তকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকা থেকে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট আসার কথা রয়েছে। এ রিপোর্ট হাতে পেলেই আদালতে  প্রতিবেদন দাখিল করবে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই মো.  নুর উদ্দিন গতকাল সন্ধ্যায় সচিত্র সিলেটকে বলেন- ‘ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টের জন্য আমি গত সপ্তাহে ৪-৫ দিন ঢাকায় ছিলাম, যাতে দ্রুত রিপোর্টটি নিয়ে  আসা যায়। দু-একদিনের মধ্যে আবারও ঢাকা যাবো। আশা করছি- এক সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্ট পেয়ে যাবো হাতে। এটি পেয়ে গেলেই আমরা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবো। ইতোমধ্যে মামলার একটি শুনানি হয়েছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- ‘ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। এছাড়া তদন্তে আরও অনেক বিষয় উঠে আসছে। আইনি বাধ্য-বাধকতায় সব বলা যাচ্ছে না এখন।’ গ্রেফতারকৃত জাকির ছাড়াও এ ঘটনায় আরও অনেকে ফেঁসে যাবেন বলে পুলিশ সূত্র সচিত্র সিলেটকে জানায়। জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও এ মামলার বাদীপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী (সুহেল) সচিত্র সিলেটকে বলেন- পুলিশ সব প্রমাণাদি আদালতে পেশ করলেই আমরা চেষ্টা করবো যত দ্রুত সম্ভব বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করতে। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞ আদালতে আবেদন জানাবো আমরা। আশা করছি- রামিসার মতোই এ বিচারকার্যও দ্রুত শেষ হবে। ফাহিমার মৃত্যুশোক যেন শেষই হচ্ছে না পরিবারে : গত ৮ মে (শুক্রবার) বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুদিন আগে (৬ মে) সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলো। এরপর সোমবার (১১ মে) রাতে ফাহিমাকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাকারী তার প্রতিবেশী চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে। বর্ণনা করে ঘটনার লোমহর্ষকতা। সে জানায়- শিশু ফাহিমাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করেছে। এ সময় জাকিরের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। নির্যাতন সইতে না পেরে ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে যায়। অপরাধ ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে ফাহিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে জাকির। এরপর স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে কচি নিথর দেহটি ব্যাগে রাখে সে। পরে ওড়নাসহ ফাহিমার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের ডোবায় ফেলে দেয় জাকির। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে ফাহিমা ছিল চতুর্থ। তার বড় বোন ফাইজা বেগমের বয়স ১৪ বছর, ফারজানার বয়স ১০ বছর, ভাই রিহাদের বয়স ৯ বছর ও রিফাতের ১৩ মাস। আদরের মেয়েকে হারিয়ে তাদের বাবা রাইসুল হক ও মা রুবিনা বেগম হয়ে গেছেন স্তব্ধ। শোকে পাথর। বড় বোন ফাইজা বেগম জানান- আমার বোনটা অনেক আদরের ছিল। ওরে আমি গোসল করিয়েছি। নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিয়েছি। আমার সঙ্গে খেলা করেছে, আমার সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমিয়েছে। আমার এত মায়ার বোনটাকে কিভাবে মারলো এই পাষণ্ড। আমার বোনটাকে যেভাবে হত্যা করেছে এভাবে তারও মৃত্যু চাই। তার ফাঁসি চাই। আদরের মেয়ে ফাহিমাকে হারিয়ে আহাজারি করতে করতে এখন অনেকটা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন রুবিনা বেগম। তার শুধু একটাই কথা- ঘাতক জাকিরের ফাঁসি চাই।

০৮ই জুন, ২০২৬
সুনামগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় চা দোকানি নিহত

সুনামগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় চা দোকানি নিহত

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে সুনই গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক চা দোকানি নিহত হয়েছেন। রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সুনই গ্রামের কারিরবাজারে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নাসিম মিয়া (৩৮) সুনই গ্রামেন মঞ্জুরুল হকের ছেলে। তিনি কারিরবাজারে তার চায়ের দোকান ছিল। স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার সকালে নাসিম তার দোকানে যাচ্ছিলেন। এসময় একই গ্রামের অলি, ডালি, আনু, সফু, মোশারফের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন নাসিমের উপর হামলা করে। এসময় নাসিমের চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা চলে যায়। পরে নাসিমকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে মারা যান। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মু. আবু রায়হান সজিব বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাসিমের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে ধর্মপাশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।

০৭ই জুন, ২০২৬
সিলেটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের আধুনিকায়ন হচ্ছে

সিলেটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের আধুনিকায়ন হচ্ছে

বিদ্যুৎ খাতে পুরো সিলেটের জন্য সুসংবাদ বয়ে আনলেন গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের এমপি অ্যাড. এমরান আহমদ চৌধুরী। গতকাল রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)-এর দেওয়া এক জবাবে মিলে এ সুখবর। সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী গতকাল বিকালে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিদ্যুতমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন রেখে জানতে চান- ‘আমার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৬ (২৩৪) গোলাপগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জের প্রধান বাজারগুলোতে অগ্নিকাণ্ড রোধে ভূগর্ভস্থ (Underground) বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পাইলট প্রকল্প সরকার গ্রহণ করবে কিনা? জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান- ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অন্তর্ভুক্ত গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে ওভারহেড লাইন নির্মাণের তুলনায় ভূগর্ভস্থ লাইন নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৫ গুণ বেশি। তাই বর্তমানে সরাসরি ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বাপবিবো)  আওতায় অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ)-শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারসহ সকল উপজেলায় প্রযোজ্যতা অনুযায়ী বিদ্যমান বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’ এ জবাব থেকে জানা যায়- প্রযোজ্যতা অনুযায়ী সিলেট বিভাগের উপজেলাগুলোতে বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এদিকে, বিদ্যুৎ খাত ছাড়াও সিলেটে গ্যাসের সংকট বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন করেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী। বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের গ্যাস স্টেশনগুলোর সংকট নিয়ে জানতে চান তিনি।  মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)-এর কাছে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী জানতে চান- গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার গ্যাসসমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এই দুই উপজেলার সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকট প্রকট। এটি দূর করতে সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা? জবাবে মন্ত্রী বলেন- গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে স্বল্প জ্বালানি থাকার ফলে ২০১৫ সাল থেকে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ রয়েছে। একই কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে মাসিক অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশীয় গ্যাসের ক্রমহ্রাসমান উৎপাদন ও উচ্চমূল্যে আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে দেশের সামগ্রিক চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের বর্তমান ঘাটতি পূরণের পর সারাদেশে গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের সিএনজি স্টেশনগুলোর গ্যাস সংকটও দূর হবে।

০৭ই জুন, ২০২৬
রাতে ঘুমানোর আগে পানি পানে আছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

রাতে ঘুমানোর আগে পানি পানে আছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

