৫ আগস্টের পরে এদেশে হক-বাতিল চিহ্নিত হয়ে গেছে: হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

৫ আগস্টের পরে এদেশে হক-বাতিল চিহ্নিত হয়ে গেছে: হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী

৫ আগস্টের পরে রাজনৈতিক ভাবে কে কি পেয়েছেন, সেটার চেয়ে বড় হিসাব হচ্ছে, এদেশে হক-বাতিল চিহ্নিত হয়ে গেছে। থলের বিড়াল বেড়িয়ে এসছে। রোজা আর পূজাকে এক করে দেয়া হচ্ছে। ইসলামের নামে মুশরিকি কর্মকান্ড এদেশের মানুষ দেখেছে।  ইসলামের নাম নিয়ে মব-বেয়াদবি করা আমরা দেখেছি। যারা ক্ষমতার বারান্দায়ও যেতে পারে নাই, তারা কতো প্রবীণ শিক্ষকদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়েছে। মসজিদ-মাদরাসা দখলে পায়তারা করা হয়েছে। এই হাইজ্যাক-রাহাজানি থেকে দেশকে বাঁচানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা আড়াইটায় সিলেটের বিশ্বনাথে বাংলাদেশ আনজুমানে আল-ইসলাহ বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর শাখার কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে, ব্যক্তি স্বার্থে, ব্যবসায়কি স্বার্থে, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আজকে ইলসাম সবচেয়ে বড় ফিতনায় জর্জরিত। ইসলামের সবচেয়ে বড় দুর্দিন। আজকের দিনে বাজারে সমস্ত পণ্যের দাম বেড়েছে, কমেছে ঈমান-ইসলামের। ইসলামের সওদাটা সবচেয়ে সস্তা হয়ে গেছে। সকলেই সব কাজে ইসলামের দোহাই দিচ্ছে। ইসলামকে ব্যক্তি স্বার্থে পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়েছে। পৌর শহরের একটি পার্টি সেন্টারে উপজেলা আল-ইসলাহ সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল ইসলাম ইকবাল ও পৌর আল-ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হেলাল আহমদের যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আল-ইসলাহ কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা একেএম মনোওর আলী, সিলেট জেলা আল-ইসলাহ সভাপতি মাওলানা আবু জাফর নোমান, অর্থ সম্পাদক তালুকদার ফয়জুল ইসলাম।    অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা আল-ইসলাহ সহ-সভাপতি মাওলানা আকমল হোসাইন শাকুর, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসলাম উদ্দিন লতিফী, বিশ্¦নাথ দক্ষিণ উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, পৌর তালামীযের সভাপতি মাওলানা আউয়াল হোসেন পারভেজ, সহ-সভাপতি ইসলাম উদ্দিন, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন আল-ইসলাহর সভাপতি হাফিজুর রহমান, রামপাশা ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মনছুর আহমদ বিপ্লবী, দেওকলস ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা সাইদুল ইসলাম, লতিফিয়া ইমাম সোসাইটি রামপাশার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তাজুল ইসলাম।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্ব পোলিও দিবসে সিলেটে রোটারির র‌্যালি

বিশ্ব পোলিও দিবসে সিলেটে রোটারির র‌্যালি

বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে সিলেটে র‌্যালি করেছে রোটারি ক্লাব ডি-৬৫ সিলেট জোন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে নগরের শারদা হল প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি বের করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া র‌্যালিটি চৌহাট্টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ÔEnd Polio NowÕ I ÔOne World, One GoalÕ লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি পিডিজি শহীদ আহমেদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন রিপসা ২০২৬-২০২৭ স্পেশাল অ্যাডভাইজার রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর (ফাইন্যান্স) রোটারিয়ান মো. কবির উদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান জাকির আহমেদ, কো-অর্ডিনেটর (এডমিন) অ্যাডভোকেট সালেহ আহমেদ চৌধুরী, পাস্ট প্রেসিডেন্ট আলী আশরাফ খালেদ।  প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন রোটারিয়ান মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রোগ্রাম সেক্রেটারি রোটারিয়ান পিপি অ্যাডভোকেট এমএ হাফিজ পিএইচএফ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর সেলীনা আক্তার চৌধুরী, রেজিস্ট্রেশন চেয়ার রোটারিয়ান এএসএমজি কিবরিয়া এবং ফুড চেয়ার ফারুক আহমেদ। এ ছাড়া সিলেট জোনের প্রায় সব ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, অফিসিয়ালস ও রোটারিয়ানরা ছাড়াও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডি-৬৫ সিলেট জোনের প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন মো. আবুল কালাম বলেন, “বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূলে রোটারির অবদান অনন্য। এই কার্যক্রমের সম্পূর্ণ বাজেট রোটারি থেকে দেওয়া হয়। র‌্যালির মাধ্যমে আমরা চাই সারা বিশ্ব জানুক—পোলিও নির্মূলে রোটারি এখনো অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।” বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূল রোটারি ইন্টারন্যাশনালের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম। ১৯৭৯ সালে ফিলিপাইনে শিশুদের পোলিও টিকা দেওয়ার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাটি পোলিও নির্মূলের কার্যক্রম শুরু করে।  পরে ১৯৮৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) সঙ্গে রোটারি গ্লোবাল পোলিও ইরাডিকেশন ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার হয়। এই বৈশ্বিক উদ্যোগ শুরুর পর বিশ্বে পোলিওর ঘটনা ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। বাংলাদেশে পোলিও নির্মূলে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফসহ বিভিন্ন সংস্থার সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোলিও নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় টিকাদান দিবস পালন শুরু করে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে ২১টি জাতীয় টিকাদান দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রায় ১০০ কোটি ডোজ মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে সর্বশেষ পোলিওভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল ২০০৬ সালে। এরপর দেশে আর পোলিওভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত হিসেবে সনদ দেওয়া হয়। তবে বিশ্ব থেকে রোগটি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়ায় পোলিওর বিরুদ্ধে টিকাদান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব পোলিও দিবস প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর পালিত হয়। পোলিও টিকার উদ্ভাবক জোনাস সালকের জন্মদিন স্মরণে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য পোলিও নির্মূলে বিশ্বব্যাপী চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং রোগটি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন ধরে রাখা। এ সময় সর্বোচ্চ রেজিস্ট্রেশন করা ক্লাবগুলোর মধ্যে রোটারি ক্লাব অব সিলেট মেট্রোপলিটন, রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজ, রোটারি ক্লাব অব সিলেট আর্কেডিয়া, রোটারি ক্লাব অব সিলেট সেন্ট্রাল ও রোটারি ক্লাব অব বিয়ানীবাজারকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
পুসাগের নবীনবরণ, সংবর্ধনা ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান

পুসাগের নবীনবরণ, সংবর্ধনা ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান

পাবলিক ইউনিভার্সিটিজ স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব গোয়াইনঘাটের (পুসাগ) উদ্যোগে নবীনবরণ, সংবর্ধনা ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় সিলেট নগরীর বারুতখানায় কামারিয়া কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় ফুড প্যারাডাইস রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুসাগের সভাপতি রুবেল আহমদ‘র (রাহী) সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ফখরুজ্জামান ফলিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর অঞ্চল–০৮, ঢাকার কর কমিশনার ও সাবেক মহাপরিচালক (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল) মোহাম্মদ আবদুর রকিব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাদক্ষিণ সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সিলেটের বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আইপিই বিভাগের প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুছ ছামাদ, দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আতাউর রহমান, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সাইদুল হক এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির শাবিপ্রবি শাখার ম্যানেজার ফারুক আহমদ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব কর্মকর্তা তমাল কান্ত দে, পূবালী ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র অফিসার নাজমুল হক চৌধুরী, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সহকারী অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ইনস্ট্রাক্টর কামরান আহমদ, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক সিরাজ উদ্দিন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক মহিউদ্দিন আরিফ, পুসাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি সদর উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার সম্রাট তারেক আহমদ , সহকারী কমিশনার আব্দুর রউফ কাজল ও পুসাগের সাংগঠনিক সম্পাদক  সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থী তাহেরা আফরিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটের চুরির মামলার আসামি সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

সিলেটের চুরির মামলার আসামি সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা পশ্চিম পাগলা ইউপির ডাবর পয়েন্ট অভিযান চালিয়ে করে আল আমিন (৩৩) নামের সিলেটের শাহপরাণ(রহঃ) থানার চুরির মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেফতারকৃত আল আমিন সিলেট খাদিমপাড়া বালুটিকর এলাকার  মো. আব্দুল আলিম ওরফে হিলিম মিয়ার ছেলে। শুক্রবার(২৩ অক্টোবর) দিনগত রাত ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ডাবর পয়েন্ট অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি জানায়, শুক্রবার দিনগত রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডাবর পয়েন্ট অভিযান অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি আরও জানায়, সিলেট শাহপরান (রা:) থানার দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা উম্মাহ্ পরভীন (কলি) গত ১৩ আগস্ট সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করার সুযোগে পরদিন রাত ৯টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোরেরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁর বসতঘরের টিনের চাল খুলে সুকৌশলে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ঘরের ভেতরে থাকা আলমারি ও শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে তাতে সংরক্ষিত মূল্যবান স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া মালামালের  আনুমানিক মূল্য ৩৫ লক্ষ টাকা। এরপর কলি বসতঘরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরদের বসতঘরের ভেতরে প্রবেশের বিষয়টি দেখতে পান। ঘটনাটি জানতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর ভাইদের বিষয়টি অবহিত করেন এবং দ্রুত দেশে এসে সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে গ্রেফতারকৃত আল আমিনকে সনাক্তের পর গ্রেফতার করা হয়েছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
মাধবপুরে সবুজ দিগন্তজুড়ে ছড়িয়েছে চাষিদের রঙিন স্বপ্ন

মাধবপুরে সবুজ দিগন্তজুড়ে ছড়িয়েছে চাষিদের রঙিন স্বপ্ন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সবজি চাষিদের চোখে প্রাপ্তির ঝিলিক। শিম চাষে প্রত্যাশা পূরণের আলো দেখছেন তারা। চলতি মৌসুমে উপজেলায় শিমের আবাদ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মাধবপুরের অধিকাংশ সবজিক্ষেত সবুজ শিমগাছ আর উজ্জ্বল সাদা ফুলে ভরে উঠেছে। লতানো গাছে ঝুঁকে গেছে শিমের ভারে। চাষিরা বলছেন, শিমের ফলন শুধু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নয় তাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে শুধু ফলনেই নয়, বাজারে বর্তমানে শিমের যে দর তাতেও সন্তুষ্ট তারা। এই দর বজায় থাকলে এবার শিম বিক্রি করে ভালো লাভের আশা রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। ফলনের মাত্রা দেখে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জমিতে শিমগাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষিরা। শেষ মুহূর্তের এই যতেœ পুরো ফসল ঘরে তুলতে চান তারা। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাইয়ের উপদ্রব কম থাকায় এবার ভালো ফলনের প্রত্যাশা তাদের। জগদীশপুর এলাকার শিম চাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম বজায় থাকলে ভালো লাভ হবে। তবে সার, বীজ ও শ্রমিকের খরচ আগের চেয়ে বেশি, তাই শেষ পর্যন্ত ন্যায্যমূল্য পাওয়াটা জরুরি।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
আজমিরীগঞ্জে পরিত্যক্ত গুদামে পৌরসভার কার্যক্রম

আজমিরীগঞ্জে পরিত্যক্ত গুদামে পৌরসভার কার্যক্রম

প্রতিষ্ঠার ২২ বছর পার হলেও নিজস্ব কোনো প্রশাসনিক ভবন পায়নি হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। দুই যুগ ধরে উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত গুদামঘরে চলছে এর দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, অন্যদিকে সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে পৌরসভা গঠন করা হয়। তবে বিভক্তির সময় ইউনিয়ন পরিষদের মূল প্রশাসনিক ভবনটি সীমানা জটিলতার কারণে পৌরসভার ভেতরেই রয়ে যায়। বর্তমানে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদর বাজারে অবস্থিত ওই পুরোনো ভবনে চলছে আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠার পর নিজস্ব ভবন না থাকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিআরডিবির একটি পরিত্যক্ত গুদামঘর মাসিক ছয় হাজার টাকায় ভাড়া নেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। পরে সেটি সংস্কার করে কয়েকটি কক্ষ তৈরি করা হলেও দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ভবনটি এখন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ২২ বছর ধরে নিজস্ব ভবন না থাকা একটি পৌরসভার জন্য বিব্রতকর। ভবন সংকটের কারণে যেমন সরকারের প্রতি মাসে অর্থ অপচয় হচ্ছে, তেমনি নাগরিক সেবার মানও তলানিতে ঠেকেছে। স্থানীয় বাসিন্দা নাসির মিয়া জানান, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা কেবল নামেই চলছে। সীমানা জটিলতা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এখানে নির্বাচনও হচ্ছে না, পৌর ভবনও তৈরি হচ্ছে না। অপর বাসিন্দা জিহান আহমেদ ও কাউসার আহমেদ জানান, জরাজীর্ণ এই গুদামঘরে ভালো করে বসার মতো পরিবেশও নেই। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণ উভয়কে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত একটি স্থায়ী পৌর ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা। এ ব্যাপারে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং নিজস্ব ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সুনামগঞ্জে নারী ইউএনওকে নিয়ে পুরুষ এসিল্যান্ডের ‘বিরহী’ পোস্ট, তোলপাড়

সুনামগঞ্জে নারী ইউএনওকে নিয়ে পুরুষ এসিল্যান্ডের ‘বিরহী’ পোস্ট, তোলপাড়

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান শান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের মৃত্যুর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদককে দায়ী করে পোস্ট দিয়েছেন। এমন পোস্টের পর ওই কর্মকর্তা মানসিকভাবে অসুস্থ বলে জানিয়েছেন ইউএনও। তিনি বলেছেন, মানসিক অসুস্থতা ও ট্রমাগ্রস্ততার কারণে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করার পর তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। তবে আরিফুর রহমানের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘এসিল্যান্ড জামালগঞ্জ’ নামের আইডি থেকে পোস্ট দুটি করা হয়। একটি পোস্টে লেখা হয়, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রাণী মোদক দায়ী থাকবে।’ এর কিছুক্ষণ পর অন্য আরেকটি পোস্টে লেখা হয়, ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আরিফুর রহমান গত প্রায় দুই মাস ধরে জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা সদরেই বসবাস করে আসছিলেন। এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান শান্ত বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে বিষয়টি এতদিন পারিবারিক সীমারেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। শুক্রবার জামালগঞ্জের ইউএনও শিল্পী রাণী মোদকের মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন এসিল্যান্ড শান্ত। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রানী মোদক জানান, শুক্রবার রাতে তার তিন বছর বয়সী মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান ছিল। এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান স্ত্রীসহ সেই কেক কাটার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠান শেষে তার বাসা থেকে বের হয়েই ফেসবুকে বিতর্কিত সেই পোস্টগুলো দেন এসিল্যান্ড। ইউএনও আরও জানান, বাসা থেকে বের হয়ে এমন পোস্ট দেওয়ার পাশাপাশি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এসিল্যান্ড। তিনি এক আনসার সদস্যকে মারধর করেন এবং ইউএনওর তিন বছরের মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এছাড়া রাস্তায় যাকেই পেয়েছেন, তার সঙ্গেই অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টটি দেখে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী মিয়াসহ অনেকেই দ্রুত এসিল্যান্ডের বাসায় যান। ওসি জানান, সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার স্ত্রীর পরামর্শে একটি ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু ওষুধটির পাওয়ার কম থাকায় তিনি শান্ত হচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ইনজেকশন খোঁজা হলেও তা স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়নি। বাসার ভেতর তীব্র অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকায় রাত ১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও পরিজনদের উপস্থিতিতে তাকে চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সিলেটে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে গেছেন। ফেসবুক পোস্টে নিজের নাম উল্লেখ করার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে ইউএনও শিল্পী রানী মোদক বলেন, ‘তিনি কেন আমার নাম লিখেছেন, তা আমারও প্রশ্ন। আমি নিজেও বিষয়টি বুঝতে পারছি না।’

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
হেমন্তে সিলেটে বৃষ্টির আভাস

হেমন্তে সিলেটে বৃষ্টির আভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচদিন বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে সিলেটে আগামী বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অধিদপ্তর জানিয়েছে- পূর্ব-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।  এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান: ড. আনোয়াারুল

পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান: ড. আনোয়াারুল

বাংলাদেশের কোমলমতি শিশুদের জন্য শিশুবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে না পারলে আগামী প্রজন্ম দূষিত পরিবেশের নানা ক্ষতিকর প্রভাবের মুখোমুখি হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু ও পরিবেশের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। তাই উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও গ্রাম ও শহরকে পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ এবং সুস্থ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব। পরিবেশ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হলে মানুষের জীবন নানা রোগব্যাধির ঝুঁকিতে পড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশ নিয়ে গবেষণার পরিধি আরও বাড়াতে হবে। গবেষণার মাধ্যমে পরিবেশের সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে দিন দিন হাওর-বিলসহ বিভিন্ন জলাভূমি সংকুচিত হচ্ছে। হাওর, বিল, নদী-নালা ও পাহাড়সহ দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস ও দূষণের শিকার হলে আমাদের আলো-বাতাসসহ সামগ্রিক পরিবেশ দূষিত হবে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এখন থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, দরগাগেইট-এ বাংলাদেশ পরিবেশ গবেষণা ও উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক-কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী বলেন, পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে আমাদের আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক সিলেটের ডাকের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পরিবেশ রক্ষাকে একটি সম্মিলিত সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেন। পরিবেশবিষয়ক উদ্যোগগুলোকে আরও কার্যকর করতে সচেতনতা সৃষ্টি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় উঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন রোটারিয়ান এম এ এম সজিব। বাংলাদেশ পরিবেশ গবেষণা ও উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল মুক্তাদীর (সাংবাদিক) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমদ মাসুম (লেখক ও সাংবাদিক) অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মুহিবুর রহমান, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও মো. আজিজুজুর রহমান জয়নাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. জসিম উদ্দিন, সহ-অর্থ সম্পাদক মিলাক আহমদ, প্রচার সম্পাদক মো. শাহিন আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাহিনূর রহমান, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমদ, সমাজসেবা সম্পাদক মো. সুহেব আহমদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হোছাইন মো. মোহাম্মদ আলমগীর, পরিবেশ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম এবং স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. লায়েক মিয়া প্রমুখ।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সুস্থ-সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনের উদ্যোগ জরুরি: এমপি এমরান চৌধুরী

সুস্থ-সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনের উদ্যোগ জরুরি: এমপি এমরান চৌধুরী

সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ‍্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সমাজসেবী সংগঠনগুলোর এমন উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। আমি বিশ্বাস করি, আজকের মতো গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউএসএ ভবিষ্যতেও তাদের এই সেবামূলক ধারা অব্যাহত রাখবে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে একইভাবে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউএসএ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ফ্রি চক্ষু সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমিতে আয়োজিত এ চক্ষুশিবিরের উদ্বোধনী দিনে প্রায় ৩০০ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মাওলানা আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সমন্বয়ক মো. মাসহুদুল হুদা খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সরকারি এম সি একাডেমির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ভানুজ কান্তি ভট্টাচার্য। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইনক্লুসিভ আই হসপিটালের ম্যানেজার লিংকন দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও স্থানীয় প্রতিনিধি সদস্য সুজন খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ছয়ফুল ইসলাম সাহান, মারজান আহমেদ, মাহফুজ খান, ফয়জুল হক, হালিম খানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন হাফিজ মারজান খান। আয়োজকরা জানান, সেবা প্রদানকৃত রোগীদের মধ্য থেকে ৫০ জন ছানি পরা রোগীকে বিনামূল্যে চোখের লেন্স সংযোজন (অপারেশন) করে দেওয়া হবে। এছাড়া শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চশমা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
শাহজালাল মাজারে মিললো দানের সাড়ে ৮৮ লাখ টাকা, সোনা-রূপা ও ১৮ দেশের মুদ্রা

শাহজালাল মাজারে মিললো দানের সাড়ে ৮৮ লাখ টাকা, সোনা-রূপা ও ১৮ দেশের মুদ্রা

সিলেটের আধ্যাত্মিক রাজধানী খ্যাত হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেকচি থেকে নগদ সর্বমোট ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি এতে বিপুল পরিমাণ সোনা, রূপা ও ১৮টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর, ২০২৬) মাজারের ৩টি সিলগালা অবস্থায় থাকা ডেকচি এবং ৫টি দান বাক্স খোলা হলে এই বিশাল পরিমাণ নগদ অর্থ, বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রূপা পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো: সর্বমোট নগদ  ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৪ টাকা। স্বর্ণ পাওয়া গেছে ১ ভরি সাড়ে ৮ আনা। রূপা পাওয়া গেছে ৩ ভরি ১৩ আনা। বৈদেশিক মুদ্রা : ১৮টি দেশের মুদ্রার মধ্যে পাওয়া গেছে,  ইংল্যান্ডের ১৪ পাউন্ড, ভারতীয় ৭ হাজার ৬৪৭ রুপি, থাইল্যান্ডের ২০ বাত, সৌদি আরবের ৯৩ রিয়াল, মালয়েশিয়ান ১১ রিঙ্গিত, আমেরিকান ২৯ ডলার, ওমান মুদ্রা ১ হাজার ৩৫০.৫০ বায়সা, আরব আমিরাতের ৬৫ দিরহাম, মালদ্বীপের ১৫ রুপি, কাতারের ১৭ রিয়াল, ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট বাহরাইন ১০০ পয়সা, হংকং-এর ১০ ডলার,  ব্রুনাই’র ১ ডলার, নেপালের ৫৫ রুপি, পাকিস্তানের ১০০ রুপি, রাশিয়ান ৫০ রুবেল, শ্রীলংকান ৫০০ রুপি। উল্লেখ্য, মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কমিটির উপস্থিতিতে নিয়মিত এই দানবাক্স ও ডেকচিগুলো সিলগালা মুক্ত করে প্রাপ্ত দান গণনা করা হচ্ছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত সৌরভ (২৫) ও আসিফ (২৬) রামের দুই বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  নিহত সৌরভের দিনাজপুরের পার্বতীপুরের কাজীপাড়া এলাকার আবু বকরের ছেলে এবং আসিফ রংপুর সদর উপজেলার হরকলি চৌপাড়া এলাকার মোমিনুল ইসলামের ছেলে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বেড়তলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী দিগন্ত এক্সপ্রেসের একটি বাস বেড়তলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৌরভ ও আসিফের মৃত্যু হয়। খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসিফ ও সৌরভের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধী।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
মহা-রূপান্তরের দ্বারপ্রান্তে মোংলা বন্দর

মহা-রূপান্তরের দ্বারপ্রান্তে মোংলা বন্দর

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ও দ্বিতীয় বৃহত্তম সামুদ্রিক বন্দর মোংলা এখন এক মহা-রূপান্তরের দ্বারপ্রান্তে। গত ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তার প্রথম খুলনা সফর। অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার পরিকল্পনা, চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে বড় অঙ্কের ঋণচুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বন্দরটিকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং আঞ্চলিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান হাব বা ‘ফার্স্ট কলিং পোর্ট’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি সড়ক, রেল ও আকাশপথের সমন্বয়ে মোংলা বন্দরকে একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১০ অক্টোবর চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা) একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য হলো কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো এবং বন্দরকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তর করা। পাশাপাশি মোংলা বন্দর চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে অধিক ড্রাফট বা গভীরতার বড় পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারবে, যা বর্তমানে সীমিত পরিসরে সম্ভব হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে ‘ফার্স্ট কলিং পোর্ট’ বা প্রথম নোঙর স্থল হিসেবে পরিচিতি পাওয়া যেকোনো বন্দরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক। বিদেশি জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি মোংলা বন্দরে ভিড়তে পারলে পণ্য খালাসের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক, পাট, চামড়া ও হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানিতে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে।  শুধু বন্দর আধুনিকায়ন নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বহুমাত্রিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও। খুলনা-মোংলা সড়ক ৪ লেনে উন্নীত করা এবং খুলনা-ভাঙ্গা সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ওয়াগন ও কনটেইনার ট্রেন চালু এবং খান জাহান আলী বিমানবন্দর চালুর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি বড় শিল্পগোষ্ঠী কারখানা স্থাপনে আগ্রহী হতে পারে। গত ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। তার এ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যেতে পারে। মোংলা বন্দর হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, বিদেশি জাহাজের প্রতিনিধি ও বড় বিনিয়োগকারীদের যাতায়াত সহজ করতে বহুল প্রত্যাশিত খান জাহান আলী বিমানবন্দর চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে সামনে এসেছে। বিমানবন্দরটি চালু হলে মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগমন বাড়তে পারে। এসব অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের দ্রুত সমাধান হলে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা দেশের অর্থনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মো. সালাহ্ উদ্দিন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় নাব্যতা অর্জনসহ বন্দরের সার্বিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। পরে তিনি প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, বন্দর চ্যানেলে ড্রেজিং করা হলে নাব্যতা বাড়বে। ফলে অধিক ড্রাফটের জাহাজ এ বন্দরে ভেড়ানো সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের ফলে খুলনা, বাগেরহাটসহ পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নে মোংলা বন্দর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বন্দর এলাকার দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয় ও অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান হলে এ অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকর আলী বলেন, মোংলা বন্দরের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ ত্বরান্বিত করবে। নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শেখ সাহেদ আলী রবি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এ জন্য বন্দর চ্যানেলের নাব্যতা বাড়াতে ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি মোংলা কাস্টমস হাউস ও শুল্ক বিভাগের আধুনিকায়ন প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর সফর এসব উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা করেন। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ফলে এ অঞ্চলে বিনিয়োগের গতি বাড়বে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় এলাকার যেসব মানুষ কাজ হারাচ্ছেন, তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁর মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
এনআইডি সংশোধনে বড় অগ্রগতি

এনআইডি সংশোধনে বড় অগ্রগতি

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংশোধনে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন পর্যন্ত জমা পড়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করেছে সংস্থাটি। তবে বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির পরও এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন।  অন্যদিকে, বিভিন্ন কারণে বাতিল হয়েছে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন। ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এনআইডি সংশোধন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও আবেদন নিষ্পত্তি, অযৌক্তিক আবেদন বাছাই এবং জালিয়াতি প্রতিরোধ—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে এখন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। আবেদন নিষ্পত্তিতে সময়সীমা নির্ধারণ, মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত জমা পড়া এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।  ২০২৫ সালের আবেদনগুলোর নিষ্পত্তিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে প্রতি মাসে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ায় কিছু আবেদন অপেক্ষমাণ থাকছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সংশোধনের অযোগ্য আবেদন এবং একই বিষয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুনরায় আবেদন করার প্রবণতা। ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে অপেক্ষমাণ প্রায় ৭০ হাজার আবেদন ইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে ৬৮ হাজার ২৬৯টি আবেদন। এছাড়া ২০২৫ সালের একই ক্যাটাগরিতে অপেক্ষমাণ আবেদন রয়েছে ৯৮৩টি। সব মিলিয়ে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা আবেদনের সংখ্যা ৬৯ হাজার ২৫২টি। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে ঢাকা অঞ্চলে ১০ হাজার ৬১৫টি, ফরিদপুরে ৫ হাজার ১৪০টি, খুলনায় ৫ হাজার ৮৭১টি, ময়মনসিংহে ৮ হাজার ৩৩২টি এবং রংপুরে ৪ হাজার ৪৭৭টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে। এছাড়া সিলেটে ৬ হাজার ৪৬৯টি, রাজশাহীতে ৬ হাজার ৮৭৫টি, বরিশালে ৪ হাজার ২২৬টি, চট্টগ্রামে ৬ হাজার ৬৮৮টি এবং কুমিল্লায় ১০ হাজার ৫৫৯টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বলছে, অপেক্ষমাণ আবেদনের চাপ অঞ্চলভেদে ভিন্ন। ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। ফলে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আবেদন নিষ্পত্তিতে সময়সীমা, কমানো হয়েছে প্রশাসনিক ধাপ এনআইডি সংশোধন কার্যক্রমে গতি আনতে আবেদন নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ইসি।  পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিষ্পত্তির সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকেরা নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাসসকে বলেন, আবেদন নিষ্পত্তির মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্ভুলভাবে কাজ করা। এমনভাবে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে সংশোধনের প্রয়োজন না পড়ে। তিনি বলেন, অতীতে অযৌক্তিক আবেদনগুলো সব ক্ষেত্রে যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এখন যুক্তিসংগত নয়—এমন আবেদন বাতিল করা হচ্ছে এবং প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত বছর বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইসি সচিবের ভাষ্য, সংশোধন আবেদনের মধ্যে এমন অনেক আবেদন রয়েছে, যেগুলোর ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন আর নেই। আবার বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের কিছু আবেদনেও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়া তথ্যের অসংগতি পাওয়া যায়। এসব বিষয় যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। জন্মতারিখ সংশোধনে নতুন নজরদারি এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষাসনদকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে তদারকি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি এ বিষয়ে সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছে ইসি। গত ১৩ আগস্ট জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাসনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ প্রযোজ্য নয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। গত ১৩ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের প্রতিবেদন ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।  পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরের মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে জন্মতারিখ সংশোধনে সিদ্ধান্তের যথার্থতা ও কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় কমিশন। অযোগ্য আবেদন বাতিল, বয়সের অসংগতিতে কঠোর যাচাই এনআইডি সংশোধনের অপেক্ষমাণ আবেদন ও বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেক আবেদন রয়েছে যেগুলো সংশোধনযোগ্য নয়। বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে কখনো দেখা যায়, বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান মাত্র ১০ বছর। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশোধনের পর দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভোটার হওয়ার সময় বয়স ১৮ বছরের কম ছিল। এ ধরনের অসংগতি থাকলে আবেদন বাতিল করা হয় বলে জানান তিনি। সাইফুল ইসলাম বলেন, কোনো আবেদন একটি ক্যাটাগরিতে বাতিল হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য ক্যাটাগরিতে আবার আবেদন করেন। এতে একই ধরনের আবেদনের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা বেশি বলে মনে হতে পারে। তিনি আরও জানান, অপেক্ষমাণ আবেদনগুলো নিষ্পত্তির জন্য নিয়মিত বৈঠক করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সেবার মানসিকতা ও দায়িত্ববোধের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকিও নিষ্পত্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছে। জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান, আসছে প্রযুক্তিগত উদ্যোগ এনআইডি-সংক্রান্ত জালিয়াতি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে। কমিশনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী জড়িত থাকলে তভদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, জালিয়াতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে শুধু অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে জালিয়াতির ঘটনা ঘটার আগেই তা প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।  এ লক্ষ্যে একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে। ইসি সচিবের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা গেলে এনআইডি-সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনা আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এদিকে, সাধারণ মানুষকে প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পা না দিতে সতর্ক করছে এনআইডি বিভাগ। এ বিষয়ে হেল্পডেস্ক থেকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম। নির্ভুল নিবন্ধনই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রতি মাসে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ার বাস্তবতায় কেবল নিষ্পত্তির গতি বাড়িয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। নিবন্ধনের সময় তথ্য যাচাই জোরদার করা, আবেদনকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়ার বিষয়ে সচেতন করা এবং সংশোধনের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা মনে করেন, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তির সাফল্যের পর এখন নির্বাচন কমিশনের সামনে বড় পরীক্ষা—অবশিষ্ট আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংশোধনের প্রয়োজন কমিয়ে নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচদিন বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।  এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে এক হাজার ২২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১১৮ জন মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে তিনজন, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা গেছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ৫১ জনের। এ নিয়ে এ বছর ২৩ হাজার ৩২৪ জনের হাম শনাক্ত হলো। আর নতুন করে এক হাজার ১৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ১৯ হাজার ৮৮৪ জন।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
 নবীগঞ্জ থানার হাজতে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও, সহযোগী গ্রেফতার

নবীগঞ্জ থানার হাজতে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও, সহযোগী গ্রেফতার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার হাজতখানায় থাকা ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে তার সহযোগী শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ডিউটি অফিসারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নবীগঞ্জ থানার হাজতখানায় রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, শাহ তপুকে গ্রেফতারের খবর পেয়ে তার সহযোগী শাহ জুয়েল গোপনে থানায় প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে হাজতখানায় থাকা শাহ তপুর ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পুলিশের দাবি, জব্দ করা মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওসহ সংশ্লিষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। পরে শাহ তপুর বিরুদ্ধে দায়ের করা একই মামলায় শাহ জুয়েলকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন জানান, থানার হাজতখানার মতো স্পর্শকাতর স্থানে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণের বিষয়টি গুরুতর। এ ঘটনায় শাহ জুয়েলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ডিউটি অফিসারের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
ধর্মপাশায় আগুনে পুড়ে ছাই অটোচালকের বসতঘর

ধর্মপাশায় আগুনে পুড়ে ছাই অটোচালকের বসতঘর

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন অটোরিকশা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন মনির মিয়া নামে এক ব্যক্তি। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাঁর বসতঘর, ঘরে থাকা নগদ টাকা ও আসবাব। মুহূর্তেই সব হারিয়ে বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তানসহ সাত সদস্যের পরিবারটি নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের অটোরিক্সা চালক মনির মিয়ার বসতঘরে হঠাৎ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় মনির মিয়া জুমার নামাজের জন্য গ্রামের মসজিদে ছিলেন। মসজিদেই প্রথম তাঁর ঘরে আগুন লাগার খবর পান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করলে ফায়ার সার্ভিসেরকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে মনির মিয়ার পুরো বসতঘর, অটোরিকশা, আসবাব, এনজিওর ঋণের নগদ টাকাসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত মনির মিয়া বলেন, কীভাবে আগুন লেগেছে বুঝতে পারিনি। সম্প্রতি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া সম্পূর্ণ টাকাও ঘরে রাখা ছিল। উপার্জনের শেষ সম্বল অটোরিকশাটিও পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে আমার প্রায় আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ছাড়া আমার পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে উপজেলার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনকেও বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় অনুদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
মৌলভীবাজারে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে নিচে পড়ে নারীর মৃত্যু

মৌলভীবাজারে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে নিচে পড়ে নারীর মৃত্যু

মৌলভীবাজার শহরের একটি ভবনের চারতলা ফ্ল্যাট থেকে নিচে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ থাকায় ওই নারী জানালা দিয়ে বের হওয়ার সময় নিচে পড়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মৃত নারীর সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে বসবাসকারী এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত নারী ও তার সঙ্গে থাকা যুবকের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকালে শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকার লন্ডনপ্রবাসী আরজু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার মালিকানাধীন ‘আরজু ভিলায়’ এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে আরজু ভিলার চারতলা ফ্ল্যাট থেকে হঠাৎ এক নারী নিচে পড়ে যান। বিকট শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। স্থানীয়রা আরও জানান, ঘটনার সময় ওই ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ ছিল। বাসার লোকজন বাইরে অবস্থানকালে ঘরের ভেতর থেকে অদ্ভুত শব্দের বিষয়টি পাশের বাড়ির বাসিন্দারা ফোনে জানালে তারা দ্রুত ফিরে আসেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ওই নারী ও এক পুরুষ অনলাইন অ্যাপসের মাধ্যমে ফার্নিচারসহ ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা ঘটনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা যুবক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস এমসি কলেজ শাখার পুনর্গঠন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস এমসি কলেজ শাখার পুনর্গঠন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগরীর আওতাধীন ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি ) কলেজ শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জুনায়েদ ইবনাত আসিফ এবং সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুল ওয়াদুদ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এমসি কলেজ শাখার সহযোগী সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত সমাবেশে নির্ধারিত সহযোগী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন জুনায়েদ ইবনাত আসিফ। একই সমাবেশে আব্দুল ওয়াদুদকে শাখা সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি মুহিবুর রহমান রায়হান। সমাবেশের মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য এমসি কলেজ শাখার নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আমরা কি বসে থাকবো: জামায়াত আমীর

একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আমরা কি বসে থাকবো: জামায়াত আমীর

সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেনো এমন প্রশ্ন তুলে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংসদে তারা দায়িত্বশীল ও বিবেকবান বিরোধী দল হিসেবে থাকতে চান। সরকারের ভালো উদ্যোগকে সমর্থন করবেন, তবে ভুল ও অনিয়মের সমালোচনা করতেও পিছপা হবেন না। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, প্রশাসনের দলীয়করণ, গণমাধ্যমের ভূমিকা, প্রবাসীদের অধিকার ও জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন জামায়াত আমীর। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আর আমরা কি বসে থাকবো? ইতিহাস কি আমাদের ক্ষমা করবে? সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেনো?’ তিনি বলেন, অতীতে দেশে এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিলো, যেখানে সরকারি দলের সবকিছু ভালো আর বিরোধী দলের সবকিছু খারাপ হিসেবে তুলে ধরা হতো। এমনকি সরকারি দল কিছু বলার আগেই বিরোধী দল সমর্থন জানিয়ে দিতো। এখন তারা প্রধান বিরোধী দলের দায়িত্বে রয়েছেন। কেউ চান, তারা সংসদে ভাঙচুর করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করুন। আবার সরকারি দল চায়, তারা সব বিষয়ে সমর্থন জানাক। কিন্তু তারা এ দুই অবস্থানের কোনোটিই গ্রহণ করতে চান না। আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, পুলিশের মধ্যে অনেক দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা রয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের মন্ত্রণালয়ের কাজে আরও মনোযোগী হওয়া উচিত। তার অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মাদক নির্মূলে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। জেলা পরিষদে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া এবং সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) দলীয়করণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জেলা পরিষদে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পরিবর্তে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাময়িকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলো না কেনো? দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিকে রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজরা কোনো দলের নয়; তারা দলকে ডুবিয়ে দেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। নীতির প্রশ্নে কাউকে বড় করে দেখার সুযোগ নেই। কেউ ভুল করলে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত, কিন্তু অপরাধ করলে ছাড় দেওয়া উচিত নয়। নিজ দলের এক সংসদ সদস্যকে বহিষ্কারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই সংসদ সদস্যকে দল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে তারা ২৪ ঘণ্টাও সময় নেননি। তার সঙ্গে দলের আর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি। গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, দেশের কোথায় কী ঘটছে, তা সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। তবে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার পেছনে সংবাদমাধ্যমেরও দায় থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের আরও সাহসী ও নিরপেক্ষ হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের চারটা চোখ থাকতে হবে। দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে আরও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশ সবার উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, বহুমাত্রিক সমাজ ও বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পারস্পরিক সহমর্মিতা প্রয়োজন। দেশের সব দল ও ধর্মের মানুষ যেনো শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সেটিই তাদের প্রত্যাশা। সম্প্রতি দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভালো থাকলে সবাই ভালো থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত দেশের স্বার্থে কাজ করা। গদি কখনো চিরস্থায়ী হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষমতা তাদের মূল লক্ষ্য নয়; দেশবাসীর ভালো থাকাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সৌদি আরবের কারাগারে সাত হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দী রয়েছেন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হবে। তবে বন্দীদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা উচিত, যাতে তাঁরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, তা জানা যায়। এ ছাড়া বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে সময় কমে আসার প্রসঙ্গ তুলে প্রবাসীদের আন্দোলনের সফলতার কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন জামায়াত আমীর। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জোটগতভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবেন না। অতীতেও তারা এভাবে নির্বাচন করেননি। আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রত্যাহারের দাবিতে বিয়ানীবাজারে মানববন্ধন

এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রত্যাহারের দাবিতে বিয়ানীবাজারে মানববন্ধন

বিয়ানীবাজারে কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার দুপুর ২টায় উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঢেউনগর, দত্তগ্রাম ও দিগলবাক গ্রামের বাসিন্দাদের যৌথ উদ্যোগে দিগলবাক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং আশপাশের গ্রামের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। বক্তারা অবিলম্বে কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নির্দোষ এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তাঁরা। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শেওলা ইউনিয়নের ঢেউনগর, দত্তগ্রাম ও দিগলবাক গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবক ও বয়োজ্যেষ্ঠরা।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লিটনের মতবিনিময়

গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লিটনের মতবিনিময়

গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লিটন আহমদ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে পৌর শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে লিটন আহমদ বলেন, 'সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাঁরা এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরেন। একটি এলাকার উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।' তিনি আরও বলেন,'আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই বা না হই, সাংবাদিকদের সম্মান করি এবং তাঁদের গঠনমূলক পরামর্শকে সবসময় গুরুত্ব দেব। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।' এসময় গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক এনামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুল আজিজ বাবর, কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হুমায়ুন, প্রচার সম্পাদক ফাহিম আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক তামিম আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফাহাদ হোসাইন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সামিল হোসেন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সালমান কাদের দিপু, কার্যনির্বাহী সদস্য বাবর জোয়ারদার, মো: মাহদী রহমান, আব্দুল জলিল, ছাত্রনেতা সুলতান মাহমুদ, পৌর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আজহার উদ্দিন সাকেল, পৌর ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক সুহেদ আহমদ, যুবদল নেতা শাপলু আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে লিটন আহমদ নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানান এবং যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সুনামগঞ্জে পুসাস-এর কমিটি গঠন

সুনামগঞ্জে পুসাস-এর কমিটি গঠন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ সুনামগঞ্জ (পুসাস)-এর ২০২৬–২৭ সনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ইসমাইল আহমেদ তালহা সভাপতি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী সৌরদ্বীপ দাস স্বপ্নীল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কমিটির মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী তন্বী মজুমদার। শুক্রবার (২৩শে অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবে পুসাসের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় আগামী ১ বছরের জন্য এই নতুন কমিটি ঘোষণা করেন ২০২৫-২৬ সনের কমিটির সভাপতি জাকির হোসাইন তামিম এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। একই সাথে সভায় পুসাসের মুখপত্র "অভিজ্ঞান" ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগের লেকচারার কৃপাময় কর কৌশিক, সহকারী কর কমিশনার নেজামুল ইসলাম তপু, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার গোলাম আজাদ, পুসাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, সম্মানিত এলামনাই ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোবারক ইসলাম, পুসাসের সাবেক সভাপতি অয়ন চন্দ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গালিব ইফতেখার রাহাত, সাবেক মডারেটর মলয় ব্যানার্জী এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম। কমিটির অন্যান্য পদের তালিকা: নতুন নির্বাহী পরিষদের ১১২ সদস্যের কমিটির উল্লেখযোগ্য পদাধিকারীরা হলেন:সহ-সভাপতি: হৃদয় সাহা বৃন্ত (রাবি),যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাদিরা সুলতানা সানিয়া মল্লিক (কুবি), অর্নব দাস (শাবিপ্রবি) ও দিগ্বিজয় বাট্টাচার্য (রুয়েট),সাংগঠনিক সম্পাদক (সাধারণ): মো: আব্দুল মালেক মিয়া (রাবি),সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সাধারণ): নাহিদুল ইসলাম (শাবিপ্রবি),সাংগঠনিক সম্পাদক (শিক্ষা): হিমেল বর্মন পিউল (রুয়েট),সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (শিক্ষা): সুস্মিতা দাস পিয়া (কুবি),সাংগঠনিক সম্পাদক (সংস্কৃতি): নিবেদিতা রয় নদী (ইবি),সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সংস্কৃতি): মনীষা দাস মুন (জবি),সাংগঠনিক সম্পাদক (সভা): আবুল কাশেম (শাবিপ্রবি),সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সভা): নাদির আহমেদ (শাবিপ্রবি),সাংগঠনিক সম্পাদক (উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি): মো: কামাল উদ্দিন (জবি),সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি): হিমেল দাস (গোবিপ্রবি),দপ্তর সম্পাদক: সমিকা ইসলাম শুচি (ঢাবি),অর্থ সম্পাদক: ইশতিয়াক হক ইফতি,সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক: আদনান হুমায়ূন শাহরিয়ার (ঢাবি),প্রচার সম্পাদক: মো: মাহমুদুল হাসান ফারুকী (চবি),অলিম্পিয়াড বিষয়ক সম্পাদক: আকাশ দাস আদি (শাবিপ্রবি) নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সুনামগঞ্জের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং জেলার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে পুসাস আগামী দিনগুলোতে আরও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
উন্নয়নের বরাদ্দের টাকা ছয়-নয় হলে ছাড় দেব না: এমপি লুনা

উন্নয়নের বরাদ্দের টাকা ছয়-নয় হলে ছাড় দেব না: এমপি লুনা

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও রেহাই পাননি। এই সময়ে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। এরআগে সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী মাত্র পাঁচ বছরে এলাকায় যে উন্নয়ন করেছেন, তা মানুষের প্রত্যাশাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের প্রতিটি এলাকায় উন্নয়ন করা হবে। উন্নয়নকাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করে এমপি বলেন, ‘সরকারি বরাদ্দ আসবে, উন্নয়নকাজ হবে। কিন্তু কাজ যেন সঠিকভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নের প্রতিটি টাকার পাই পাই হিসাব নিতে হবে। কেউ যেন উন্নয়নের টাকা আত্মসাৎ করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের কোনো এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকবে না। প্রতিটি রাস্তা ও এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে রাস্তাঘাটসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।’ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পনাউল্লাহ বাজার প্রাঙ্গনে  অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।  ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলতাব আলীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান লিটন চেয়ারম্যানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. ময়নুল হক, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম  উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, যুক্তরাজ্যের নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ আলী মেম্বার। আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সাদেক আলী, দুলাল মিয়া, যুবদল নেতা দিলওয়ার মিয়া,  সুমন মিয়া, জাসাস নেতা আলাল মিয়া, সেচ্ছাসেবক দল নেতা আতিকুর রহমান,  ওয়ার্ড বিএনপি নেতা  নুর মিয়া মেম্বার, পর্তুগাল প্রবাসী ও সাবেক ছাত্রনেতা সুমন মিয়া,  সুন্দর আলী, সয়ফুল মিয়া, ময়না মিয়া, শাহিন আহমদ মেম্বার, আলকাছ মিয়া প্রমূখ।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
শাহজালালের ডেকচিতে বার্তা, সিলেটে মসজিদে দ্রুতগতির নামাজ নিয়ে অসন্তোষ

শাহজালালের ডেকচিতে বার্তা, সিলেটে মসজিদে দ্রুতগতির নামাজ নিয়ে অসন্তোষ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারের ডেকচি খোলে টাকার সঙ্গে অজ্ঞাত এক ভক্ত বা দর্শনার্থীর হাতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। চিরকুটটিতে সিলেট শহরের অধিকাংশ মসজিদে জোহর ও আসরের ফরজ নামাজ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে আদায় করা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। হাতের লেখা ওই চিরকুটে বলা হয়েছে- ‘সিলেট শহরের বেশিরভাগ মসজিদেই জোহর ও আসরের ফরজ নামাজ ৫ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যেই শেষ। আপনি চিন্তা করছেন- ইমাম সাহেবরা এত ব্যস্ত, এত দ্রুত বিদ্যুতের গতিতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরা মিলাই, যেখানে পিছনের মুসল্লিরা সূরা ফাতিহা শেষ করতে পারে না। ইমাম সাহেবরা কি সূরা মুখস্ত পড়ে নাকি সহি শুদ্ধভাবে পড়ে।’ চিরকুটটির শেষে তারিখ হিসেবে ১/১০/২৫ এবং লেখকের পরিচয়ের স্থানে ‘উদ্যোক্তা’ লেখা রয়েছে। পঞ্চমবারের মতো প্রকশ্যে গণনা করা হচ্ছে সিলেটের হযরত শাহজালাল রাহ. মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সের টাকা এবং হাদিয়া। যেগুলো ভক্তবৃন্দরা দান করে থাকেন।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ  জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  বরাবারের মতো এবার মিলছে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও। সেই সাথে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত চিরকুট বা চিঠি।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
গোয়াইনঘাটে জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

গোয়াইনঘাটে জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসনের গতিশীলতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাদ জুমা গোয়াইনঘাট শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সচেতন ছাত্র ও যুব সমাজ, গোয়াইনঘাট উপজেলা’ -এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোনের অন্যতম সংগঠক ছাত্রনেতা আমিরুল ইসলাম আমিন এবং সঞ্চালনা করেন ছাত্রনেতা গোলাম হোসেন আজম। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, গোয়াইনঘাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবুল, ইত্তেহাদুল উম্মাহ একাডেমির পরিচালক সুলতান মাহমুদ, তোফায়েল আহমদ উসমানী, আব্দুর রাহমান, মাহদি হাসান মাহফুজ ও দেলওয়ার হোসেন প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পুলিশি টহল, অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। মানববন্ধন শেষে বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুকের কাছে পাঁচ দফা দাবিসংবলিত একটি লিফলেট তুলে দেন। এ সময় তাঁরা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
মৌলভীবাজারে হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে

মৌলভীবাজারে হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে

মৌলভীবাজারে হামের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। গত কয়েক মাসে শিশুসহ সকল বয়সী নারী-পুরুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত জেলায় হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ জন।   সিভিল সার্জন সুত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালে জেলায় ১৮ জনের হামে মৃত্যু হয়েছে এর মধ্যে কুলাউড়া ৬ জন, সদর ৩ জন, শ্রীমঙ্গল ৩ জন, কমলগঞ্জ ৩ জন, রাজনগর ১ জন, জুড়ী ১ জন ও বড়লেখায় ১ জন। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩১৬ জনে।   জেলায় হামের নিশ্চিত উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে ১৭১ জন। এর মধ্যে রুবেলার উপসর্গ ২ জনের মাঝে। পাশাপাশি ডেঙ্গু, জ্বর, সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।   এ দিকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৯ জন শিশুসহ ৪৬ জন ভর্তি রয়েছেন। এছাড়াও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৪ জন, মেডিসিন ওয়ার্ডে ১০২ জন, শিশু ওয়ার্ডে ৩৭ জন এবং শিশু স্ক্যান ওয়ার্ডে ১৮ জন রোগী ভর্তি আছেন।   মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জাকির হোসেন বলেন, টিকা নেওয়ার পরও মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং তাদেরকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। টিকা দেওয়ার পরও তা কার্যকর না হওয়ায় টিকার গুণগত মান, কোল্ড চেইন রক্ষণাবেক্ষণ নাকি টিকাদান কর্মসূচির তদারকিতে গাফিলতি ছিল তা নিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা এখন গভীর প্রশ্নের মুখে। আমরা বলেছি দ্রুততম সময়ে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ও বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর জন্য।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
বিয়ানীবাজারে চারাবইয়ে মাদক বিরোধী সভা

বিয়ানীবাজারে চারাবইয়ে মাদক বিরোধী সভা

বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের চারাবই বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকবৃন্দ। মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে  বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় চারাবই বাজারে এক বিশাল মাদকবিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মারুফ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সিলেট জেলার সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক 'আজকের বসুন্ধরা' পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এম. এ রশীদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির ও প্রধান বক্তা ছিলেন থানার পরিদর্শক তদন্ত (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্যাটেলাইট টেলিভিশন 'চ্যানেল এস' এর সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রতিনিধি মোঃ নজরুল ইসলাম, দিলদার হোসেন খান বেলাল, মৌলানা আব্দুল আউয়াল, সিলেট লালদীঘি পার হকার্স মার্কেটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাসহুদ আহমদ মাসুদ, শফি আহমদ মুন্না, চারাবই বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খছরুল হোসেন, ফয়জুর রহমান এছনু, ৪নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাবেদ আহমদ। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা মাদকের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বলেন, মাদক কেবল একটি ব্যক্তি বা পরিবারকে ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এটি এক মারাত্মক হুমকি। তরুণ সমাজকে এই মরণব্যাধি থেকে দূরে রাখতে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাই যথেষ্ট নয়, বরং এর জন্য তীব্র সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। এই আন্দোলনে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিয়ানীবাজার থানার ওসি মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের 'জিরো টলারেন্স' নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
শাহজালালের দানবাক্সে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ‘রাজনৈতিক আবেদনপত্র’!

শাহজালালের দানবাক্সে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ‘রাজনৈতিক আবেদনপত্র’!

সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারের দানবাক্সে টাকার পাশাপাশি নিয়মিতই পাওয়া যায় ভক্ত ও সাধারণ মানুষের নানা আবেদন, আকুতি ও চিঠি। তবে এবার দানবাক্স খোলার পর পাওয়া গেছে একটি ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক আবেদনপত্র, যা সরাসরি সম্বোধন করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) মাজারের দানবাক্স খোলার পর দেশি-বিদেশি মুদ্রার মাঝখান থেকে হাতে লেখা এই চিঠিটি উদ্ধার করা হয়। কাগজে ‘আবেদন পত্র’ শিরোনাম দিয়ে লেখা চিঠিটিতে আবেদনকারী লিখেছেন- জনাব তারেক রহমান, আমি চাই, নিম্নস্থানে বি.এন.পি'র সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে S.S.C পাশ বাধ্যতামূলক এবং G.P.A 2.50 পয়েন্ট থাকতে হবে। এবং কর্মী হিসেবে H.S.C পাশ বাধ্যতামূলক নিম্নে G.P.A 3.50 পয়েন্ট থাকতে হবে। এক কথায় ১ম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী S.S.C দেওয়া আগ পর্যন্ত বি.এন.পির রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবে না।" চিঠিতে নিজের অভিজ্ঞতা ও আকুল আকুতি প্রকাশ করে আরও বলা হয়- আমি ২০১১ সালে রাজনীতিতে এসেছে এবং ওই সালেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। অস্ত্র এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিদের [কারণে]... I want the change to come through you..." (আমি চাই পরিবর্তনটি আপনার মাধ্যমেই আসুক...)। পঞ্চমবারের মতো প্রকশ্যে গণনা করা হচ্ছে সিলেটের হযরত শাহজালাল রাহ. মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সের টাকা। যেগুলো ভক্তবৃন্দরা দান করে থাকেন।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ  জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  বরাবারের মতো এবার মিলছে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও। সেই সাথে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত চিরকুট বা চিঠি।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
‘ভাই হাজার কোটি টাকার মালিক হোক, কিন্তু আমার যন্ত্রণাটা মানুষ জানুক’

‘ভাই হাজার কোটি টাকার মালিক হোক, কিন্তু আমার যন্ত্রণাটা মানুষ জানুক’

হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার—যেখানে প্রতিদিন হাজারো ব্যাকুল হৃদয় জমা হয় মনের গহিনের গোপন কষ্ট, জমে থাকা অভিমান আর প্রার্থনার আকুতি নিয়ে। দরগাহের দানবাক্সগুলো কেবল দান-অনুদান নয়, ধারণ করে অজস্র মানুষের অশ্রু আর বুকচাপা দীর্ঘশ্বাসের ইতিহাস। বরাবরের মতো এবারও দানবাক্স খোলার পর পাওয়া গেছে তেমনই এক ভক্তের বেদনাবিধুর চিঠি, যেখানে উঠে এসেছে এক ভাইয়ের হাতে আরেক ভাইয়ের স্বপ্নভঙ্গের করুণ গল্প। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সগুলো খোলার পর দেশি টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রার স্তূপের মাঝখান থেকে উদ্ধার করা হয় চিঠিটি। চিঠিটি লিখেছেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বাসিন্দা আবু বক্কর ছিদ্দিক। চিঠিতে বক্কর তাঁর নিজের বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে চরম প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। পরিবারের সবার ছোট বক্কর লিখে জানান, তাঁকে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যে আশা দিয়ে গেছেন তাঁর ভাই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে স্বপ্ন তো পূরণ হয়ইনি, উল্টো ভাইয়ের এই প্রতারণায় তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এই বিশ্বাসভঙ্গের বেদনা সইতে না পেরে তিনি দিন দিন অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন। তবে ভাইয়ের ওপর ক্ষোভ থাকলেও মোনাজাতে তাঁর ক্ষতি চাননি বক্কর। চিঠিতে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে আকুতি জানিয়ে লিখেছেন, তাঁর ভাই যেন ‘হাজার কোটি টাকার মালিক’ হন। কিন্তু একই সঙ্গে নিজের বুকচাপা কষ্টের বোঝা কিছুটা হালকা করতে মাজার কর্তৃপক্ষের কাছে এক কাতর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। বক্করের আকুল প্রার্থনা—তাঁর এই চিঠিটি যেন গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়, যেন পৃথিবী জানতে পারে এক ছোট ভাইয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কতটা গভীর যন্ত্রণা। পঞ্চমবারের মতো প্রকশ্যে গণনা করা হচ্ছে সিলেটের হযরত শাহজালাল রাহ. মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সের টাকা। যেগুলো ভক্তবৃন্দরা দান করে থাকেন।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ  জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  বরাবারের মতো এবার মিলছে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও। সেই সাথে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত চিরকুট বা চিঠি। 

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
শাহজালালের ডেকচিতে স্বামীর চাকরির জন্য ‘প্রার্থনাপত্র’, প্রবাসীদের ‘মাথা উঁচু’ রাখার আবদার

শাহজালালের ডেকচিতে স্বামীর চাকরির জন্য ‘প্রার্থনাপত্র’, প্রবাসীদের ‘মাথা উঁচু’ রাখার আবদার

পঞ্চমবারের মতো প্রকশ্যে গণনা করা হচ্ছে সিলেটের হযরত শাহজালাল রাহ. মাজারের ডেকচি ও দানবাক্সের টাকা। যেগুলো ভক্তবৃন্দরা দান করে থাকেন।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ  জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  বরাবারের মতো এবার মিলছে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও। সেই সাথে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত চিরকুট বা চিঠি। এরকম দুটি চিরকুট ইতোমধ্যে পেয়েছেন গণনাকারীরা। এর মধ্যে স্বামীর চাকরি চেয়ে এক স্ত্রীর ‘প্রার্থনাপত্র’ ও অপরটি রাষ্ট্রচিন্তার। ‘প্রার্থনাপত্রে’ স্ত্রী চেয়েছেন- ‘‘হে শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি, আপনার উছিলায় আমার আহাল (স্বামী)- উনাকে একটা ভালো চাকরি দিন এবং উনার মানসিক শান্তি দান করুন।’’ অপর চিরকুটে একজন লিখেছেন- ‘‘যাঁরা হবে রাষ্ট্র ক্ষমতা পাবে, যদিই প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়া হলে, আমাদের কাছে ঋণী থাকবে। উপহার চাই একজন মেধাবী ও (সৎ)   প্রতিনিধি, যার মাধ্যমে আমাদের মাথা উঁচু থাকবে।’’  

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ছবি-ভিডিও প্রকাশ, যুবক গ্রেফতার

সিলেটে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ছবি-ভিডিও প্রকাশ, যুবক গ্রেফতার

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর অশ্লীল ছবি ধারণ ও পরবর্তীতে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় প্রধান আসামি শিহাব আহমদকে (২২) হবিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯ (সিপিএসসি, সিলেট) এবং সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন ওলিপুর রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। শিহাব আহমদ সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার বারহাল গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে। এসআরবি সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম শিশুটি গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে বারহাল বাজারস্থ ইলিয়াছ মার্কেটের সামনে পৌঁছালে শিহাব আহমদ কৌশলে তার পথরোধ করে। সে ভিকটিমকে জানায় যে, তার বাবা স্কুলের উপবৃত্তির আবেদনের ছবি তোলার জন্য মার্কেটের দ্বিতীয় তলার 'রাজ স্টুডিও'তে অপেক্ষা করছেন। সরল বিশ্বাসে ছাত্রীটি দ্বিতীয় তলায় উঠতে গেলে শিহাবও তার পিছু নেয়। সিঁড়ির পাশে পৌঁছালে শিহাব তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পরিহিত কাপড় ছিঁড়ে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি কাউকে জানালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীর বাবা ও ভাইয়ের মোবাইল ফোনে ধারনকৃত আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়। এছাড়া মামলার ২ নম্বর আসামি আল আমিন আহমদ তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে এসব ছবি ও ভিডিও প্রচার করলে ভিকটিমের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর এসআরবি-৯ এর দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অবশেষে মূল আসামিকে গ্রেফতার করে। এসআরবি-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান- পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।  

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট সীমান্তে ২৪ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

সিলেট সীমান্তে ২৪ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

সিলেট সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৮ বিজিবি)। শনিবার (২৪ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বাধীন বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় একযোগে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বাংলাবাজার, লাফার্জ, পান্থুমাই, তামাবিল, সংগ্রাম, প্রতাপপুর, সোনারহাট এবং ডিবিরহাওর বিওপির টহল দল নিজ নিজ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানকালে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ মদ, শাড়ি, কম্বল, গরু, টমেটো, ফুচকা, সাবান, ফল, চুইংগাম, চিনি, কিসমিস ও আলু জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ শিং মাছও আটক করা হয়। জব্দকৃত এসব চোরাচালানি মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। এ বিষয়ে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, সীমান্তে সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান রোধ এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। আটক করা চোরাচালানি মালামালসমূহের বিষয়ে বিধি মোতাবেক পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
লিবিয়ার কারাগারে সিলেটি একজনের মৃত্যু

লিবিয়ার কারাগারে সিলেটি একজনের মৃত্যু

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে নিজের মুদি দোকান ও জমি বিক্রি করে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন মতব্বির হোসেন (৫০)। স্বপ্ন ছিল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশ গ্রিসে পৌঁছানোর। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। লিবিয়ার গানপুদা কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মতব্বির হোসেন সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের মৃত আওর বখতের ছেলে। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। গত বুধবার তাঁর মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছায়। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার মাস আগে জীবিকার সন্ধানে বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মুদি দোকান ও ২০ শতাংশ জমি ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেন মতব্বির। পরে স্থানীয় একটি মানবপাচারকারী চক্রের মাধ্যমে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়ায় যান তিনি। সেখান থেকে নৌপথে গ্রিসে পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। জানা যায়, গত চার মাসে তিনবার নৌকায় করে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা করেন মতব্বির। তবে প্রতিবারই ব্যর্থ হন। সর্বশেষবার গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টাকালে লিবিয়ার পুলিশের হাতে আটক হয়ে গানপুদা কারাগারে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, মতব্বির আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। দেশে থাকাকালে তাঁর বাইপাস অস্ত্রোপচারও হয়েছিল। কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় হৃদরোগের জটিলতা বেড়ে গেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাঁকে লিবিয়ার আলফা মিথিন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তাঁর মরদেহ হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার। তবে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মতব্বিরের একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়েছে। তাঁর এক ছেলের বয়স মাত্র নয় বছর। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে তাঁর পরিবার। স্বামীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন স্ত্রী ফিরোজা বেগম। স্বামীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো বিদায় জানানোর সুযোগ করে দিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : সিলেটের আরও দুই শিশু না ফেরার দেশে

হাম-উপসর্গ : সিলেটের আরও দুই শিশু না ফেরার দেশে

সিলেটে হামকে থামানো যাচ্ছে না কিছুতেই। একদিনে প্রাণ কেড়েছে দুই শিশু। এর আগের তিনজনের।  গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী দুই শিশুর বাড়িই সুনামগঞ্জ জেলায়। একজনের নাম সিফাত (৩ মাস) ও অপরজনের নাম দ্রিনি (১০ মাস)।  তাদের নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০২ জনে। এর মধ্যে সিলেটে ৮৩ জন, হবিগঞ্জে ৩২ জন, মৌলভীবাজারে ১৬ জন এবং সুনামগঞ্জে ৭১ জন মারা গেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক কার্যালয় সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। এদিকে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৫ জন। তাদেরসহ বর্তমানে সিলেটে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৬৮ জন। তাদের মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন।  এছাড়া মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৩০ জন, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ২২ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২০ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৯ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর বাইরে নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৫ জন এবং বিশ্বনাথ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন করে মোট ৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের তথ্যমতে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৫ জনে। যার মধ্যে সিলেটে ৪৪২ জন, হবিগঞ্জে ১৫৮ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন।

২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
বাড়লো পত্রিকার বিজ্ঞাপন রেট, সিলেটের জন্য যত