প্রতিদিনের কাজ ও চলাফেরার জন্য পরিমাণমতো পানি পান প্রয়োজনীয়। অনেকের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পান শরীরে পানির ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। আবার কারও কারও জন্য এটি রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার কারণ হতে পারে। আসলে রাতে ঘুমানোর আগে পানি পান স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কি না, তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। উপকারিতা তো আছেই, গবেষকেরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমানোর আগে পানি পানে আছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। ঘুমানোর আগে পানি পানের উপকারিতা   শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও আর্দ্রতা রক্ষা: প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের ওজন এবং পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। রাতে ঘুমের মধ্যেও শ্বাসপ্রশ্বাস আর ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে পানি পান পানিশূন্যতা রোধ করে শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দ্রুত ঘুমাতে সহায়ক। মানসিক অবস্থার উন্নতি: পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস না থাকলে মানুষের মেজাজ বা মানসিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা সামগ্রিক ঘুম ও জাগরণের চক্র ব্যাহত করে। পানি পানের পরিমাণ বাড়ালে ইতিবাচক আবেগ, মানসিক সন্তুষ্টি এবং শান্ত ভাব বাড়ে। প্রাকৃতিক পরিচ্ছন্নতা ও বিষাক্ত পদার্থ বর্জন: ঘুমানোর আগে বিশেষ করে হালকা গরম বা কুসুম গরম পানি পান করলে তা শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে এবং পরিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও বিষাক্ত উপাদান বের করে দেয় এবং পেটব্যথা উপশমে সাহায্য করে। সাধারণ পানি পানে একঘেয়েমি লাগলে বা সর্দি-কাশির সমস্যা থাকলে পানিতে সামান্য লেবু মিশিয়ে নেওয়া যায়। এর ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা ও অসুস্থতায় স্বস্তি: সর্দি বা ফ্লুতে আক্রান্ত হলে এক গ্লাস গরম পানি পানের অভ্যাস শারীরিক অস্বস্তি কমিয়ে আরামদায়ক ঘুমে সাহায্য করে। এ ছাড়া যাঁদের নাক বন্ধ থাকে, তাঁরা নাক দিয়ে শ্বাস নিতে না পেরে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। এ কারণে শরীর থেকে বেশি পানি বের হয়ে যায়, যা পূরণে ঘুমানোর আগে পানি পান জরুরি। ক্ষতিকর দিক ও ঝুঁকি   সুস্থতার জন্য সারা দিন হাইড্রেটেড থাকা প্রয়োজন হলেও ঘুমানোর ঠিক আগমুহূর্তে পানি পানের কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে। সেগুলো হলো— রাতের ঘুম ব্যাহত হওয়া   স্বাভাবিক অবস্থায় রাতে ঘুমের সময় আমাদের শরীরে মূত্র উৎপাদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যায়। এর ফলে মানুষ টানা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমাতে পারে। কিন্তু ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পানে এই প্রাকৃতিক চক্র ব্যাহত হয় এবং রাতে প্রস্রাবের বেগে বারবার ঘুম ভেঙে যায়। রাতে একাধিকবার প্রস্রাবের জন্য জেগে ওঠার এই সমস্যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘নকটুরিয়া’ বলা হয়। এর কারণে নিয়মিত ঘুম ভাঙলে কর্মক্ষমতা হ্রাস, পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটা এবং মানসিক অবসাদের ঝুঁকি বাড়ে। হৃদ্রোগের ঝুঁকি   ঘুমানোর আগে পানি পানের কারণে বারবার ঘুম ভেঙে গেলে তা দীর্ঘ মেয়াদে ঘুমের ঘাটতি তৈরি করতে পারে। রাতে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি এবং স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। বয়স ও শারীরিক জটিলতা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মূত্রাশয় বা ব্লাডার অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা দেয়; বিশেষ করে যাঁরা ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ কিংবা প্রোস্টেটের সমস্যায় ভুগছেন। যাঁরা মূত্রবর্ধকজাতীয় ওষুধ খান, ঘুমানোর আগে পানি পান করলে তাঁদের নকটুরিয়ার সমস্যা আরও প্রকট হয়। এ ছাড়া স্মৃতিভ্রংশ বা স্ট্রোকের মতো জটিলতায় আক্রান্ত রোগীদের মস্তিষ্ক ব্লাডারের সংকেত সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না। ফলে রাতের বেলা সমস্যা আরও বাড়ে। রাতে ভালো ঘুমের জন্য করণীয় ও সতর্কতা   রাতে বারবার জেগে ওঠা প্রতিরোধ করতে ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে থেকে পানি বা অন্য যেকোনো তরল পান করা থেকে বিরত থাকুন। রাতে অতিরিক্ত পানি পানের প্রয়োজন যেন না হয়, সে জন্য সারা দিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি রাখুন এবং প্রতি বেলা খাবারের সঙ্গে পানি পানের অভ্যাস করুন। রাতের বেলা অতিরিক্ত লবণাক্ত, মিষ্টি কিংবা অতিরিক্ত ঝালযুক্ত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। এতে ঘুমানোর আগে তীব্র তৃষ্ণা পাবে না। এ ছাড়া সন্ধ্যার পর অ্যালকোহল, চা বা কফি এবং চিনিযুক্ত পানীয় পান বাদ দিন। আপনার শরীরে পানির ঘাটতি আছে কি না, তা বোঝার উপায় হলো প্রস্রাবের রং লক্ষ্য করা। রং হালকা হলুদ বা পরিষ্কার হলে শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক আছে। কিন্তু গাঢ় হলুদ হলে বুঝতে হবে, শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই একবার প্রস্রাব করে বিছানায় যাওয়ার অভ্যাস করুন। যদি সন্ধ্যায় তরল পানের পরিমাণ কমানোর পরেও রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ হয়, তবে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ, এটি স্লিপ অ্যাপনিয়াসহ অন্য কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

ভারতে বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শুরু হয়েছে তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। রোববার (০৭ জুন) মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগর জেলার এমআইডিসি ওয়ালুজ এলাকায় নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন অভিজিৎ। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুর। দীপকে দাবি করেন, নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল হয়েছে। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন থেকে এক পা-ও পিছিয়ে যাব না।’ তিনি আরও জানান, আন্দোলনকে এখন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির ব্যানারে শত শত বিক্ষোভকারী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানান দীপকে। পরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্ররা জানান, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণ অথবা তার স্বেচ্ছা পদত্যাগের জন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেবেন। এর মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করা হবে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই

রাজধানীর মতিঝিলে লোকমান (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। তার হাতে ও পায়ে ৩টি গুলি লেগেছে। তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। রোববার (০৭ জুন) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বরে জনতা ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার। তিনি জানান, ওই ব্যক্তি মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসায়ী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে যায়। ওই ব্যাগে ১৭ লাখ টাকা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে ওই ব্যবসায়ীকে পথচারীরা উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, ওই ব্যবসায়ীর হাতের কুনুইর নিচে একটি এবং পায়ে হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লেগেছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হামের উপসর্গে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৬ জনের। রোববার (০৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামসংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত হামে আক্রান্তের তথ্য জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় দুজন ও সিলেটে একজন মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫২৯ জন। নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। এ নিয়ে মোট ৬২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকায় চার, চট্টগ্রামে এক, ময়মনসিংহে এক ও খুলনায় একজন মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ জন। এর মধ্যে ৬৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে আর ১ হাজার ২২১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৬৮৬ জনের। একই সময় হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৭৯ হাজার ১২। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
সরকার জ্ঞান-মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চায়: প্রধানমন্ত্রী

সরকার জ্ঞান-মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়। সমাজ পরিবর্তনের অগ্রদূত ও রোল মডেল হিসেবে শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। রোববার ( ০৭ জুন ) সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষকদের সমাজ পরিবর্তনের অগ্রদূত ও রোল মডেল হিসেবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ছাত্র ও যুবশক্তিকে প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল হবে।’ জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গঠনে তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে। বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় আরেকটি ভাষা শিখতে পারলে দেশ-বিদেশে কোথাও চাকরির অভাব হবে না। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই।’ একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ অর্জন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যেসব সাহসী মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে আমাদের শিক্ষাদীক্ষায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হবে।' উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে ২ হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’ আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
আবারও কমল জেট ফুয়েলের দাম

আবারও কমল জেট ফুয়েলের দাম

উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে আবারও কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা কমিয়ে ১৫০ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) বিইআরসির জারি করা এক আদেশে এ দাম নির্ধারণ করা হয়। এর আগে গত ২৩ মে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ৩৯ টাকা ৫৭ পয়সা কমিয়ে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা করা হয়েছিল। নতুন আদেশ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী এয়ারলাইনসগুলোর জন্য জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১ দশমিক ০৮২৩ ডলার থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৯৮০৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর গত ৭ এপ্রিল দেশীয় রুটে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ২২৭ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। সেই হিসাবে গত দুই মাসে জেট ফুয়েলের দাম মোট ৫৭ টাকা কমেছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের নিম্নমুখী প্রবণতার প্রভাবেই দেশে জেট ফুয়েলের মূল্য ধারাবাহিকভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক

সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক

দেশের প্রায় সব উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও সাংবাদিকতার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। অথচ অনেকেরই সাংবাদিকতা বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই; কেউ রিপোর্টারও নন, এমনকি মেট্রিক পাসও না। ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যা খুশি তাই প্রচার করা হচ্ছে। কারা এসব সাংবাদিকতার কার্ড দিচ্ছে, এদের লেখাপড়া কতটুকু এবং কারা সেই পরিচয় ব্যবহার করছে—এসব বিষয় তদন্ত করা দরকার বলে দাবি জানিয়েছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। আরো পড়ুন রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব কথা বলেন।  সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘এ বিষয়গুলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় এনে কার্যকর কোনো নীতিমালা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি না, তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ তার প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সংসদে বলেন, ‘আমরা মিসইনফরমেশন (ভুল তথ্য) ও ডিসইনফরমেশন (অপতথ্য) নিয়ে কাজ করছি। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নয়, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন। প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম পুরো বিষয়টি মনিটর করছে এবং যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা যায় কি না, সে বিষয়ে কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই এই মনিটরিং টিমের পরিধি ও বিস্তারিত কার্যক্রম সবার সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
সিলেটে ৬ দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা আন্দোলনে