বাড়লো পত্রিকার বিজ্ঞাপন রেট, সিলেটের জন্য যত

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ এবং অর্থ বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে সংবাদপত্র ও বিভিন্ন সাময়িকীর জন্য নতুন সরকারি বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্রের হার পুনর্নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-১ শাখা থেকে গত ১৩ অক্টোবর এই পরিপত্র প্রকাশ করা হয়। নতুন এই হার অবিলম্বে কার্যকর হবে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নম্বর ২১.১০(৬) এবং অর্থ বিভাগের গত ৮ ফেব্রুয়ারি ও ৯ আগস্টের সম্মতিপত্রের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরিপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে। দৈনিক পত্রিকার ক্ষেত্রে প্রচারসংখ্যা ও প্রকাশনার স্থানের উপর ভিত্তি করে সিলেট বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের প্রতি কলাম ইঞ্চির হার নির্ধারণ করা হয়েছে: ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য ৪৫০ টাকা।  এছাড়া ৭ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৭ টাকা হারে, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৬ টাকা হারে, ৫০ হাজার ১ থেকে ৯০ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৫ টাকা হারে বৃদ্ধি পাবে এবং ৯০ হাজার ১ ও তদূর্ধ্ব প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৪ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত হবে। একই দর ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের জন্য। অপরদিকে, অন্যান্য বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য ৪২০ টাকা নির্ধাররণ করা হয়ছে। এছাড়া ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৬ টাকা হারে, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৫ টাকা হারে, ৫০ হাজার ১ ও তদূর্ধ্ব প্রচার সংখ্যার পত্রিকার জন্য প্রতি হাজারে ৪ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ টাকা পর্যন্ত হবে। জেলা শহর ও অন্যান্য স্থান থেকে প্রকাশিত : ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ প্রচার সংখ্যা : ৪০০ টাকা। ৪,০০১ থেকে ৩০,০০০ প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৬ টাকা হারে বৃদ্ধি পাবে। ৩০,০০১ ও তদূর্ধ্ব প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৫ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা পর্যন্ত হবে। তবে, প্রচারসংখ্যা ৫০০ বা তার বেশি হলে তাকে ১,০০০ ধরে হিসাব করা হবে। সাময়িকী ও অন্যান্য পত্রিকার বিজ্ঞাপন হার : অর্ধ-সাপ্তাহিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ও ত্রৈমাসিক পত্রিকার জন্য আলাদা বিজ্ঞাপন রেট পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে প্রকাশিত : ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ প্রচার সংখ্যা : ২৫০ টাকা। ৪,০০১ থেকে ১০,০০০ প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৬ টাকা হারে বৃদ্ধি পাবে। ১০,০০১ ও তদূর্ধ্ব প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৫ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা হবে। অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহর থেকে প্রকাশিত : ২,০০০ থেকে ৩,০০০ প্রচার সংখ্যা : ২৫০ টাকা। ৩,০০১ থেকে ১০,০০০ প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৬ টাকা হারে বৃদ্ধি পাবে। ১০,০০১ ও তদূর্ধ্ব প্রচার সংখ্যা : প্রতি হাজারে ৫ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা হবে। বিশেষ পাতা ও রঙিন বিজ্ঞাপনের নিয়মাবলী : প্রথম ও শেষ পাতা : সাধারণ ভেতরের পাতার রেটের তুলনায় প্রথম পাতায় ৮০ শতাংশ এবং শেষ পাতায় ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত রেট যুক্ত হবে। বিশেষ ক্রোড়পত্র ও রঙিন বিজ্ঞাপন : বিশেষ দিবসে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে রঙিন বিজ্ঞাপনের জন্য প্রতি রঙের বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত চার্জ যুক্ত হবে। শর্তাবলী ও বাস্তবায়নকারী সংস্থা : পরিপত্রে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, পুনর্নির্ধারিত এই বিজ্ঞাপন হার শুধুমাত্র সরকার এবং সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর জন্য কার্যকর হবে। প্রতিটি সংবাদপত্রের প্রাপ্য হার সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করার দায়িত্ব পালন করবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি)। এছাড়াও, ২০০৮ সালের বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালা এবং ২০১৩ সালের সংশোধিত প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদকের ভ্রাতৃবিয়োগে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শোক

সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদকের ভ্রাতৃবিয়োগে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শোক

সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদেরর বড় ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেছার আহমদ ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন- সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদের বড় ভাই নেছার আহমদের মৃত্যু সংবাদে তার পরিবার-পরিজনদের মতো আমিও গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। ধার্মিক ও সজ্জন মানুষ হিসেবে তাকে এলাকার সকলেই সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন। দোয়া করি- মহান রাব্বুল আলামীন যেন মরহুম নেছার আহমদকে জান্নাতুল ফিরদাউস এবং গভীর শোকে ম্রিয়মান তাঁর পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন। উল্লেখ্য, সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদেরর বড় ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেছার আহমদ মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
দক্ষিণ সুরমায় সড়কের পাশে লাশ

দক্ষিণ সুরমায় সড়কের পাশে লাশ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন মোগলাবাজার থানার পূর্ব শ্রীরামপুর এলাকার উলাকিপাড়ায় রাস্তার পাশে অজ্ঞাত এক পুরুষের লাশ পাওয়া গেছে। জুমআর নামাজের পর স্থানীয়রা লাশটি দেখতে পেয়ে খবর দিলে থানাপুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হলেন ইমাউল হক দৈনিক সচিত্র সিলেটকে বলেন- নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। স্থানীয়রা বলছেন- ওই ব্যক্তি গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ওসি বলেন- নিহতের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ শুরু করেছে। লাশের ময়না তদন্ত হবে।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
এনসিপি’র পুনর্গঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে সিলেটের যারা

এনসিপি’র পুনর্গঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে সিলেটের যারা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর, ২০২৬) দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পুনর্গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে মো. নাহিদ ইসলাম-কে আহ্বায়ক এবং আখতার হোসেন-কে সদস্যসচিব করা হয়েছে। নবগঠিত এই আহ্বায়ক কমিটিতে মোট ১৩৯ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মূল কমিটির পাশাপাশি ১৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল এবং এ.কে. ফ্লোরা। অপরদিকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, এস.এম. সাইফ মুস্তাফিজ, মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক ও মো. আতাউল্লাহকে। এর পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বিভিন্ন সম্পাদকীয় বিভাগ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ও সদস্য পদ বন্টন করা হয়েছে। পৃথকভাবে ঘোষিত ১৬ সদস্যের 'রাজনৈতিক পর্ষদ'-এর সদস্যরা হলেন- মো. নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম।  এদিকে, কেন্দ্রীয় এই কমিটিতে জায়গা হয়েছে সিলেট বিভাগের ৬ জনের। তারা হলেন- ​এহতেশাম হক (কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক), ​প্রীতম দাশ (কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক), ​প্রকৌশলী কামরুল আরিফ (কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক), ​নাহিদ উদ্দিন তারেক (কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), ​প্রকৌশলী রাশেদুল আলম (তথ্য বিষয়ক সম্পাদক) এবং ​ব্যারিস্টার নূরুল হুদা জুনেদ (প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক)।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
টার্গেট কিলিংয়ে বাড়ছে উদ্বেগ-আতঙ্ক

টার্গেট কিলিংয়ে বাড়ছে উদ্বেগ-আতঙ্ক

সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক টার্গেট কিলিংয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কখনো প্রকাশ্যে দিনদুপুরে, আবার কখনো রাতের আঁধারে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। সাংবাদিক থেকে রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ কেউ রেহাই পাচ্ছেন না। গত ১০ দিনে অন্তত সাতজনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার এবং অপরাধী দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে। সিলেটে সর্বশেষ গত মঙ্গলবার কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের মৃত মুদরিছ আলীর পুত্র সিএনজি চালক শাহাব উদ্দিনকে তাহার বাড়ির পাশে সামতলা নামক স্থানে কুপিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। হত্যার পরপরই তাৎক্ষণিক কানাইঘাট থানা পুলিশ দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় পৌছে প্রথমে একই গ্রামের মুজন আলী ও তার ছোট ছেলে কিবরিয়াকে আটক করে এবং সীমান্তবর্তী পাহাড়ী দুর্গম এলাকা হওয়ায়, মূল আসামীদের গ্রেফতারে এলাকার মানুষের সহযোগীতা চেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশের একাধিক টিম তাৎক্ষণিক সাড়াশি অভিযান শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গ্রেফতারকৃতরা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। যার কারনে শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে উঠেন এবং তারা এই হত্যাকারীদের পুলিশে ধরিয়ে দিতে সীমান্ত এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে উৎপেতে থাকেন। একপর্যায়ে বিকেল ৪টার দিকে একই এলাকার বাগরা নামক স্থানের একটি বাড়িতে মুজন আলীর পুত্র জাকারিয়া, ইয়াহিয়া ও শাহরিয়াকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন। পরে এলাকার লোকজন সেখান থেকে এই ৩জনকে ধরে নিয়ে নিহত শাহাব উদ্দিনের বড় ভাইয়ের বাড়িতে এনে আটক করে রাখে। সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এছাড়া বৃহস্পতিবার ভোরে খুলনা নগরের পূর্ব-বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সদর থানার পূর্ব বানিয়াখামার আনসার আলী গলির সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনের আলো ফোটার আগেই এমন হত্যাকাণ্ড নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জহির ফকির নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে জহির ফকির নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে ১৫/২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ তার পথ আটকে দেন। এরপর তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে আমার মামার দ্বন্দ্ব ছিল। মামা আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকায় পরিকল্পিতভাবে এই হত্যা করা হয়েছে।’ ওদিকে বুধবার ভোরে মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা: গত ১৫ই অক্টোবর রাতে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নামের এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়। রাত সোয়া আটটার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের তেলনজিয়া গ্রামের একটি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলিফ বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোণা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন তিনি। ওই পেজে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধ নিয়ে লেখালেখি করতেন। ঘটনার সময় তিনি তেলনজিয়া বাজারে শ্বশুরবাড়ির কাছে একটি দোকানে চা পান করে বের হচ্ছিলেন। এ সময় দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা কিছুটা দূরে রাখা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সীতাকুণ্ডে যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা: গত ১৬ই অক্টোবর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তারেক হোসেন বাপ্পি (২৬) নামের এক যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তাফসির আলম শাওন (২২) নামের আরেক যুবদলকর্মী গুরুতর আহত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন দুর্বৃত্ত যুবদল নেতা সাদ্দামের কার্যালয়ের সামনে তারেক ও শাওনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করেও তারা হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পাননি। হামলার শেষ পর্যায়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ১৬ই অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ১৪ মামলার আসামি পিয়ারুল ইসলাম (৩০) নামে ব্যক্তি নিহত হন। পিয়ারুল বাড়ি থেকে বের হয়ে সজ্জনকান্দা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে এশার নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে বের হওয়ার পরপরই মোটরসাইকেলে আসা একদল লোক তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের মাথায় হেলমেট ও মুখে মাস্ক ছিল। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, পিয়ারুলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনসহ অন্তত ১৫টি মামলা ছিল । সমাজ-বিশ্লেষকরা বলছেন- যে হত্যাকাণ্ডগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে, সেটি তো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকেই ইঙ্গিত করে। বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠ নির্দেশকের পরিবর্তে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দেয়ার প্রবণতা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করছে। হত্যাকাণ্ড, টার্গেট কিলিং, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক সংঘাতের মতো ঘটনাকে অস্বীকার করা বা রাজনৈতিক দোষারোপে সীমাবদ্ধ রাখার ফলে প্রকৃত অপরাধী ও ভুক্তভোগীরা আড়ালে থেকে যায়। অপরাধীরা যখন মনে করে যে তারা শাস্তি এড়িয়ে যেতে পারবে কিংবা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় পাবে, তখন অপরাধপ্রবণতা বাড়ে। উৎসবকেন্দ্রিক ব্যস্ততার সুযোগও অপরাধীরা কাজে লাগায়। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে বিদ্যমান সমস্যাগুলো স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।  

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট বিভাগে চ্যাম্পিয়ন অগ্রগামী বালিকা

সিলেট বিভাগে চ্যাম্পিয়ন অগ্রগামী বালিকা

‘বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানেই মুক্তি’ স্লোগানে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএফএফ-সমকাল ১২তম জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব। এতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। রানার্সআপ হয়েছে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ইসলামী একাডেমি অ্যান্ড হাইস্কুল। বৃহস্পতিবার নগরের জিন্দাবাজার তাতীপাড়ার দি এইডেড হাইস্কুলের হলরুমে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছয় জেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দল অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ইসলামী একাডেমি অ্যান্ড হাইস্কুল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আনন্দময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি, তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে। দিনভর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিতর্ক শেষে শিরোপা জিতে নেয় স্বাগতিক সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিজ্ঞানের কল্যাণে প্রযুক্তি বিশ্বকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। দৈনন্দিন জীবন থেকে আধুনিক সভ্যতার প্রতিটি অগ্রগতিতেই বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। সমাজ ও সভ্যতার জটিল প্রশ্নের সমাধানও বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সূত্র ও যুক্তির মধ্যে নিহিত। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী প্রজন্ম গড়ে তুলতে বিতর্ক প্রতিযোগিতার ভূমিকা অপরিসীম। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসু ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার বিকাশ ঘটায়, যা ভবিষ্যতে সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমকাল সিলেট ব্যুরোপ্রধান মুকিত রহমানীর সভাপতিত্বে এবং জেলা সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি তামিম রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সমকালের সিলেট ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার ফয়সল আহমদ বাবলু। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোকাদ্দেস বাবুল, সিলেট ডিবেট ফেডারেশনের অফিস সেক্রেটারি সানজিদা সাফা মজুমদার এবং সংগঠনটির অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সাদিয়া রহমান অন্তু। বিকেলে বিজয়ী দলের বিতার্কিকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমকাল সিলেট ব্যুরোর স্টাফ ফটোসাংবাদিক ইউসুফ আলী, সুহৃদ ও রাজনীতিবিদ তালুকদার মকবুল হোসেন, সমাজসেবী জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার, সমকালের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) সংবাদদাতা হাফিজুল ইসলাম, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল আহসান এবং সমকাল সুহৃদ তানজিনা আক্তার শিরিন, হাবিবুর রহমান তানভীর, জুনায়েদ আহমদ, মাইন উদ্দিন, মুনিরা রহমানী মাহা, আহমদ আব্দুল্লাহ সিনদীদ ও আহমদ ইবাদ উল্লাহ যাকওয়ানসহ অনেকে।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
এইচএসসির ফল ২৯ অক্টোবর নয়, ছড়িয়েছে ভুয়া খবর

এইচএসসির ফল ২৯ অক্টোবর নয়, ছড়িয়েছে ভুয়া খবর

আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে— সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ও সময় উল্লেখ করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা ও ফলসংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত, বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কমিটি। একই সঙ্গে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
দুবাইয়ে দুর্ঘটনায় ফেঞ্চুগঞ্জের যুবকের মৃত্যু, একনজর দেখার অপেক্ষায় মা

দুবাইয়ে দুর্ঘটনায় ফেঞ্চুগঞ্জের যুবকের মৃত্যু, একনজর দেখার অপেক্ষায় মা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত রবিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। লাশটি বর্তমানে সে দেশের একটি হসপিটালের হিমাগারে রয়েছে। ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে আহাজারি করছেন মা, অপেক্ষায় পুরো পরিবার। নিহত মুহিবুর রহমান রুমেল (২৭) ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর (ছবুটিল্লা) গ্রামের মরহুম মতিউর রহমানের ছেলে। জানা যায়, ২০২৩ সালে আরব আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন রুমেল। গত রবিবার আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় বিকালে বন্ধুদের সঙ্গে গাড়িতে করে অন্য কোথাও যাচ্ছিলেন রুমেলসহ ৫ জন আরোহী। দ্রুতগতিতে চলা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান রুমেল ও মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামের তাজিম আহমদ (২৬)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় অপর ৩ আরোহীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তারা আবুধাবির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ রুমেল। প্রিয়জনের লাশ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো দেখার জন্য সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। রুমেলের কথা স্মরণ করে তার বৃদ্ধ মা শেফা বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। মা শেফা বেগম বলেন, আমার বুকের মানিক আমার সন্তান রবিবার দিনে আমার সঙ্গে কথা বলল। রাতে শুনি আমার ছেলে এই দুনিয়ায় নাই। আমার ছেলেকে শেষবারের মতো একটিবার দেখতে চাই। ছেলের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
হাম-উপসর্গ : একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু, দুই শ’র ঘরে লাশ

হাম-উপসর্গ : একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু, দুই শ’র ঘরে লাশ

ভয়ংর রোগ হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে সিলেটে একদিনে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ তিনজনকে নিয়ে মৃত্যু পৌঁছলো দুই শ’র ঘরে। গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিন শিশু মৃত্যুবরণ করে। এ তিনজন হলো- সিলেটের বিয়ানীবাজারের শহীদুল ইসলামের ১ বছর বয়সী ছেলে আবদুল্লাহ আল সাফওয়ান, কোম্পানীগঞ্জের মকবুল হোসাইনের ৯ মাস বয়সী ছেলে জিসান আহমেদ এবং হবিগঞ্জ সদরের মিজানুর রহমানের ৩ মাস ২৪ দিন বয়সী শিশু জায়ান।    তাদের নিয়ে সিলেট বিভাগে এ বছর ২ শ জন মারা গেছেন হাম ও উপসর্গে। এর মধ্যে সিলেটে সর্বোচ্চ ৮৩ জন। বাকি তিন জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জে ৬৯, হবিগঞ্জে ৩২ ও মৌলভীবাজারে ১৬ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক কার্যালয় সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। এদিকে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল থেকে আজ শুক্রবর সকাল ৮টা পর্যন্ত) সিলেট বিভাগে একদিনে ৯৪ জন হাম-উপসর্গের রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের নিয়ে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৪৩২ জন রোগী চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৬ জন, ওসমানী মেডিকেলে ১৭৯ জন, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ২৩ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১৯ জন এবং রাগীব-রাবেয়া মেডিকেলে ১৬ জন, পার্কভিউ মেডিকেলে ২০ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৫ জন এবং বিশ্বনাথ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন। জানা গেছে, চলতি বছর এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৫ জনে।