সিলেটে ৬ দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা আন্দোলনে

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে টানা আন্দোলনের অংশ হিসেবে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রোববার (৭ জুন) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ কর্মবিরতি সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় বলে জানিয়েছে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবিটি হলো, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক গত ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা, ইন্টার্ন ডাক্তারদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা। এছাড়া, বিএমডিসি-২০২৩ অধ্যাদেশের খসড়া আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি চলাকালীন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ আজ চরম বৈষম্য, অবহেলা আর নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত চলমান এই ছাত্র ধর্মঘট ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল তাইবার

হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল তাইবার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পিতার পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাইবা আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) সকালে উপজেলার দিয়াগাঁও গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই শিশু তাইবা আক্তার (৭)। সে ওই গ্রামের রুবেল মিয়ার মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশেই বাবার পোল্ট্রি খামারে যায় তাইবা। এ সময় খামারের ভেতরে ঝুলে থাকা একটি বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে সে গুরুতর আহত হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
প্রচার শুরু হচ্ছে প্রত্যয় খান অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক

প্রচার শুরু হচ্ছে প্রত্যয় খান অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক

প্রত্যয় খান একাধারে কণ্ঠশিল্পী, সুরকার ও সংগীত আয়োজক। ছোটবেলায় পার্থ সরকারের পরিচালনায় একটি নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। গানের মানুষ বলেই আর কোনো নাটকে অভিনয় করা হয়নি তাঁর। সম্প্রতি প্রথমবারের মতো একটি ধারাবাহিক নাটকের মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রত্যয়। সম্রাট জাহাঙ্গীরের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত ধারাবাহিকটির নাম ‘এই শহর এই পরিবার’। আজ থেকে এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হচ্ছে ধারাবাহিকটির। প্রচারিত হবে প্রতি রবি ও সোমবার রাত ৮টায়। এই শহর এই পরিবার ধারাবাহিকে প্রত্যয় অভিনয় করেছেন অপু নামের চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন তানিয়া বৃষ্টি ও জারা নূর। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবেরী আলম, শামীমা নাজনীন, মাসুম বাশার, আব্দুল্লাহ রানা, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, আহমেদ শিবলু, শাওন মজুমদারসহ অনেকে। নির্মাতা সম্রাট জাহাঙ্গীর বলেন, ‘শহুরে ব্যস্ত জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসার বন্ধন, ত্যাগ ও পারিবারিক দায়িত্ববোধের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ধারাবাহিকটি। পরিবারই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা, ভরসার জায়গা। সেই মূল্যবোধই প্রতিফলিত হবে এই ধারাবাহিকে।’ প্রথমবার কোনো ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে উচ্ছ্বসিত প্রত্যয়। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় পার্থ সরকারের পরিচালনায় একটি নাটকে অভিনয় করেছিলাম। পরিণত বয়সে এটাই আমার প্রথম অভিনীত নাটক। আমি গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছি। নাটকটিতে অভিনয় করে ভীষণ ভালো লেগেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি এই ধারাবাহিকের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর অর্থাৎ পুরো নাটকের অডিও প্রোডাকশনটা আমার করা। তাই এই ধারাবাহিকের সঙ্গে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নাটকটির গল্প এককথায় অসাধারণ। আমার প্রত্যাশা, নাটকটি দর্শকেরা আগ্রহ নিয়ে উপভোগ করবেন।’ প্রত্যয় জানান, শফিক তুহিনের লেখা ‘এই শহর এই পরিবার’ শিরোনামে ধারাবাহিকটির টাইটেল গানে সুর করার পাশাপাশি কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। দ্বৈতকণ্ঠের গানটিতে তাঁর সঙ্গে গেয়েছেন কোনাল। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
‘পেড্ডি’ সিনেমায় জাহ্নবী অভিনীত চরিত্র নিয়ে বিতর্ক: ক্ষমা চাইলেন নির্মাতা

‘পেড্ডি’ সিনেমায় জাহ্নবী অভিনীত চরিত্র নিয়ে বিতর্ক: ক্ষমা চাইলেন নির্মাতা

বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে তেলুগু সিনেমা ‘পেড্ডি’। মুক্তির প্রথম দুই দিনেই বিশ্বব্যাপী ১৮০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে রামচরণ ও জাহ্নবী কাপুর অভিনীত সিনেমাটি। তবে সমালোচনাও পিছু ছাড়ছে না। উঠেছে নারীদের প্রতি অবমাননা ও অশ্লীলতার অভিযোগ। দর্শকের একাংশের মতে, জাহ্নবীকে বেশ কিছু দৃশ্যে দেখে অস্বস্তিতে পড়েছেন তাঁরা। সমালোচনার জেরে ক্ষমা চেয়েছেন পরিচালক বুচি বাবু সোনা। মুক্তির আগেই সিনেমার গান ‘হাল্লাল্লাল্লো’ প্রকাশের পর অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল। সিনেমা মুক্তির পর সেই অভিযোগ আরও ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। দর্শকের অভিযোগ জাহ্নবী অভিনীত আচিয়াম্মা চরিত্রটি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নারীর ব্যক্তিত্বের চেয়ে বাহ্যিক আকর্ষণকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। কিছু দৃশ্যে অহেতুক যৌনভঙ্গিমা প্রদর্শিত হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সমালোচনা হচ্ছে ক্যামেরার ব্যবহার নিয়েও। অনেকের অভিযোগ জাহ্নবীর শরীরের অতিরিক্ত শট ও ক্লোজআপ মিলিয়ে অভিনেত্রীকে যেন পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন নির্মাতা। দর্শকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মুক্তির দিনই নিজের সিনেমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান জাহ্নবী। ইনস্টাগ্রামে এক গ্রুপে পোস্ট করে লেখা হয়, ‘পেড্ডি সিনেমাটি একজন অভিনেত্রীর প্রতি সবচেয়ে ব্যয়বহুল অপমান।’ সেই পোস্টে সহমত পোষণ করেন জাহ্নবী। এরপর গতকাল শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা চেয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে নির্মাতা জানান, প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত সিনেমায় পরিবর্তন আনা হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, সিনেমার কাজ দর্শকদের বিনোদন দেওয়া, অনুপ্রাণিত করা এবং তাঁদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা। কাউকে অস্বস্তিতে ফেলা বা অসম্মানিত করা নয়। পেড্ডির কিছু দৃশ্য নিয়ে নানাজনের মতামত আমরা শুনেছি এবং বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। পর্দায় এবং পর্দার বাইরে, উভয় ক্ষেত্রেই নারীদের প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং কোনো নারী চরিত্রকে পণ্য হিসেবে দেখানো বা অসম্মান করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না।’ আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা সবার অনুভূতিকে সম্মান করি, উত্থাপিত উদ্বেগগুলো বুঝতে পারছি এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আমরা সংশ্লিষ্ট অংশগুলোতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
কাইয়ুম চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত

কাইয়ুম চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত

রবিবার (৭ জুন) অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। রাজধানীর কোনো পাঁচতারকা হোটেলের পরিবর্তে এবার মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে চলছে বোর্ড নির্বাচন।  সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোট শেষে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। ২৩ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সিলেট বিভাগ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও মঈন উদ্দিন (চট্টগ্রাম), মীর শাকরুল আলম সীমান্ত ও মির্জা ফয়সল আমীন (রাজশাহী), এবং সাইদ বিন জামান ও এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ (ঢাকা)। অন্যদিকে, বাকি ১৫টি পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ক্লাব ক্যাটাগরির ১২টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে রয়েছেন তামিম ইকবালসহ দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠক ও প্রশাসক। সিলেটের ক্রীড়া অঙ্গনের জন্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় ক্রিকেট প্রশাসনে সিলেট বিভাগের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে মেসি-স্কালোনির কী গোপন কথা হয়েছিল

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে মেসি-স্কালোনির কী গোপন কথা হয়েছিল