২৩ই অক্টোবর, ২০২৬
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক অভিযানে লাখ টাকা জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক অভিযানে লাখ টাকা জরিমানা

সিলেটে টিলা কেটে পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে টিলা কাটার অপরাধে দুই ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর গ্রাম ও সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর চৌমুহনী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।   দুপুর ১টায় গোলাপগঞ্জের ধারাবহর গ্রামে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ ফুয়াদ। সেখানে টিলা কেটে ঘর নির্মাণের অপরাধে এক ব্যক্তিকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, বিকেল ৩টায় খাদিমনগর চৌমুহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিহাব সারার অভী। সেখানেও টিলা কাটার অপরাধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।   অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর ও শাহপরাণ (রহ.) থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে। এ বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টিলা কাটার বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। টিলা কাটা ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

সৌদি আরবে হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে আঘাতের ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ১৮ মে’র পর এই প্রথম তেলের দাম ১১২ ডলারে পৌঁছাল। বুধবার ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। দাম্মামের একটি বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত এবং আটজন আহত হন। এ ছাড়া সৌদি আরবের একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত হন। অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বুধবার উত্তর উপসাগরীয় অঞ্চলে ‘অবৈধ’ তেল স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত চারটি জাহাজে আঘাত হানা হয় এবং সেগুলোতে আগুন ধরে যায়। ইরানি বাহিনী জাহাজগুলোকে অনুসরণ করার পর এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে তিনটি জাহাজ মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে ইরান বলেছে, উসকানি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এদিকে, সৌদি আরবে অবস্থিত কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন থেকে কিছু কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি মিশন থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে দেশটির। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকো ধাহরানে তাদের সদর দপ্তরের কর্মীদের সরিয়ে নিয়ে দূর থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। অঞ্চলটিতে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। প্রায় আট মাস আগে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যত অবরোধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছিল। তখন আশঙ্কা করা হয়েছিল, এটি জ্বালানি বাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকট তৈরি করতে পারে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সংঘাতের প্রথম কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজার বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত ওঠার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। সংঘাত চলাকালে গত এপ্রিলে তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে পৌঁছেছিল। মে মাসের শেষ দিকে তা আবার ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। পরে জুলাইয়ের শুরুতে যুদ্ধবিরতির আশায় দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর তেলের দাম আবার বাড়তে থাকে। তবে জ্বালানি তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানির পরিমাণ এখন যুদ্ধ-পূর্ববর্তী মাত্রা ছাড়িয়েছে। এর একটি কারণ হলো, পাইপলাইনের মাধ্যমে স্থলপথে লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগর এলাকায় তেল পরিবহনের পরিমাণ বৃদ্ধি। বিশ্ববাজারেও শেয়ারদরে পতন তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ও ঋণ গ্রহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। ইউরোপের প্রধান কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে গঠিত স্টক্স ইউরোপ ৬০০ সূচক ১ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক কমেছে ০ দশমিক ৭ শতাংশ। এশিয়ার বাজারে জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচকের পতন হয়েছে ৩ শতাংশ। জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়েছে বিমান পরিবহন খাতেও। যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনস কোম্পানি আমেরিকান এয়ারলাইনসের শেয়ার প্রাক্-বাজার লেনদেনে প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক উচ্চ ব্যয়ের কারণে চলতি বছর তাদের লোকসান হতে পারে। এর আগে চলতি বছরে মুনাফা অর্জনের যে পূর্বাভাস দিয়েছিল, তা থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।   সূত্র: গার্ডিয়ান

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
হাম উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ শিশু। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজকে পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ১ হাজার ১০৩ শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৪ শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১ হাজার ২০৭ এ পৌঁছেছে।   স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৯৯৫ এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩৬ শিশুর। মোট ১ হাজার ৩১ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ শিশু। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ শিশু হাসপাতাল ছেড়েছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ শিশুর। এ সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ২৪৮ শিশুর।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৮ জন

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৮ জন

সিলেটে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে টানা তিন দিন কারও মৃত্যু হয়নি। তবে এই তিন দিনে নতুন করে ২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আটজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে নতুন করে আটজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগের দুই দিন, মঙ্গলবার ও বুধবারও সিলেটে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার নতুন করে ১০ জন এবং মঙ্গলবার ১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫১২ জন। নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশন ছাড়া) ২৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৬ জন, খুলনা বিভাগে ২০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৪৪ জন রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৬৮ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ১১১ জন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সৌদি আরবে পৃথক হামলায় একদিনে নিহত ৪

সৌদি আরবে পৃথক হামলায় একদিনে নিহত ৪

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের একজন সৌদি নাগরিক, অন্যজন ভারতীয় প্রবাসী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার বিমানবন্দরটিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে একই দিনে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির আরামকোর শাইবাহ তেলক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় আঘাত হানার চেষ্টা করা একটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হন। ফলে এক দিনে দেশটিতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। হুথি বাহিনী এবং সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে একের পর এক হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। ইয়েমেনের হুথি বাহিনী ও সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরবের বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলার ঘটনা বাড়ছে। গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, ১১ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। এর আগে ১০ অক্টোবর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, একই বিমানবন্দরে আরেকটি হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। চলমান হুথি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবে অবস্থিত তাদের কূটনৈতিক মিশনের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য কয়েকটি মিশন থেকেও কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বুধবার একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে, যেখানে সৌদি আরবে হুথিদের পক্ষ থেকে আরও হামলার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
নিসচা সিলেট মহানগরের র ্যালি ও সমাবেশ

নিসচা সিলেট মহানগরের র ্যালি ও সমাবেশ

‘নিরাপদ সড়ক সম্মৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২২শে অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিসচা সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে  র ্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় নগরের সিটি পয়েন্টে র‌্যালিটি শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিটি পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। নিসচা সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি রোটারিয়ান এম. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান তপাদার মুক্তারের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের এডমিন মো: শফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি নিসচা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাভেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নিসচা সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি ডাক্তার মনির চৌধুরী, ডা: লোকমান হেকিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান খান মুন্না, দিদার আহমদ, অর্থ সম্পাদক শেখ মোঃ লায়েক মিয়া, প্রচার সম্পাদক আহসান হাবিব, দপ্তর সম্পাদক মনসুর আহমদ, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানিয়া আহমেদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুনা সুলতানা, কার্যকারী সদস্য শাহীন হোসেন, মোহাম্মদ কয়েছ আহমদ সাগর, মোঃ সৌরভ হোসেন ডালিম, শমসের আলী, ফয়সাল আহমদ, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মোঃ লিটন মিয়া, ইকরামুল হাসান লাহিন, মোঃ দুদু মিয়া, কুবাদ বক্ত চৌধুরী রুবেল, আনোয়ার হোসেন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান, মোঃ মাসুদ হাসান করিম, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মোঃ দিলওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ শাহেদ আহমদ সহ সিএনজি অটোরিক্সার নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২২শে অক্টোবর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন মৃত্যুবরণ করায় ২২শে অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষনার দাবী করে আসছিল নিসচা। নিসচার দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার এই দিনকে সরকার জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষনা করে। সেই থেকে সরকারীভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় এই দিবসটি পালিত হয়। সরকারের পাশাপাশি নিসচাও মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচী পালন করে আসছে। নিসচা সিলেট মহানগর মাসব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শিক্ষার্থী সমাবেশ, বৃক্ষরোপন কর্মসূচী, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বক্তার বলেন, কেবলমাত্র সচেতনতার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বেসরকারি জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা ‘নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন’-এর নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় নগরের মেন্দিবাগস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে সংস্থার উপদেষ্টা মোহাইমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা মাওলানা এম এ আলীম এর সঞ্চালনায় এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্য ও উপদেষ্টাদের সর্বসম্মতিক্রমে মাওলানা  এম এ আলীম কে আহ্বায়ক ও তাইজুল ইসলাম ফয়েজ কে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- যুগ্ন আহ্বায়ক মোহাইমিন চৌধুরী, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ হিফজুর রহমান খাঁন, সদস্য সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু, মো: শাহীনুর রহমান চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম জয়নাল। উল্লেখ্য, সংস্থার কার্যকরী পরিষদের (২০২৪-২০২৬) সেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নবগঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সভাপতির বক্তব্যে মুহাইমিন চৌধুরী বলেন, নতুন আহ্বায়ক কমিটির দক্ষ নেতৃত্বে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন দ্রুতই একটি গতিশীল ও নির্বাচিত নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি উপহার পাবে। উক্ত সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন মো: আব্দুল আজিজ, মাওলানা উসমান  গণি , এডভোকেট পলিনা রহমান, সাংবাদিক মো: হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন, শেখ আজিজুল হক সুজা, মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

বেসরকারি জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা ‘নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন’-এর নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় নগরের মেন্দিবাগস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে সংস্থার উপদেষ্টা মোহাইমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা মাওলানা এম এ আলীম এর সঞ্চালনায় এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্য ও উপদেষ্টাদের সর্বসম্মতিক্রমে মাওলানা  এম এ আলীম কে আহ্বায়ক ও তাইজুল ইসলাম ফয়েজ কে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- যুগ্ন আহ্বায়ক মোহাইমিন চৌধুরী, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ হিফজুর রহমান খাঁন, সদস্য সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু, মো: শাহীনুর রহমান চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম জয়নাল। উল্লেখ্য, সংস্থার কার্যকরী পরিষদের (২০২৪-২০২৬) সেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নবগঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সভাপতির বক্তব্যে মুহাইমিন চৌধুরী বলেন, নতুন আহ্বায়ক কমিটির দক্ষ নেতৃত্বে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন দ্রুতই একটি গতিশীল ও নির্বাচিত নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি উপহার পাবে। উক্ত সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন মো: আব্দুল আজিজ, মাওলানা উসমান  গণি , এডভোকেট পলিনা রহমান, সাংবাদিক মো: হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন, শেখ আজিজুল হক সুজা, মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
পাল্টা সংবাদ সম্মেলন : পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে এহসানুল ও তাজিনের অভিযোগ অস্বীকার

পাল্টা সংবাদ সম্মেলন : পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে এহসানুল ও তাজিনের অভিযোগ অস্বীকার

পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জাল আমমোক্তারনামা তৈরি, এক কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নগরীর সুবিদবাজার এলাকার বাসিন্দা মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী। তাঁর দাবি, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর কানাডাপ্রবাসী এহসানুল ইসলাম চৌধুরী ও আমেরিকাপ্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার  সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন মুমিনুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁদের বাবা এনামুল ইসলাম চৌধুরী ২০১০ সালের ২৮ নভেম্বর ৭১/২০১০ নম্বরের একটি নিবন্ধিত দলিল সম্পাদন করেন। ওই দলিলে বাবার মৃত্যুর পর স্ত্রী বুলবুল নাহার চৌধুরীকে সম্পত্তি ভোগদখলের অধিকার দেওয়া হয়। তাঁর বাবা ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি মারা যান। পরে ২০২২ সালে এহসানুল ও তাজিনের উদ্যোগে ৩৬২৪/২০২২ নম্বরের বণ্টননামা সম্পাদিত হয় বলে জানান তিনি। মুমিনুল ইসলামের দাবি , ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট তিনি সিলেট জেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে বাবার দলিলের নকল সংগ্রহ করেন। এরপর তাঁর মা বুলবুল নাহার চৌধুরী বণ্টননামা বাতিল চেয়ে ৮৭/২০২৫ নম্বরের স্বত্ব মামলা করেন, যা এখনো চলমান। এ মামলাসংশ্লিষ্ট তিনটি দেওয়ানি রিভিশনে হাইকোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সম্পত্তির দখলসংক্রান্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, ১২ নভেম্বর বণ্টননামার কার্যকারিতা স্থগিত করা হয় এবং ৯ ডিসেম্বর মূল সত্ব মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যেনো কোন প্রকার হস্তান্তর দলিল সম্পাদন করা না হয়, এ মর্মে সিলেট জেলা রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার এবং এসিল্যান্ডসহ মামলার অন্তর্ভুক্ত সকল পক্ষের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন।   তিনি অভিযোগ করেন, এসব আদেশ থাকা সত্ত্বেও এহসানুল ও তাজিন সম্পত্তি দেখাশোনার জন্য সাতজনকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আমমোক্তারনামা দিয়েছেন। ভাড়ার এক কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে মুমিনুল ইসলাম বলেন, বাবার মৃত্যুর পর তাঁর মা মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী এহসানুল ও তাজিনকে নিয়মিত ভাড়ার অংশ দিতেন, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এহসানুলের আদালতে দাখিল করা আবেদন ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করলে বিষয়টি প্রমাণিত হবে । তাঁর ভাষ্য, সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্ব বাইরের ব্যক্তিদের দেওয়ার পর তাঁর মা ভাড়ার অর্থ দেওয়া বন্ধ করেন। এ ঘটনায় এহসানুল জনৈক হাবিবুর রহমান শিবলুকে দিয়ে মা বুলবুল নাহার চৌধুরীসহ তাকে এবং তার স্ত্রী ও তাদের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে একটি মামলা (নং ৯৪৭/২০২৬) দায়ের করান। যা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) তদন্তাধীন। ব্র্যাক ব্যাংকের ভাড়া-সংক্রান্ত কথিত জাল আমমোক্তারনামার বিষয়ে মুমিনুল ইসলাম বলেন, এটি মূলত ব্যাংকে ভাড়া জমা দেওয়ার জন্য তৈরি একটি অনুমতিপত্র। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে কোভিড মহামারির কারণে এহসানুল ও তাজিন দেশে আসতে না পারায় তিন ভাইবোনের স্বাক্ষরসংবলিত অনুমতিপত্র তৈরি করা হয়। তিনি প্রথমে স্বাক্ষর করে সেটি কানাডায় এহসানুলের কাছে পাঠান। পরে এহসানুল ও তাজিন স্বাক্ষর করে ডাকযোগে ফেরত পাঠালে তা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয় এবং তাঁদের মায়ের হিসাবে ভাড়া জমা হতে থাকে।   তিনি আরও বলেন, এহসানুল ২০২১ সালের নভেম্বরে দেশে এসে পাঁচ মাস অবস্থান করেন। তখন অনুমতিপত্র জাল বলে অভিযোগ করেননি। এমনকি ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ব্যাংককে পাঠানো আইনি নোটিশেও বিষয়টি উল্লেখ করেননি বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভাড়ার অর্থ তাঁর নিজের কোনো ব্যাংক হিসাবে জমা হয়নি। প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও অস্বীকার করে মুমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মুঠোফোনের কললগ ও সময় যাচাই করে তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে আদালতের আদেশ, দলিল, আবেদন ও ব্যাংক হিসাবের নথি উপস্থাপনের কথা জানান। এ সময় তাঁর মা বুলবুল নাহার চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
দুরুদ শরীফ: অন্তরের প্রশান্তির সুখ 