লিওনেল মেসির ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে খেলা এক রকম নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু বয়স ও ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় জেগেছিল আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে। খেলবেন কি খেলবেন না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল অনেক বেশি। প্রাণভোমরা মেসিকে নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন স্কালোনি। কিন্তু মেসির এক বার্তাই আশ্বস্ত করেছিল আর্জেন্টাইন কোচকে। মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ঠাসা সূচির কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন মেসি। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে নিয়মিত ম্যাচ খেলায় আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের পায়ের ওপর চাপ পড়ছিল বেশি। এদিকে তাঁর বয়সও ৩৯ ছুঁইছুঁই। যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দেওয়ার আগে মেসিকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন স্কালোনি। কিন্তু মার্কিন মুলুকে পৌঁছানোর আগে একটি কথাই পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল স্কালোনিকে। যে বার্তা পুরোপুরি গোপন রাখা হয়েছিল, আর্জেন্টিনার স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যম সেটা প্রকাশ করেছে কদিন আগে। মেসি বলেছিলেন, ‘লিওনেল চিন্তা করবেন না। আমি বিশ্বকাপে যাচ্ছি।’ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের ক্যাম্প করা হয়েছে কানসাস সিটিতে। তার আগে ২৮ মে মধ্যরাতে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেন স্কালোনি। ৩১ মে স্কালোনি সদলবলে পৌঁছান কানসাস সিটিতে। মার্কিন মুলুকে উড়াল দেওয়ার আগে ফুটবলার ও কোচের মধ্যে এক বৈঠকে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়। মেসিই নিজে উদ্যোগ নিয়ে ফোন করেছিলেন এবং কোচ স্কালোনিকে সম্পূর্ণ আশ্বস্ত করেছিলেন। বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন এক সপ্তাহও বাকি নেই, সেই মুহূর্তে ধাক্কা খেল আর্জেন্টিনা। চোটে পড়ে ডিফেন্ডার লিওনার্দো বালের্দির বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গিয়েছে। আরও কয়েকজন ফুটবলারের চোটের সমস্যা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আজ হন্ডুরাসের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে স্কালোনি জানিয়েছেন, অনেক ফুটবলারই শতভাগ ফিট নন। বিশ্বকাপের আগে জুনের আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচ রয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ১০ জুন নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কালোনির দল খেলবে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে। আর্জেন্টিনা-আইসল্যান্ড ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে হবে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনা নামবে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে। ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বকাপ ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে। ২২ ও ২৮ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
বুবলী এত দিন কোথায় ছিলেন, সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে কোথায়

বুবলী এত দিন কোথায় ছিলেন, সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে কোথায়

চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী মা হয়েছেন। গত শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি জানান, গত ১১ মে তাঁর কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান। খবরটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান বুবলীর ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। অভিনন্দনের পাশাপাশি নতুন করে সামনে আসে আরেকটি প্রশ্ন, কয়েক মাস ধরে আলোচনার বাইরে থাকা বুবলী এত দিন কোথায় ছিলেন? প্রথম সন্তান শেহজাদ খানের মতো এবারের সন্তানের জন্মও কি যুক্তরাষ্ট্রে, নাকি বাংলাদেশে? বিনোদন অঙ্গনে কয়েক মাস ধরে বুবলীকে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। কয়েক মাস ধরে তাঁকে আগের মতো জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছিল না। সিনেমা মুক্তি পেলেও প্রিমিয়ার, এমনকি সংবাদ সম্মেলন কিংবা প্রচারণা অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ছিল সীমিত। বছরের শুরুতে তিনি একেবারে আড়ালে চলে যান। ফলে ভক্তদের কৌতূহল বাড়তে থাকে। গত বছরের অক্টোবরে জানতে পারে, বুবলী মা হতে যাচ্ছেন। তখন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে তখন কোনো মন্তব্য করেননি। পরবর্তী সময়েও মাতৃত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি; বরং বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বলে এড়িয়ে গেছেন। এরই মধ্যে সামাজিকমাধ্যমে শবনম বুবলীর কিছু ছবি ও ভিডিও নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অনেকের নজরে আসে তাঁর শারীরিক পরিবর্তন। ভক্তদের একটা অংশ তখন কানাঘুষা করতে শুরু করে, বুবলী হয়তো আবার মা হতে চলেছেন। তবে এসব জল্পনা-কল্পনার কোনোটির উত্তর দেননি তিনি। বছরের শুরুতে হঠাৎই শবনম বুবলীকে প্রকাশ্যে কম দেখা যেতে থাকে। যাঁদের সঙ্গে কাজ চলছিল, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি। তখন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকের আলোচনা, সন্তান জন্ম দিতে বুবলী হয়তো যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। কারণ, এর আগেও বুবলী সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। বুবলীর ঘনিষ্ঠজনদের কয়েকজন জানিয়েছেন, এবারও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়ন হয়নি। পরিচিতজনদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনসংক্রান্ত কড়াকড়ির কারণে শেষ মুহূর্তে বুবলীর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া সম্ভব হয়নি। যদিও এ বিষয়ে বুবলী নিজে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে পুরো সময়টাতে ঢাকায় ছিলেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাতৃত্বকালীন পুরো সময়ে ঢাকাতেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন বুবলী। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন। নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় খুব সীমিত পরিসরে চলাফেরা করেছেন। এমনকি হাসপাতালেও যাতায়াত করতেন আড়াল বজায় রেখে। মা হওয়ার কয়েক মাস আগপর্যন্তও শুটিং এবং বিভিন্ন পণ্য প্রতিষ্ঠানের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন শবনম বুবলী। একাধিক সিনেমার শুটিং করেছেন। পরিচালক রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’ ছবির শুটিংও করেছেন ওই সময়। গত পবিত্র ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি পায়। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পেলেও প্রচারণায় দেখা যায়নি তাঁকে। বিষয়টি তখন অনেকের নজরে আসে। কারণ, নিজের সিনেমা মুক্তি পেলে সাধারণত হলভিজিট, মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলা কিংবা গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ায় বেশ সরব থাকেন বুবলী। এবার তাঁর অনুপস্থিতি রহস্য বাড়িয়ে দেয়। বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই তখন ধারণা করেছিলেন, শবনম বুবলী হয়তো দেশের বাইরে আছেন। পরিচালকও বলেছিলেন, বুবলী অসুস্থ তাই এখন তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না। আবার কেউ কেউ মাতৃত্বের বিষয়টিকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন। তবে বুবলী কিংবা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। কন্যাসন্তান জন্মের খবরটি ফেসবুক পোস্টে জানানোর পর সন্তানের জন্ম কোথায় হয়েছে, সেটি নিয়েও নানা আলোচনা ছিল। বুবলীর কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন প্রথমে ঢাকার গুলশান ও পান্থপথ এলাকার দুটি হাসপাতালের নাম জানান। পরে একাধিক ঘনিষ্ঠজন নিশ্চিত করেছেন, ওই দুটি হাসপাতালের কোনোটিতে নয়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালেই বুবলীর কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। যদিও হাসপাতালের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি সংশ্লিষ্টরা। এদিকে হাসপাতালের একাধিক সূত্রও প্রথম আলোকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শুক্রবার কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবর জানিয়ে ফেসবুক পোস্টে বুবলী লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।’ পোস্টের সঙ্গে একটি ফটোকার্ডও প্রকাশ করেন শবনম বুবলী। সেখানে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মে জন্ম হয়েছে তাঁর কন্যাসন্তানের। নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান। পোস্টে অভিনেতা শাকিব খানকেও ট্যাগ করেন বুবলী। খবরটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই হাজার হাজার প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য জমা হয় পোস্টটিতে। সহশিল্পী, পরিচালক, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবজাতকের জন্য শুভকামনা জানান। এদিকে মাতৃত্বের কারণে পিছিয়ে যাওয়া কাজগুলোও ধীরে ধীরে গুছিয়ে নিচ্ছেন বুবলী। তাঁর সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন পরিচালক জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছেন। শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে দুই-এক মাসের মধ্যেই আবারও শুটিংয়ে ফিরতে পারেন। ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে শাকিব খান-শবনম বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয়। দুই বছর পর ২০২২ সালে সন্তান জন্মের খবরটি একসঙ্গে প্রকাশ্যে আনেন এই দুই তারকা। তবে এবার এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই কন্যাসন্তান জন্মের খবরটি প্রকাশ্যে আনলেন বুবলী। দীর্ঘ কয়েক মাসের নীরবতা, আড়ালে থাকা এবং নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজের জীবনের নতুন অধ্যায়ের খবর নিজেই জানালেন শবনম বুবলী। মাতৃত্বের এই ব্যক্তিগত সময়টুকু যে তিনি আলোচনার বাইরে, নিজের মতো করেই কাটাতে চেয়েছিলেন, সেটিও পরিষ্কার হয়ে উঠেছে তাঁর এই সময়ের কর্মকাণ্ডে। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি হতে যাচ্ছে সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সংসদে উপস্থাপন করতে পারেন বলে জানা গেছে। এর আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ৩০ এপ্রিল সমাপ্ত হয়। ওই অধিবেশনে ২৫ কার্যদিবসে মোট ৯৪টি বিল পাস করা হয়।   আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
বিশ্বনাথে বারান্দায় ঝুলছিলো হাফেজা তরুণীর লাশ

বিশ্বনাথে বারান্দায় ঝুলছিলো হাফেজা তরুণীর লাশ

সিলেটের বিশ্বনাথে শিমা বেগম (২৪) নামের কুরআনের হাফেজা এক  তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।  শিমা উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাতের পরিবারের সবাই খাবার শেষে নিজ নিজ কক্ষে গিয়ে শুয়ে পড়েন। মধ্যরাত থেকে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর কোনো এক সময় পরিবারের সবার অগোচরে কুরআনের হাফেজা শিমা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নিজ বসতঘরের বারান্দার লিন্টারের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। সকালে পরিবারের লোকজন তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।  বিশ্বনাথ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সচিত্র সিলেটকে বলেন- প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যা বলে ধারনা করা হচ্ছে। মেয়েটি কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিলো বলে পরিবারের লোকজন বলছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

০৭ই জুন, ২০২৬
বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা, ৬০ ঘণ্টা ধরে জিরো লাইনে ১০ জন

বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা, ৬০ ঘণ্টা ধরে জিরো লাইনে ১০ জন

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টায় আটকে পড়া ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু ৬০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিরো লাইনে অবস্থান করছে। এদিকে রোববার দুপুর ১২টার দিকে আবারও ভারতের অংশের শূন্যরেখা থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি কড়া অবস্থান নেয়। এর আগে শুক্রবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর পর থেকে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ তাদের অবৈধ পুশ ইন হিসেবে গ্রহণ করছে না, আবার ভারতও নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিচ্ছে না। ফলে তিন দিনের বেশি সময় ধরে তারা জিরো লাইনেই মানবেতর জীবন যাপন করছে। আজ দুপুরে আবারও তাদের বাংলাদেশ অংশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় বিজিবি সতর্ক অবস্থান নেয় এবং সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়। নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বড়বাড়ি ক্যাম্পের বিপরীতে বিএসএফ ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়। বর্তমানে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ভারতীয় ভূখণ্ডেই অবস্থান করছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ ইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’   আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
ভারতে ৫ মাস কারাভোগের পর বাংলাদেশে ফিরছেন ৯১ জেলে

ভারতে ৫ মাস কারাভোগের পর বাংলাদেশে ফিরছেন ৯১ জেলে

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাসের বন্দিদশা শেষে নিজ দেশে ও পরিবারের কাছে ফিরছেন ৯১ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। শনিবার ভারতের ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে চারটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ৯১ জেলেকে নিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমানার উদ্দেশে রওনা দেয় ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড। সেখানে দুই দেশের নৌ ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে বাংলাদেশের চারটি ট্রলার ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে। এ সময় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী ট্রলারসহ ৯১ জন মৎস্যজীবীকে আটক করে এবং তাদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তী সময়ে আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের নির্দেশে তাঁরা চার মাসের বেশি সময় ভারতীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। সব ধরনের আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে স্বদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেন বাংলাদেশি জেলেরা। এ সময় বন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটির কর্মকর্তারা এবং ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। আটক ৯১ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলায়। দীর্ঘদিন পর তাঁদের দেশে ফেরার খবরে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।   আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
বাংলাদেশকে ২৮৬০ জনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অনুরোধ ভারতের, ফেরতের প্রস্তুতি

বাংলাদেশকে ২৮৬০ জনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের অনুরোধ ভারতের, ফেরতের প্রস্তুতি

ভারত সরকার বাংলাদেশের কাছে ২ হাজার ৮৬০ জনের নাগরিকত্ব যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছে। নয়াদিল্লির দাবি, তাঁরা ‘বাংলাদেশের নাগরিক’ এবং বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। নাগরিকত্ব নিশ্চিত হলে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শত শত কথিত ‘বাংলাদেশি অভিবাসী’ যাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ২ হাজার ৮৬০ জনের বেশি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা মনে করি, তারা বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো জবাব পাইনি।' রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘ভারতে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিক, যদি তাঁরা অবৈধভাবে এখানে থাকেন, বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তিরাও এর অন্তর্ভুক্ত, তাঁদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের আইন রয়েছে এবং সেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি জানান, অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কারের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ভারত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য বাংলাদেশের কাছে পাঠায়। বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাই করার পর বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এ ধরনের বহু অনুরোধ এখনো বাংলাদেশের পক্ষের কাছে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করি এবং প্রত্যাশা করি, এগুলো দ্রুত সম্পন্ন হবে, যাতে ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের বহিষ্কার কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।’ ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে আসছেন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছে। এর আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করা, বিভিন্ন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে প্রায় ৪০০ অনথিভুক্ত বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে পরিচালিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) কার্যক্রমও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর ফলে অনেকেই সীমান্ত এলাকায় চলে আসছেন। চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকার সঙ্গে অবৈধ অভিবাসন ইস্যু উত্থাপন করে। তখন ভারত আশা প্রকাশ করেছিল, বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করবে, যাতে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি আলোচনায় আসে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার এক দিন পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে উদ্ধৃত করে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বলা হয়, সীমান্তবর্তী রাজ্যটিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যদি ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক মানুষ ঠেলে পাঠানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টি দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে নিয়মিত আলোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকও রয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম, সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কমানো এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশ সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাসহ (কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান) বিভিন্ন ব্যবস্থা চালু করেছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অবৈধ যাতায়াত ঠেকাতে দুই দেশ যৌথভাবে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজেও সহযোগিতা করছে।   আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
সীমান্তে পুশ ইন ইস্যু আলোচনা হবে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে পুশ ইন ইস্যু আলোচনা হবে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকে বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ পুশ ইনসহ সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং বিশেষ করে অবৈধ পুশ ইনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে। তিনি জানান, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিতভাবে একবার বাংলাদেশে এবং পরেরবার ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। এবার বৈঠকের আয়োজন ভারতেই হচ্ছে। কারণ, এটি তাদের পালা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছি এবং আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার সব ধরনের অবৈধ পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। তবে এসব সমস্যা প্রাথমিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ চলমান রয়েছে এবং আসন্ন বৈঠকেও এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের পর এবং পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসার পর এটিই হবে এ ধরনের প্রথম বৈঠক। পশ্চিমবঙ্গে নতুন ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকারের চলমান ‘ডিটেক্ট, ডিলেট অ্যান্ড ডিপোর্ট বা শনাক্ত, মুছে ফেলা এবং বহিষ্কার’ অভিযান মূলত নথিপত্রবিহীন তথাকথিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। এই নিয়ে যখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত ঠিক তখনই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালকেরা বৈঠকে বসবেন। মূলত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কারণে তা স্থগিত করা হয়। বিএসএফ বৈঠকে সীমান্তপারের অপরাধ, বাংলাদেশভিত্তিক ‘দুর্বৃত্তদের’ হাতে বিএসএফ সদস্য ও ভারতীয় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, সীমান্ত বেড়া নির্মাণ এবং বাংলাদেশে সক্রিয় ভারতীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়গুলো উত্থাপন করতে পারে। প্রসঙ্গত, সীমান্ত সুরক্ষা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বছরে দুবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। একবার ভারতে এবং পরেরবার বাংলাদেশে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার স্থল ও নদীসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। আপলোড: শিউলি

০৭ই জুন, ২০২৬
গোলাপগঞ্জে দুই লা শ

গোলাপগঞ্জে দুই লা শ

সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় কাদির আহমদ (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।  শনিবার (৬ জুন) বিকালে উপজেলার ভাদেশ্বরের কানিশাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাদির আহমদ উপজেলার শরীফ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মোকামবাড়ির মৃত পুতুল মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানিশাইল এলাকায় একটি সিএনজি অটোরিকশা দুর্ঘটনার কবলে পড়লে কাদির আহমদ গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে, গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের শেখপুর গ্রাম থেকে আমান উদ্দিন সেলিম (৪৪) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আমান উদ্দিন সেলিম ওই গ্রামের মৃত মুছাব্বিরের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) দুপুরে নিজ বাড়ির আঙিনায় একটি আমগাছে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুটি মৃত্যুর বিষযে সচিত্র সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম।

০৭ই জুন, ২০২৬
রামিসা হত্যা : স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

রামিসা হত্যা : স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।  এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে। গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়। গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৭ই জুন, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৩০০ জন

হাম-উপসর্গ : সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৩০০ জন

সিলেটে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় হাম বা এ রোগের উপসর্গে কেউ মারা যাননি। তবে এই সময়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০ জন ভর্তি হয়েছেন।  এই ৮০ জনকে নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৯৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়- গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে কারো হাম রোগ শনাক্ত হয়নি। এদিকে, গতকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হাম রোগে মারা গেছেন ৪ জন ও বাকিরা উপসর্গে।  