দুরুদ শরীফ: অন্তরের প্রশান্তির সুখ 

মানুষের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। ধর্মীয় বিশ্বাসের আলোকে এসব গুণ অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হলো আল্লাহর স্মরণ এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ। ইসলামে দুরুদ পাঠ সেই ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি কেবল মুখে উচ্চারিত কিছু শব্দ নয়; বরং মহানবী (সা.)-এর প্রতি সম্মান জানানো এবং তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ স্মরণ করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সুরা আহজাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ এই আয়াত মুসলমানদের কাছে দুরুদ পাঠের গুরুত্ব স্পষ্ট করে। মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের মাধ্যমে একজন মুমিন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এটি আল্লাহর নির্দেশ পালনের একটি মাধ্যম। ‘দুরুদ’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। ইসলামের পরিভাষায় মহানবী (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর রহমত, বরকত ও মর্যাদা বৃদ্ধির প্রার্থনাকে দুরুদ বলা হয়। অর্থাৎ, দরুদ পাঠের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর কাছে তাঁর প্রিয় নবীর প্রতি রহমত ও সম্মান বৃদ্ধির প্রার্থনা করেন। দরুদ পাঠের ফজিলত হাদিসে দরুদ পাঠের বহু ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। সহিহ মুসলিমে বর্ণিত একটি হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি মহানবী (সা.)-এর প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করেন। এ বর্ণনা থেকে দুরুদ পাঠের গুরুত্ব ও প্রতিদানের বিষয়টি উপলব্ধি করা যায়। দুরুদ পাঠের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যের প্রকাশ। তাঁর নাম উচ্চারণের সময় দরুদ পাঠ মুসলমানদের মধ্যে নবীপ্রেমের চর্চাকে জীবন্ত রাখে। তবে এই ভালোবাসার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে হলে তাঁর শিক্ষা, নৈতিকতা, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতার আদর্শও জীবনে ধারণ করতে হবে। শুধু মুখে দরুদ পাঠ করাই যথেষ্ট নয়; বরং দৈনন্দিন আচরণে সততা, সহমর্মিতা, দায়িত্বশীলতা ও অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে নবীজির আদর্শ অনুসরণের চেষ্টা করা জরুরি। দৈনন্দিন জীবনে দরুদ পাঠের চর্চা দরুদ পাঠের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান আবশ্যক নয়। পবিত্রতা ও ইবাদতের শিষ্টাচার বজায় রেখে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সময়ে দুরুদ পাঠ করা যায়। নামাজের পর, অবসর সময়ে কিংবা ব্যক্তিগত ইবাদতের অংশ হিসেবে এটি চর্চা করা যেতে পারে। বিশেষ করে জুমার দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দুরুদ পাঠের কথা হাদিসে এসেছে। সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হাদিসে জুমার দিনে তাঁর প্রতি অধিক দরুদ পাঠের নির্দেশনা পাওয়া যায়। তাই মুসলমানরা চাইলে এ দিনটিকে দুরুদ পাঠের চর্চা বাড়ানোর একটি উপলক্ষ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। নামাজে পাঠ করা দুরুদে ইবরাহিমও অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ। মহানবী (সা.) সাহাবিদের তাঁর প্রতি দরুদ পাঠের পদ্ধতি শিখিয়েছেন। সেই শিক্ষার ভিত্তিতেই মুসলমানরা নামাজে দরুদে ইবরাহিম পাঠ করেন। আত্মিক প্রশান্তি ও নৈতিকতার সম্পর্ক নিয়মিত ইবাদত মানুষের মনোযোগকে স্রষ্টার স্মরণে নিবদ্ধ করতে সহায়তা করতে পারে। দরুদ পাঠও অনেক মুসলমানের কাছে আত্মিক প্রশান্তি, কৃতজ্ঞতাবোধ ও নবীপ্রেমের চর্চার একটি মাধ্যম। তবে এর পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত আচরণ ও সামাজিক দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষের ধর্মীয় অনুশীলনের মূল্যায়ন কেবল তাঁর উচ্চারিত বাক্য দিয়ে নয়, তাঁর ব্যবহার, সততা, দায়িত্ববোধ এবং অন্য মানুষের প্রতি আচরণ দিয়েও হওয়া উচিত। দরুদ পাঠের চর্চা যদি মহানবী (সা.)-এর নৈতিক শিক্ষা স্মরণ ও অনুসরণের অনুপ্রেরণা জোগায়, তবে তা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সমাজে বিভেদ, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা কমাতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মানবিকতার চর্চা প্রয়োজন। মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা থেকে এসব গুণের অনুপ্রেরণা গ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর আদর্শ অনুসরণের প্রচেষ্টাও তাই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। দুরুদ পাঠ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা ও হাদিসের বর্ণনা থেকে এর মর্যাদা ও গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। নিয়মিত দুরুদ পাঠের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর জীবনাদর্শ স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হয়। তাই দুরুদ পাঠকে দৈনন্দিন জীবনের ইবাদতের অংশ হিসেবে গ্রহণ করার পাশাপাশি সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার মতো গুণাবলি চর্চা করা প্রয়োজন। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা যেন কেবল উচ্চারণে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং ব্যক্তিজীবন ও সমাজের আচরণেও তার প্রতিফলন ঘটে—এটাই হওয়া উচিত দরুদ পাঠের শিক্ষা থেকে আমাদের অন্যতম উপলব্ধি। আল্লাহ তাআলা আমাদের মহানবী (সা.)-এর প্রতি অধিক পরিমাণে দুরুদ পাঠ এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। লেখক: আলেম, সাংবাদিক

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে সিলেটে প্রস্তুতি সভা

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে সিলেটে প্রস্তুতি সভা

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলার অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা ও ৫টি পৌর যুবদলের নেতাদের সাথে প্রস্তুতি সভা করেছে সিলেট জেলা যুবদল। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নগরের কাজিরবাজার তোপখানাস্থ সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। সিলেট জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি কয়েস আহমদের সভাপতিত্বে এবং ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, সহসভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব। সভাপতির বক্তব্যে কয়েস আহমদ বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জেলা, উপজেলা ও পৌর পর্যায়ে সফলভাবে উদযাপনের জন্য যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে ও মাঠে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক সক্ষমতার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, জেলার অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা ও ৫টি পৌর যুবদলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এখন থেকেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে। সভায় বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কেরা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদের পরিবারের সদস্যদের সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্যসচিব মো. আব্দুর রহিম রিপনের সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শ্যামলী সূত্রধরকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। চিঠির অনুলিপি বিএনপির কেন্দ্রীয় ও সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সৌদির সড়কে প্রাণ গেল শায়েস্তাগঞ্জের জসিমের

সৌদির সড়কে প্রাণ গেল শায়েস্তাগঞ্জের জসিমের

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় জসিম উদ্দিন (২৫) নামে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কারের চাপায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জসিম উদ্দিন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুদিয়াখলা গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে। তিন বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার জসিমকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সৌদি আরবে থাকা জসিমের স্বজন ও সহকর্মীরা তার মৃত্যুর খবর দেশে পরিবারের সদস্যদের জানান। প্রিয় সন্তানের মৃত্যুসংবাদ পৌঁছানোর পর থেকে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্বজনেরা। প্রতিবেশীরা জানান, দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে জসিম ছিলেন সবার ছোট। শান্ত স্বভাবের ও পরিশ্রমী জসিম পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় প্রবাসে গিয়েছিলেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জসিমের চাচাতো ভাই সৌদিপ্রবাসী রাজু আহমদ বলেন, প্রাইভেট কারের চাপায় ঘটনাস্থলেই জসিমের মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ সৌদি আরবের একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ

সিলেটে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ

সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি। বুধবার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত সিলেট-৪৮ বিজিবি) ও ১৯-বিজিবি অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, -সিলেট-৪৮ বিজিবি কালাসাদেক, প্রতাপপুর, দমদমিয়া, সোনারহাট, বিছনাকান্দি, নোয়াকোট, সংগ্রাম বিওপির সদস্যরা নিজেদের আওতাভুক্ত সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ৯শ’ ৫৯ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে মদ, গরু, ফল, কম্বল, কসমেটিক্স, সবজি, চকলেট, বাসমতি চাল, আলু, জুস, দুধ, বিছনার চাদর, ফুচকা,মধু, বিস্কুট, বিড়ি, চা-পাতা এবং বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে বাংলাদেশী লেডিস সোয়েটার আটক করতে সক্ষম হয়। এদিকে জকিগঞ্জ-১৯ বিজিবি রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কানাইঘাট থানার সুরইঘাট বিওপির একদল সদস্য দিঘীরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ কেজি ভারতীয় চা পাতা ও একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চা পাতা ও পিকআপের সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৪ লাখ টাকা। একই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলায় লালাখাল ও সোনারখেওর বিওপির সদস্যবৃন্দ পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪টি ভারতীয় গরু, ১৫০ কেজি চিনি, ১৩২০ কেজি টমেটো ও ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করতে সক্ষম হয় যা সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। সিলেট-৪৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটের ১২ উপজেলা পেল ৪৩২ সহকারী শিক্ষক

সিলেটের ১২ উপজেলা পেল ৪৩২ সহকারী শিক্ষক

সিলেট জেলার ১২টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৩২ জন সহকারী শিক্ষককে বিদ্যালয়ভিত্তিক পদায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এসব শিক্ষককে স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে কর্মস্থল নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গত ১৯ অক্টোবর থেকে তাদের পদায়ন করা বিদ্যালয়ে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ পদায়নের তথ্য জানানো হয়। দাপ্তরিক আদেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটির সুপারিশে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা গত ১ অক্টোবর সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে যোগদান করেন। পরে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়ন, কর্মরত শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ক জেলা কমিটি’র সভায় স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে তাদের বিদ্যালয় নির্ধারণ করা হয়। উপজেলাভিত্তিক হিসাবে, গোলাপগঞ্জে সর্বোচ্চ ৫৯ জন সহকারী শিক্ষককে পদায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া জকিগঞ্জে ৫৫ জন, ওসমানীনগরে ৫২ জন, কানাইঘাটে ৪৫ জন, বিয়ানীবাজারে ৪৪ জন, কোম্পানীগঞ্জে ৩৭ জন, ফেঞ্চুগঞ্জে ৩৬ জন, বিশ্বনাথে ৩১ জন, দক্ষিণ সুরমায় ২৯ জন, বালাগঞ্জে ১৮ জন, গোয়াইনঘাটে ১৭ জন এবং জৈন্তাপুরে ৯ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, পদায়নকৃত শিক্ষকদের কর্মস্থলে যোগদানের সুবিধার্থে গত ১৮ অক্টোবর অপরাহ্নে সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে অবমুক্ত করা হয়। তাদের ১৯ অক্টোবর পূর্বাহ্নে নিজ নিজ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হয়ে পদায়ন করা বিদ্যালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে শিক্ষকদের কোনো বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। গত ১ অক্টোবর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে সরকারি বিধি অনুযায়ী তারা বেতন-ভাতা পাবেন। এ ছাড়া নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ব্যক্তিগত নথি সংরক্ষণ, দুই কপি সার্ভিস বুক প্রস্তুত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) সফটওয়্যারে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ বলেন, স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বিদ্যালয়ভিত্তিক পদায়ন করা হয়েছে। এতে পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নতুন শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে যোগ দিলে পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছি।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
তাহিরপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদণ্ড

তাহিরপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদণ্ড

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই জনকে দুই মাসের করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিএমএসআর আলিফ নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ সাজা দেন। সাজা পাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন, তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা বাছির (৩৭) ও মোসাদ্দেক (৪৫)। এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারি (ভূমি) বিএমএসআর আলিফ বলেন, যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে। অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে স্থানীয়দের প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২

ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫১২ জন।  বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার ১১১ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩১, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৪, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১১১, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৬, খুলনা বিভাগে ২০৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০, রাজশাহী বিভাগে ১৬২, রংপুর বিভাগে ৪৪ এবং সিলেট বিভাগে রয়েছেন ৮ জন।  ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
ওসমানীনগরে জমি-বাড়ির মালিকানা নিয়ে দুই প্রবাসী ভাইয়ের বিরোধ

ওসমানীনগরে জমি-বাড়ির মালিকানা নিয়ে দুই প্রবাসী ভাইয়ের বিরোধ

সিলেটের ওসমানীনগরে জমি ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে দুই প্রবাসী ভাইয়ের বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। এ ঘটনায় আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা জারির পরও বিরোধপূর্ণ বাড়িতে আগের মতোই বসবাস ও দখল অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের চন্ডিতিয়র (কাজীবাড়ি) গ্রামের মৃত মদরিস আলীর চার ছেলে হলেন মৃত মসওয়্যারুল ইসলাম, মৃত সিরাজুল ইসলাম, মো. মকবুল আলী ও মো. মোফাজ্জল আলী। তাদের মধ্যে সৎ মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া দুই ভাই মারা গেছেন এবং আপন দুই ভাই জীবিত রয়েছেন। তাদের পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে অর্জিত জমি ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি গড়িয়েছে আদালতে। এ ঘটনায় গত মার্চে সিলেটের দেওয়ানি আদালতে স্বত্ব (বাটোয়ারা) মামলা করেন মকবুল আলী। মামলা নম্বর ৯৪/২০২৬। গত ২৮ জুলাই আদালত বিবাদীপক্ষকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। জবাব না পাওয়ায় সম্পত্তি দখল ও বাড়ির প্রকৃতি পরিবর্তনের আশঙ্কায় বাদীপক্ষ পুনরায় আবেদন করেন। ৩ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এর পরে ২৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতও মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। গত ১২ অক্টোবর আদালতের জারিকারক মো. শফিক মিয়া বিরোধপূর্ণ বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পেয়ে বিবাদীর সাথে টেলিফোনে আলাপ করে  রাজমিস্ত্রীর টিকাদার আনছার মিয়া এসে জারীকৃত আদালতের আদেশ গ্রহন করেন। পরদিন ১৩ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে ওসমানীনগর থানার সেকেন্ড অফিসারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে ঘটনাস্থলে গেলে বিরোধপূর্ণ জায়গায় মোফাজ্জল আলীর পক্ষের লোকজনের দখল ও বসবাসের বিষয়টি তাদের নজরে আসে।  প্রবাসী মো. মকবুল আলীর অভিযোগ, তার দুই সৎ ভাই ও তিনি প্রবাসে থাকার সুযোগে আপন ছোট ভাই মো. মোফাজ্জল আলী জমি-বাড়িসহ তার নিজস্ব সম্পত্তি বণ্টন না করে এককভাবে ভোগদখলে রেখেছেন। বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে পাঠানো হয় বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমি ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের নির্দেশনার পরও যদি বসবাস ও দখল অব্যাহত থাকে, তাহলে আদেশের কার্যকারিতা কোথায়? আমি আমার সম্পত্তির ন্যায়সংগত অধিকার ফিরে পেতে চাই। মো. মোফাজ্জল আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,বাটোয়ারার পর আমি নিজের সম্পত্তিতেই অবস্থান করছি। আমাকে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনায় ব্যর্থ হয়ে এখন তারা আত্মীয় স্বজনের যোগসাজশ করে আমাকে দখলবাজ ও সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. জয়নাল আবেদীন জানান,আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনার পর বিরোধপূর্ণ বাড়ি ও জমির কোনো পরিবর্তন করা বা সেখানে নতুন করে বসবাসের সুযোগ নেই। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তি যে অবস্থায় রয়েছে, সে অবস্থায়ই রাখতে হবে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
নিরাপদ সড়ক দিবসে সিলেটে লিফলেট বিতরণ

নিরাপদ সড়ক দিবসে সিলেটে লিফলেট বিতরণ

সিলেটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বাস কাউন্টার পরিদর্শন করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়েছে। তবে বাস কাউন্টার পরিদর্শন করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পায়নি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ সময় যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নগরীর হুমায়ুন রশীদ চত্বরে সিলেট বিভাগীয় ও জেলা বিআরটিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. ডালিম উদ্দিন ও বিআরটিএ সিলেট সার্কেলের উপপরিচালক (অপারেশন) আব্দুর রশিদ। পরে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বাসের কাউন্টারগুলো পরিদর্শন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। লিফলেট বিতরণকালে বিআরটিএ সিলেট সার্কেলের উপপরিচালক (অপারেশন) আব্দুর রশিদ বলেন, নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন, চালক, পথচারী ও সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে হুমায়ুন রশিদ চত্বরে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। সবাই সচেতন হলেই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব। এদিকে বাস কাউন্টার পরিদর্শনের সময় যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এসময় যাত্রীরা জানান, তাঁরা নির্ধারিত ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারছেন। ফলে বাস কাউন্টারগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ

সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ

সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পতাকা ব্যবহারের যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তা প্রদর্শন, সূর্যাস্তের পরও পতাকা ঝুলিয়ে রাখা এবং নির্ধারিত আকার, অনুপাত ও রং অনুসরণ না করার মতো অনিয়ম নজরে আসার পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সব সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অধিকারী না হয়েও অফিস কক্ষে চেয়ার বা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাড়াভাবে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ছাড়া জাতীয় পতাকা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। তবে কিছু অফিসে দিন-রাত সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয় পতাকা ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টি নজরে এসেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় পতাকার নির্ধারিত আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিস কক্ষের অভ্যন্তরে সজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন। জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অধীন দপ্তর, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সাজেকে আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার

সাজেকে আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার

পর্যটক-সেনা-পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ রাঙামাটির সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে আটকেপড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক  বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে জোরপূর্বক মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ করেন। এতে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে। সকাল ১০টার দিকে গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল দল অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। তবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে অবরোধকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। পরে পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বেলা ১১টার দিকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ সময় আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আইএসপিআর জানিয়েছে, অবরোধ ও সহিংসতার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান অভিযানের প্রেক্ষাপটে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের একটি অংশ কোণঠাসা হয়ে পর্যটন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পাশাপাশি পর্যটনশিল্প এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় জনগণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেফতার আ. লীগ নেতা কামাল

তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেফতার আ. লীগ নেতা কামাল

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল আহমদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় পাসপোর্ট ব্লক থাকায় তাঁকে জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশি পাহারায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।  জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়ার জন্য তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে উপস্থিত হন কামাল আহমদ। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁর পাসপোর্ট যাচাই করতে গিয়ে ব্লক থাকার বিষয়টি শনাক্ত করে। পরে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তাঁকে জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর আগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় সিলেটের জালালাবাদ থানায় গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেন কামাল আহমদ। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এদিকে, পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কামাল আহমদ দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সংক্রমণসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন। এর আগেও তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে বৈধভাবে চিকিৎসা ভিসা নিয়ে ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন তিনি। তবে তামাবিল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট ব্লক থাকার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় তাঁর যাত্রা ব্যাহত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, গত মাসে জৈন্তাপুর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রফতার দেখিয়ে পুলিশি পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে অসামাজিকতার দায়ে হোটেল উত্তরা সিলগালা

সিলেটে অসামাজিকতার দায়ে হোটেল উত্তরা সিলগালা

অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে সিলেট নগরীর বন্দর বাজারস্থ হোটেল উত্তরা (আবাসিক) সিলগালা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ হোটেল উত্তরা (আবাসিক) নামের হোটেলটি সিলগালা করা হয়। তবে ,এ সময় কাউকে আটক করা হয়েছে কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে একদল চৌকস সদস্য অভিযান চারিয়ে বন্দর বাজারের উত্তরা আবাসিক হোটেল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে গত জুনে তালতলা এলাকার রহমানিয়া বোডিং ও ছাদী গেস্ট হাউজকে সিলগালা করা হয়েছিল।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
ডিসেম্বরেই বিয়ে করছেন মিমি!