০৭ই জুন, ২০২৬
সিলেট সীমান্তে বিজিবি’র যে তৎপরতা

সিলেট সীমান্তে বিজিবি’র যে তৎপরতা

ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ও সীমান্ত অপরাধ রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৪৮ ব্যাটালিয়ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। জানা গেছে, ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সিলেট সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে ৪৮ বিজিবি। জনসচেতনতামূলক প্রচারণার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় টহল তৎপরতা বৃদ্ধি, চিহ্নিত রুটসমূহে স্ট্যান্ডবাই ডিউটি, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, মাইকিং, গণসংযোগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পুশ-ইন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ৪৮ বিজিবি’ন মিডিয়া সেল।  বিজিবি আরও জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত বিজিবিকে তথ্য প্রদানের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় বিজিবির এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে বিজিবি’ দাবি।

০৭ই জুন, ২০২৬
গোয়াইনঘাটে তরুণীকে উত্যক্ত করায় যুবক খুন

গোয়াইনঘাটে তরুণীকে উত্যক্ত করায় যুবক খুন

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে প্রতিবেশীর মেয়েকে উত্যক্ত করায় এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম চৈতন্য গোয়ালা। তার বয়স আনুমানিক ৪৩ বছর। তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে বসবাস করেন এবং ওইখানে কাজ করেন। আটককৃত ব্যক্তি সুমন প্রধান (৪২)। তিনিও গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে বসবাস করেন এবং ওইখানে কাজ করেন। তারা দুজনেই প্রতিবেশী বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান গোয়াইনঘাট উপজেলার চাওড়াতল চা বাগানে প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করেন এবং তারা বাগানে চা শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সুমন প্রধানের মেয়েকে চৈতন্য গোয়ালা নামের প্রতিবেশী উত্যক্ত করেন। এই ঘটনার জের ধরে দুইজনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমনের ঘুষিতে প্রাণ হারাণ চৈতন্য। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং সুমনকে আটক করে।সংবাদ সাবস্ক্রিপশন গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘চাওড়াতল চা বাগানে একটি মেয়েকে উত্যক্তের জের ধরে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একজনকে আটক করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ (মূল রিপোর্ট : সিলেটভিউ)

০৭ই জুন, ২০২৬
সিলেটে ৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান

সিলেটে ৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান

সিলেটে মাত্র চার ঘণ্টার বিশেষ চিরুনি অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) ১২৭ জনকে আটক ও গ্রেফতার করেছে।  মহানগর এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর নির্দেশে শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করে মেট্রোপলিটন পুলিশ। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. মঞ্জুরুল আলম এসব তথ্য জানিয়ে বলেন- থানাভিত্তিক আটক গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কোতোয়ালি থানাধীন এলাকায় ৩০, জালালাবাদ থানাধীন এলাকায় ২৫, এয়ারপোর্ট থানাধীন এলাকায় ২০, দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় ১৫, মোগলাবাজার থানাধীন ৬ ও শাহপরাণ থানাধীন এলাকা থেকে ৩১ জন। 

০৭ই জুন, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়িতে ডাক বিভাগের ‘উপহার’

প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়িতে ডাক বিভাগের ‘উপহার’

মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের সম্মানিত শ্বশুর। সিলেটের এক কিংবদন্তি। মেয়ে ডা. জোবাইদা রহমান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম এলাকায় বিশাল জায়গা নিয়ে তাঁদের বাড়ি। এ বাড়ির একটি অংশে ৪২ বছর আগে ১৬ শতক জমি ডাক বিভাগকে দান করে দিয়েছেলেন স্বত্বাধিকারীরা। স্থাপনও করা হয়েছিলো শাখা ডাকঘর। সেবা পেতেন গ্রাহকরা। তবে ভবন জরাজীর্ণ হযে পড়ায় ২০১৩ সালে এ অফিসের কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয় সিলাম সাব-পোস্ট অফিসে। তবে সময়ের অপরিহার্যতায় প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ির ডাকঘরটির কার্যক্রম সচল করা হচ্ছে আবারও। ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরটির সামনে ফের দেখা যাবে অতিপরিচিত সেই লাল বাক্স। ভেতরে গল্প হবে হলুদ-সাদা আর বাদামি খামের। আর এবার প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ির ডাকঘর হওয়ায় এর ঐতিহ্য বেড়ে যাবে যেন আরও কয়েক গুণ। সিলেট বিভাগীয় প্রধান ডাকঘর সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে ডাকসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৮৪ সালে দক্ষিণ সুরমার সিলাম এলাকার বিরাহিমপুর গ্রামে মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের বাড়ির ১৬ শতক জায়গা ডাক বিভাগকে দান করে দেওয়া হয়। সেখানে স্থাপন করা হয় শাখা ডাকঘর (ইডিবিও)। পুরোদমে চলতে থাকে কার্যক্রম। কিন্তু একপর্যায়ে ডাকঘরটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় ২০১৩ সালে পার্শ্ববর্তী সিলাম সাব-পোস্ট অফিসে এ শাখার কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ির সেই পরিত্যক্ত ডাকঘরটি সংস্কার করে এতে প্রাণ ফেরাচ্ছে ডাক বিভাগ। কয়েক লাখ টাকা ব্যায়ে সংস্কার কাজ শেষ। আগামী মঙ্গলবার এর উদ্বোধন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।  সিলেট বিভাগীয় প্রধান ডাকঘরের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (ডিপিএমজি) সুজিত চক্রবর্তী সচিত্র সিলেটকে জানান- আগামী মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এ ডাকঘর নতুন করে উদ্বোধন করা হবে এবং এখন থেকে এখানে নিয়মিত সেবা পাবেন জনসাধারণ।  তিনি জানান- এটি আগে ইডিবিও (শাখা ডাকঘর) ছিলো। তবে এখন এটিকে টাউন সাব পোস্ট (টিএসপিও) হিসেবে উন্নীত করা হয়েছে। এখানে একজন পোস্ট মাস্টার, একজন পোস্ট ম্যান ও একজন রানার থাকবেন মানুষকে ডাকসেবা দিতে। সুজিত চক্রবর্তী আরও জানান- প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ির সম্মানার্থে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কাজী আসাদুল ইসলাম স্যারের নির্দেশ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) মো. আবু তালেব স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আমাদের সিলেট বিভাগীয় ডাকঘরের ব্যবস্থাপনায় পরিত্যক্ত ঘরটি দ্রুত সংস্কার করা হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন রূপে ফিরেছে এবার ডাকঘরটি। উদ্বোধনের পর থেকে স্থানীয়দের আর কষ্ট করে সিলাম সাব-পোস্ট অফিসে যেতে হবে না, এখানেই পাবেন ডাক বিভাগের সব সেবা।

০৭ই জুন, ২০২৬
সিলেটে কৃষি উদ্যোক্তা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

সিলেটে কৃষি উদ্যোক্তা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

সিলেটের মানুষকে ব্যবসা-বাণিজ্যে  এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও ১০০ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান কৃষি বিপণন অধিদপ্তর যেভাবে বিস্তৃতি লাভ করার কথা ছিল, সেভাবে হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানকে আরও বেশি উদ্যোক্তাবান্ধব করতে হবে।   শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সিলেটে বিভাগীয় পর্যায়ে কৃষি উদ্যোক্তা উন্নয়ন মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালকের কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, "বর্তমান জনবান্ধব সরকারের ওপর এদেশের মানুষের বুকভরা আশা রয়েছে। আমরা সামনে থেকে অনুসারী হিসেবে কাজ করছি, তাই আমাদের ওপরও অনেক দায়িত্ব বর্তায়।"  তিনি স্থানীয়ভাবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরকে আরও কার্যকর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্যের মার্কেটিং এবং পুঁজির সংস্থানের জন্য তাদের উৎসাহিত করা অত্যন্ত জরুরি এবং সিটি কর্পোরেশন সেই লক্ষ্যে কাজ করবে। সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিসিক, এসএমই ফাউন্ডেশন কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পুঁজি বিনিয়োগ করে ম্যানুফ্যাকচারিং খাত গড়ে তুলতে হবে। সিলেটের মানুষকে কীভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে যুক্ত করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, "বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে উইম্যান চেম্বার এবং কৃষি বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা সিলেট থেকে সরাসরি বিদেশে পণ্য রপ্তানির সুযোগ করে দেব।" তিনি আরও জানান, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানির সুযোগ থাকলেও পচনশীল পণ্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্যাকেজিং ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। এ বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষ ও সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে কীভাবে সিলেটের কৃষি পণ্য পাঠানো যায়, তার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষি বিপণন ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পণ্যের প্রচারের জন্য একটি আধুনিক 'ডিসপ্লে সেন্টার' গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানান। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক জুলিয়া জেসমিন মিলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, সিলেট উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা, হবিগঞ্জের কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রাবেল তালুকদার ও মৌলভীবাজারের কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ফারুক উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন গ্রাসরুটসের সভাপতি হিমাংশু মিত্র, সম্পাদক নাফিসা শবনম, উদ্যোক্তা মো. সৈয়দুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে মেলায় অংশ নেওয়া সফল কৃষি উদ্যোক্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
সিলেটের জন্য ‘সুখবর নেই’!

সিলেটের জন্য ‘সুখবর নেই’!

কয়েক সপ্তাহের প্রচণ্ড গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যেও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি দেবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। তাঁদের মতে, আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টিপাত বাড়লেও মাঝেমধ্যে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে পারে। সিলেট আবহাওয়া অফিস শনিবার (৬ মে) বিকালে জানিয়েছে, এ অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। গতকাল শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানেও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কিছুটা কমতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোববার ও সোমবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা পুরোপুরি কমে যাবে এমন সম্ভাবনা নেই। ফলে গরমের তীব্রতা চলতি মাসে থাকছে। আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘আগামী দুই-এক দিন দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৯ ও ১০ জুন আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা কিছুটা কমলেও এই সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত থাকবে।’ ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সক্রিয় হওয়ায় বৃষ্টিপাত বাড়ছে। তবে বৃষ্টি শুরু মানেই গরম পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে এমনটি বলা যাবে না; বরং জুন মাসজুড়ে তাপমাত্রার তারতম্য দেখা যেতে পারে।’ আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে মৌসুমি বায়ুর বিস্তার আরও বাড়তে পারে। ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়বে। তবে একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি পুরোপুরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।

০৬ই জুন, ২০২৬
যত আইন, তত ফাঁকফোকর: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

যত আইন, তত ফাঁকফোকর: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, দেশে শিশু ও নারী সুরক্ষায় অসংখ্য আইন থাকলেও বাস্তবায়নের দুর্বলতা, দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া এবং সমন্বয়হীনতার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ‘যত আইন, তত ফাঁকফোকর’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টার মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন। ‘নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’ এই বৈঠকের আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা আইন পেশার সঙ্গে জড়িত, তারা জানি দেশে কত আইন রয়েছে। কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ পেরোতে গিয়ে অনেক সময় মামলার কার্যকারিতা কমে যায়। আপিল পর্যায়ে যেতে যেতে অনেক মামলা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে। সমাজ ও অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হলেও আইন ও বাস্তবায়ন ব্যবস্থাকে সেই গতিতে পরিবর্তন করা যায়নি।’ ফারজানা শারমীন বলেন, ‘শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধের দায় শুধু রাষ্ট্রের নয়, পরিবার ও সমাজেরও। একজন ধর্ষক জন্মগতভাবে অপরাধী হয়ে জন্মায় না; পরিবার, সামাজিক পরিবেশ এবং মূল্যবোধের সংকটের মধ্য দিয়ে তার অপরাধপ্রবণতা তৈরি হয়।’ শিশুদের ছোটবেলা থেকে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ফারজানা শারমীন বলেন, ‘পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত একটি শিশুর মানসিক ভিত্তি তৈরি হয়। এই সময়ে পরিবার যে শিক্ষা ও মূল্যবোধ দেয়, সেটিই ভবিষ্যতে তার চরিত্র গঠনে প্রভাব ফেলে। সরকার অপরাধীর বিচার করতে পারে, কিন্তু সন্তানকে মানুষ করার দায়িত্ব পরিবারকেই নিতে হবে। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হলে তবেই শিশুদের জন্য নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। শুধু সরকারের উদ্যোগে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়। প্রতিটি পরিবার, আবাসিক এলাকা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মানে শুধু মন্ত্রী বা প্রশাসন নয়, সরকার মানে আমরা সবাই। অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি থাকলেও সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ সেসব সেবার সুবিধা নিতে পারেন না। শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯৮-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সেবার মাধ্যমে শুধু অভিযোগ গ্রহণ নয়, কাউন্সেলিং ও মানসিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক মানুষ এখনো এ বিষয়ে অবগত নন।’ তিনি আরও জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে দেশব্যাপী একটি সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় আইন, আইনি সহায়তা এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে। গোলটেবিল বৈঠক সঞ্চালনা করেন আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। আলোচনায় আরও অংশ নেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নাহরীন আই খান, ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, অধ্যাপক ফিরোজা বেগম, ডা. মো. নিজাম উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হেলাল হাফিজ, চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুদ্দীন আবেদ উজ্জ্বলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
প্রতারণার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

প্রতারণার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

ভিজিডি কার্ড, পানির পাম্প ও সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে অর্ধশতাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত না পেয়ে এবং প্রতারণা বুঝতে পেরে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা তাঁকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ঘটেছে এমন ঘটনা। অভিযুক্ত সোহেল রানা উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের রাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি। ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে উপজেলার রাঙ্গালিয়া, পাটুলিপাড়া, ভেড়ামারা, পারভাঙ্গুড়া ও ভাঙ্গুড়া বাজার এলাকার অনেকের কাছ থেকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নেন সোহেল রানা। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রতিশ্রুত সুবিধা না পাওয়ায় সন্দেহ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী সোহেল আহমেদ বলেন, ‘সরকারি চালের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। এক বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো কার্ড দেননি ওই নেতা।’ হোটেলের কর্মী তায়জাল হোসেন বলেন, ‘সরকারি ঘর দেওয়ার আশ্বাসে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। টাকা দেওয়ার প্রমাণও আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ঘর পাইনি।’ ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের দাবি, এমনভাবে অর্ধশতাধিক মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাত থেকে আট মাস পার হলেও কোনো সরকারি সুবিধা মেলেনি। এই অবস্থায় শুক্রবার রাতে কয়েকজন ভুক্তভোগী ভাঙ্গুড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সোহেল রানাকে আটক করেন। পরে তাঁকে মারধর করে থানায় সোপর্দ করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে সোহেল রানার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী চিটার সবাই জানে। কিন্তু লোকজন টাকা দিছে কেন। যেহেতু তারা মারছে। তাই টাকা পরিশোধ।’ এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, সরকারি সুবিধা দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাদের কাছেও অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাফর ইকবাল হিরোক এ বিষয়ে বলেন, ‘সোহেল রানার বিরুদ্ধে এর আগেও এমন অভিযোগের কথা শুনেছি। মানুষের কাছ থেকে টাকাপয়সা নিয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁকে আমাদের দলের সঙ্গে কর্মকাণ্ড চালাতে নিষেধ করা হয়েছে। দ্রুতই তাঁর বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
৫টি সিআর সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

৫টি সিআর সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানার হরিকলস গ্রামের বাসিন্দা, তবারক আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলীকে ৫টি সিআর সাজা ওয়ারেন্টের মামলায় পলাতক আসামী হিসেবে আজ রাত ২টা ১০ মিনিটে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বিশ্বনাথ থানা পুলিশের একটি অভিযানে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। বিশ্বনাথ থানা পুলিশ* জানিয়েছে, অপরাধ দমনে ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের গ্রেফতারে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রিপোর্ট: সাব্বির আহমদ আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
প্রচণ্ড গরম, বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রচণ্ড গরম, বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

কয়েক সপ্তাহের প্রচণ্ড গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আজ এরই মধ্যে শেষ বিকেলে রাজধানী ঢাকায় একপশলা বৃষ্টিও হয়ে গেছে। তবে এই বৃষ্টি গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি দেবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তাঁদের মতে, আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টিপাত বাড়লেও মাঝেমধ্যে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছে, যা বৃষ্টিপাত বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানেও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কিছুটা কমতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোববার ও সোমবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা পুরোপুরি কমে যাবে এমন সম্ভাবনা নেই। ফলে গরমের তীব্রতা চলতি মাসে থাকছে। আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক ‘আগামী দুই-এক দিন দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৯ ও ১০ জুন আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা কিছুটা কমলেও এই সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত থাকবে।’ ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সক্রিয় হওয়ায় বৃষ্টিপাত বাড়ছে। তবে বৃষ্টি শুরু মানেই গরম পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে এমনটি বলা যাবে না। বরং জুন মাসজুড়ে তাপমাত্রার তারতম্য দেখা যেতে পারে।’ আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে মৌসুমি বায়ুর বিস্তার আরও বাড়তে পারে। ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়বে। তবে একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি পুরোপুরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
বিএনপি সরকার কখনোই দেশ পরিচালনায় ভালো ছিল না : আসিফ মাহমুদ

বিএনপি সরকার কখনোই দেশ পরিচালনায় ভালো ছিল না : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার কখনোই দেশ পরিচালনায় ভালো ছিল না। সরকার যে শুধু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে ফেল করছে তা না, সরকার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পরিচালনার ক্ষেত্রেও ফেল করেছে। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর একটি পার্টি সেন্টারে এনসিপি কুমিল্লা শাখা আয়োজিত ঈদ-পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের ক্রাইসিস মুহূর্তে তারা (বিএনপি) সব সময় বাজে পারফর্ম করে। তারা বলেছিল বিদ্যুতের দাম বাড়বে না। দুই বছরের মধ্যে বাড়বে না বলার ঠিক দুই মাসের মধ্যেই দাম বেড়ে গেছে। বিদ্যুতের দাম বাড়া মানে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়বে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির যে চ্যালেঞ্জ, তা প্রত্যেক নাগরিককে ভোগ করতে হবে। কারণ আমাদের তো আয়-রোজগার বাড়েনি। সাধারণ জনগণের আয় রোজগার বাড়েনি, কিন্তু খরচ বেড়ে যাবে। গ্যাসের দাম ১২০০-১৩০০ থেকে এখন ১৯০০ টাকার কাছাকাছি। প্রায় ৫০ ভাগ গ্যাসের দাম বেড়েছে। শেখ হাসিনার আমলে ১৭ বছরে যা বেড়েছিল, গত তিন মাসে তারা ততটুকু বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।’ এনসিপি মুখপাত্র সরকারের সমালোচনা করে আরো বলেন, ‘বিএনপি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পরিচালনা এবং গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থতাসহ সব কিছু মিলিয়ে ইতিমধ্যে অজনপ্রিয় সরকারের পরিণত হয়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে বারবারই বলা হতো নির্বাচনের পরেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ধর্ষণ, চুরি-ছিনতাই, রাহাজানি, শাহবাগের আন্দোলন এবং মব কালচারসহ সব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে নির্বাচন হলে সমাধান হয়ে যাবে। দেশে নির্বাচিত সরকার এলো, কিন্তু আমরা এসব কিছুর পরিবর্তন দেখছি না, বরং আরো সব কিছু বাড়তে দেখছি। আমরা দেখছি মব জাস্টিস বেড়ে গেছে। গত এক মাসে ৮৪ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দিন তিনি বলেছিলেন, মব বন্ধ বরে দেবেন। কিন্তু আমরা এখন মব বাড়তে দেখছি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সরকারদলীয় লোকের সম্পৃক্ততা দেখছি।’ অনুষ্ঠানে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী তারিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, যুগ্ম সদস্যসচিব নাভিদ নওরোজ শাহসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন দল থেকে আসা প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগদান করেন।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
সিলেটে পণ্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

সিলেটে পণ্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

সিলেটে পরিবহণ ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এই কর্মসূচি স্থগিত করেছে সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। শনিবার দুপুর ১টায় শ্রমিক ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ আঞ্চলিক শাখা অফিসে শ্রমমন্ত্রীর পাঠানো প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর আগে শনিবারের মধ্যে ট্রাক শ্রমিক নেতা মো. আবুল হোসেন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার ভোর থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অনির্দিষ্টকারের জন্য পরিবহণ ধর্মঘট আহ্বান করেছিল সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। তার বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং র‌্যাব-৯ বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম আহমদ লস্কর। স্মারকলিপি থেকে জানা গেছে, গত ২১ মে বিমানবন্দর থানার ধূপাগুলে নিজের ক্রাশার মিল বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার খাগাইল এলাকায় একদল সন্ত্রাসী শ্রমিক নেতা মো. আবুল হোসেনের ওপর হামলা চালায়। খাগাইলের আলিউর রহমান ও নাসির উদ্দিনের নির্দেশে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাচেষ্টা চালানো হয়। তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে দীর্ঘ ছয়দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ২৭ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঈদের দিন তার দাফন সম্পন্ন হয়েছিল। শ্রমিক নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেননি। উল্টো অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির সহায়তায় মূল অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন কানাডায় পালিয়ে গেছেন। তবে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সুজন চন্দ্র কর্মকার জানিয়েছেন, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে জকিগঞ্জে যুবদলের আনন্দ মিছিল

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে জকিগঞ্জে যুবদলের আনন্দ মিছিল

নবঘোষিত কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে জকিগঞ্জে যুবদলের এক আনন্দ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে জকিগঞ্জের ডাক বাংলা প্রাঙ্গন থেকে শুরু করে বাজারের বিভিন্ন মোড় ও বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এমএ হক চত্বরে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর নির্দেশে ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শিব্বির আহমদ রনির নেতৃত্বে এই বিশাল আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন, জকিগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শামিম আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক বাহার আহমেদ, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শামসুদ্দোহা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ, সদস্য তারেক আহমেদ, পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেল আহমেদ, সদস্য সজীব আহমেদ। পৌরসভা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহবুব আলম, সদস্য রাদি, মস্তাক, ফরহাদ, তাহের কিবরিয়া, তাফসির, গোলাম। মস্তুফা চৌধুরি একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি জুনেদ আহমেদ, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাজিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক গুলজার আহমেদ, সদস্য জিবান আহমেদ, হিমেল, জয়নাল,সুহেল, মনি,  সাকিব, রুবেল, জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাশেম আহমেদ, গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহ-সভাপতি আলি আহমদসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবঘোষিত ১৫১ সদস্যের এই বিশাল কমিটিতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে স্থান পেয়েছেন রেজাউল কবীর পল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বিল্লাল হোসেন তারেক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. কামরুজ্জামান জুয়েলকে। মোট ১৫১ সদস্যের এই বিশাল কমিটিতে বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও সহ-সম্পাদকীয় পদের পাশাপাশি সহ-সভাপতি এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শীর্ষ যুবনেতাদের পাশাপাশি প্রবাসী নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মকসুদ আহমদসহ বিভাগের চার নেতা। তারা হলেন, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল (মূল তালিকার ১৯ নং),সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন - যুক্তরাজ্য (মূল তালিকার ২৪ নং), সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ (মূল তালিকার ৬৪ নং), সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান (মূল তালিকার ৭৬ নং)।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
কালকের মধ্যে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজের জবাব দিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কালকের মধ্যে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজের জবাব দিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামীকাল রবিবার বিকেলের মধ্যে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ নোটিশের জবাব দিতে হবে, কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না। সন্তোষজনক উত্তর না পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে মিন্টো রোডের বাসায় স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি বিষয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশব্যাপী সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা বের করা হয়েছে। রবীন্দ্র সরণি থেকে শুরু করে ঢাকা শহরসহ সারা দেশের জেলা শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধও প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আগামীকাল সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে সচিবালয়ে আরো ১ লাখ স্যালাইন পাওয়া যাবে। এর আগে, ১ লাখ স্যালাইন বিদেশ থেকে বিনা মূল্যে এসেছে, ফলে মোট মজুদ দাঁড়াবে ২ লাখে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় এই স্যালাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরো স্যালাইন সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।   আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মুক্তপাঠ চর্চায় ‘সিলেটি পাঠাগার’ উদ্বোধন

শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মুক্তপাঠ চর্চায় ‘সিলেটি পাঠাগার’ উদ্বোধন

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুরে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মুক্তপাঠ চর্চাকে উৎসাহিত করতে ‘সিলেটি পাঠাগার’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় জালালপুরে সিলেটি পাঠাগার পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি আখলাকুল আম্বিয়া বাতিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাসান বক্ত চৌধুরী কাওছার। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, বিশিষ্ট সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, যুবনেতা এম মাহফুজুর রহমান, কবি এম হাসান চৌধুরী, কবি সুমন খান, মো. মুজাহিদ আলী ও আতাউর রহমান সাহেদ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন পাঠাগারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাইদুজ্জামান রনি এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মাহফুজ বিন সাদ। বক্তারা বলেন, তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পাঠাগারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা রনির মতো সাহসী ও উদ্যোগী তরুণদের সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ভালো লেখকদের বই পাঠের মাধ্যমে জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় অতিথিরা পাঠাগারের কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রিপোর্ট: হাসান আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

ভূমি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য পুনরায় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী আবশ্যিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৪ অধিশাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।   চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা, প্রসেস সার্ভার, অফিস সহায়ক, চেইনম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরীসহ উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ছকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য পূর্বে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদধারীদের এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ অর্জন ও আর্থিক অবস্থার তথ্য নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ ও পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরো বলা হয়, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।   ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্পদের বিবরণী দাখিলের বিষয়টি সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। স্মারকে নির্দেশক্রমে বলা হয়েছে, পূর্বে জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করে নির্ধারিত ছকে সম্পদের হিসাব প্রস্তুত করে আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে অবশ্যই ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। এ নির্দেশনার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ ও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের কার্যক্রম আরো জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আপলোড: শিউলি

০৬ই জুন, ২০২৬