ডিসেম্বরেই বিয়ে করছেন মিমি!

চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নাকি বিয়ে করতে চলেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।গত কদিন ধরেই এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে  টালিপাড়ায়। গুঞ্জন যদি সত্যি হয়, তবে অবিবাহিত হিসেবে এটাই নাকি তার জীবনের শেষ দুর্গাপূজা।  প্রতিবারই পূজার নানা রঙিন মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন মিমি। তবে এবারের আনন্দ যেন একটু অন্য মাত্রার, ভক্তদেরও তেমনই ধারণা। উৎসবের মেজাজে জমিয়ে পূজাবিপণি কাটাচ্ছেন তিনি। পূজার আনন্দ আর বিয়ের গুঞ্জন—সব মিলিয়েই এখন খবরের শিরোনামে মিমি। এর মাঝেই মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ছবি ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। ছবির ব্যস্ততা আর বিয়ের প্রস্তুতি সামলে ঠিকই পূজার আনন্দে মেতে উঠেছিলেন তিনি। প্রতিবারের মতো এবারও নবমীর রাতে পূজামণ্ডপে ধুনুচি নাচে মজেছিলেন নায়িকা। গাঢ় গোলাপি বেনারসির সঙ্গে নীল ব্লাউজ, আটপৌরে কায়দায় সাবেক সাজে তাকে বেশ মানিয়েছিল। ঢাকের তালে তালে তার সেই ধুনুচি নাচ নজর কেড়েছে সবার। নবমীর রাতে বন্ধুদের সঙ্গে জমজমাট আড্ডায় মেতে ওঠাকেও ভোলেননি। সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন মিমি, যেখানে তাকে বন্ধুদের সঙ্গে উদ্দাম নাচে মেতে উঠতে দেখা গেছে। তার সেই আনন্দের দলে ছিলেন অভিনেতা সোহম মজুমদার ও অনিন্দ্য চট্টার্জীও। নাচের ছন্দে হইহই করে পূজা কাটানোর বার্তাই যেন ছড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। সব মিলিয়ে টালিপাড়ায় এখন একটাই চর্চা—আসছে ডিসেম্বরেই নাকি চার হাত এক হতে চলেছে। পাহাড়ঘেরা শহর কালিম্পঙে বসতে পারে বিয়ের আসর। এমনকি, ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি শুরু হয়ে গেছে নিমন্ত্রণের তোড়জোড়ও। যদিও এ বিষয়ে মিমি বা তার টিমের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
শূন্য হাতে দেশে ফিরছেন টাইগাররা

শূন্য হাতে দেশে ফিরছেন টাইগাররা

শারজাহতে জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে সেই আশা পূরণ হলো না টাইগারদের। এই হারে কোনো জয় ছাড়াই ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে। আফগানিস্তান চলে গেল ফাইনালে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে দলটি। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের চোটে দলে সুযোগ পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন একা লড়াই চালিয়ে যান। তিনি ৯৬ বলে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তাকে ভালো সঙ্গ দিয়ে সাইফ হাসান করেন ৪১ রান। পঞ্চম উইকেটে এই দুজনের ৯৩ রানের জুটিটি ছাড়া আর কেউই সুবিধা করতে পারেননি। নাজমুল হোসেন শান্তর ১৫ রান ছাড়া বাকি আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি, এমনকি ৪ জন রান না করেই আউট হন। ফলে ৪২তম ওভারে ১৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের রশিদ খান নেন ৪টি উইকেট। ১৬১ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৯ রানেই ২ উইকেট হারিয়েছিল আফগানরা। দুটি উইকেটই নেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তবে এরপর রহমত শাহ ও হাশমতউল্লাহ শাহিদী মিলে আফগানিস্তানকে খুব সহজেই জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। রহমত শাহ ৬৭ রানে এবং শাহিদী ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ৮৭ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে আফগানরা। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন ২টি এবং মুস্তাফিজুর রহমান ১টি উইকেট পান।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে পিএইচপি আতঙ্ক : বড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে পিএইচপি আতঙ্ক : বড় সাইবার হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটির কবলে পড়েছে পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যার ফলে বিশ্বজুড়ে বড় সাইবার হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে পাসওয়ার্ড ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা চালানো সম্ভব হতে পারে। ঝুঁকি এড়াতে ইতোমধ্যেই ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশও এ ঝুঁকির বাইরে নয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রথমেই সার্ভারগুলো যাচাই করতে হবে। কোন সার্ভারে পিএইচপির কোন সংস্করণ ব্যবহার করা হচ্ছে, তা শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা হালনাগাদ করা হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে। সার্ভারে কেউ অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছে কিনা, সেটিও পরীক্ষা করা জরুরি।  প্রযুক্তি বিশ্লেষক হোস্টিং ডটকমের বাংলাদেশের অপারেশন ম্যানেজার ইমরান হোসেন বলেন, পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। দেশের সরকারি-বেসরকারি যেসব ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবা পিএইচপিতে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলো দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে সার্ভারে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ যাচাই করে নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি সার্ভারের লগ পরীক্ষা করে সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত করতে হবে। শুধু ফায়ারওয়াল বা পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভার পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।   বাংলাদেশ সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্টও এ বিষয়ে সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছে।   বৃহপতিবার (২২ অক্টোবর) জারি করা এক নির্দেশনায় সংস্থাটি জানায়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রথমে তাদের সার্ভারে কোথায় কোথায় পিএইচপি ব্যবহৃত হচ্ছে, তার তালিকা করতে হবে। এরপর ব্যবহৃত সংস্করণগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে কিনা, তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পিএইচপি সংস্করণ ও অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী নিরাপত্তা হালনাগাদ ইনস্টল করতে হবে। হালনাগাদের পর ওয়েবসাইটের অনুরোধ প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত প্রকৃত পিএইচপি রানটাইমে সংশোধন কার্যকর হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করাও জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ করা সম্ভব না হলে ঝুঁকিপূর্ণ সার্ভারে ইন্টারনেট থেকে প্রবেশাধিকার সীমিত করা, নির্দিষ্ট আইপি ঠিকানা থেকে সংযোগের অনুমতি দেওয়া এবং অননুমোদিত সংযোগ পর্যবেক্ষণের মতো সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। প্রাপ্ত তথ্যমতে, বুধবার (২১ অক্টোবর) পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পিএইচপিতে শনাক্ত দুটি ত্রুটি সার্ভারের মেমোরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডব্লিউআইজেড’র গবেষকেরা ত্রুটি দুটি শনাক্ত করেন। পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি দুটির কারণে সার্ভারে থাকা সংবেদনশীল তথ্য চুরি এবং দূর থেকে ক্ষতিকর কোড চালানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। প্রথম ত্রুটির মাধ্যমে সার্ভারের মেমোরিতে থাকা তথ্য অননুমোদিতভাবে পড়া বা মেমোরির কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো সম্ভব । দ্বিতীয় ত্রুটিটি কাজে লাগিয়ে সার্ভারে অননুমোদিত কোড চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। ফলে আক্রান্ত সার্ভারে থাকা তথ্য ও অনলাইন সেবার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। জানা গেছে, পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা। সংবাদমাধ্যম, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবা পরিচালনায় এটি ব্যবহৃত হয়। প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান বিল্টউইথের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ সক্রিয় ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ডব্লিউথ্রিটেকসের হিসাবে, যেসব ওয়েবসাইটের সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা শনাক্ত করা গেছে, তার প্রায় ৬৯ শতাংশই পিএইচপিনির্ভর। ওয়েবসাইটের পেছনের বিভিন্ন কাজ পরিচালনায় পিএইচপি ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, ডেটাবেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ, লগইন যাচাই, অনলাইন ফরম পরিচালনা এবং ওয়েবপেজে পরিবর্তনশীল তথ্য দেখানোর মতো কাজ করা হয়। ওয়ার্ডপ্রেসের মতো জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমেও পিএইচপি ব্যবহৃত হয়।  বাংলাদেশের প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, একসময় ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে পিএইচপি ছিল অন্যতম জনপ্রিয় প্রযুক্তি। সহজে শেখা এবং ওয়েবসাইটের বিভিন্ন অংশ ও ডেটাবেজের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুবিধার কারণে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বেসরকারি হোস্টিং প্রতিষ্ঠান লিমডা হোস্টের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) জুনাইদ মিয়াজী বলেন, পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া প্রয়োজন। যেসব ওয়েবসাইট পিএইচপিতে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর সার্ভারে ব্যবহৃত সংস্করণ যাচাই করে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি হোস্টিং সেবাদাতাদের সার্ভারের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্তে সক্রিয় থাকতে হবে। সময়মতো নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ করা হলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব।  তিনি বলেন, আমাদের গ্রাহকদের প্রায় ৮০ শতাংশের ওয়েবসাইট পিএইচপিভিত্তিক। নিরাপত্তা ত্রুটির খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত সার্ভারে সংশোধিত প্যাচ প্রয়োগ করেছি।   মূল প্রতিবেদন : যুগান্তর

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
জকিগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা

জকিগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা

সিলেটের জকিগঞ্জের আটগ্রামে বালাউটি ছাহেব বাড়ির ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের প্রায় ১ হাজার রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এ সময় ছানি অপারেশনের জন্য ১৭২ জন রোগীকে সিলেটে পাঠানো হয়। ক্যাম্পে রোগীদের চোখ পরীক্ষা, ব্যবস্থাপত্র প্রদান এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়। বিনামূল্যে এ চিকিৎসাসেবা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন রোগীরা। বৃহস্পতিবার  (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আটগ্রামের লুৎফুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। কাজলসার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রশীদ বাহাদুরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হয় দোয়ার মাধ্যমে। দোয়া পরিচালনা করেন দরগাহ-এ হজরত শাহজালাল (রহ.) জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হুযাইফা চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বালাউটি ছাহেবজাদা মাওলানা মাশুকুর রহমান মারুফ, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার, জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক জুবায়ের আহমদ, কাজলসার ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি ইকবাল আহমদ, উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম আহমদ, লুৎফুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ছালিক আহমদ চৌধুরী, পূর্ব লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মাহতাব আহমদ এবং স্মাইল চ্যারিটির কান্ট্রি ডিরেক্টর সিরাজুল ইসলাম তাপাদার সেলিম, জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আহমদ হোসাইন আইমান, সদস্য তানিম আহমদ প্রমুখ। আয়োজকদের এ উদ্যোগে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছানি অপারেশনের জন্য ১৭২ জন রোগীকে সিলেটে পাঠানোর মাধ্যমে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
‘কংগ্রেস ৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না’

‘কংগ্রেস ৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না’

ভারতে আগামী ৩০ বছরেও কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত। বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, পরাজয়ের অজুহাত হিসেবে তাই তারা (কংগ্রেসে) ভোট চুরির অভিযোগ তুলছে। বৃহস্পতিবার নিজের ৬২তম জন্মদিনে দিল্লিতে যমুনা নদী পরিষ্কারের জন্য ৮ হাজার ৯৪১ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন এই বিজেপি নেতা।  অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার দিতে চান রাহুলরা। তাই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে তাদের এত আপত্তি। এসআইআর বাতিলের দাবিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ রাজপথে নেমেছে। গত ১৩ অক্টোবর রাহুলের নেতৃত্বে দিল্লিতে মিছিলও হয়। একই সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন কেন্দ্রকে চাপে রেখেছিল। কিন্তু হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের কারণে আন্দোলনের গতি থমকে যায়। সম্প্রতি বিজেপি এক ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে দাবি করে, রাহুল চার দিনের ভিয়েতনাম সফরে যাচ্ছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই বৃহস্পতিবার রাহুলের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, ‘আমি জানি আমার কথা আপনি এখন শুনতে পাবেন না। কারণ আপনি বিদেশে কোথাও বসে আছেন। তার কোনো ব্যাখ্যাও কোনো দিন আপনি দেন না। সে সব ঠিক আছে। ওটা আপনার ব্যক্তিগত জীবন। কিন্তু দিল্লিতে নামার পর আমার কথা শুনে রাখুন। আগামী ৩০ বছরেও আপনি ক্ষমতায় আসাতে পারবেন না।’ ভোট চুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপি তো ভোটে জিতেই চলেছে। বিরোধীদের তাতে অসুবিধা হচ্ছে। সেই কারণেই তারা ভোট চুরির অজুহাত নিয়ে এসেছে।’ রাহুলকে উদ্দেশ করে সরাসরি অনুপ্রবেশকারীর প্রসঙ্গ তোলেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘রাহুলজি, আপনি শুধু ভোট চুরি নিয়ে কথা বলেন। কারণ, আপনি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার দিতে চান। তাদের ভোটগুলোকে আগলে রাখতে চান।’ অমিত শাহ আরও বলেন, ‘আমি যখন বলি বিজেপি আরও ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকবে, তখন বিরোধীরা ভোট চুরির অভিযোগ তোলে। জিজ্ঞেস করে, ভোটের ফলাফল অমিত শাহ কীভাবে আগে থেকে জেনে যাচ্ছেন! আসলে অমিত শাহ তো এখানেই জন্মেছেন, এখানেই থাকেন এবং এখানেই মারা যাবেন। প্রতি ছয় মাস অন্তর আমাকে বিদেশে যেতে হয় না। আমি এই দেশের মানুষের মাঝে বাস করি।’  বিরোধীদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করে এই বিজেপি নেতা বলেন, ‘মানুষের রায় আপনারা এ ভাবে রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করে এবং জনরোষ সৃষ্টি করে বদলাতে পারবেন না। শুধু আন্দোলন করে, অবস্থানে বসে ভোটে জেতা যায় না।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
শিঘ্রই গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের রাস্তা-ঘাটের সমস্যা দূর হবে: এমপি এমরান চৌধুরী

শিঘ্রই গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের রাস্তা-ঘাটের সমস্যা দূর হবে: এমপি এমরান চৌধুরী

সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, এলাকার সমস্যাগুলো আমার জানা আছে, আমার কাছে লিপিবদ্ধ আছে। সমাধানের জন্য কিছু সময় প্রয়োজন, পর্যায়ক্রমে সব সমস্যাই সমাধান হবে। দীর্ঘদিন গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারবাসী উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। কোন ধরনের রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট এর কোন কাজ হয় নি। বর্তমানে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা উন্নয়ন কাজ করে যাবো। আপনাদের আশাহত করবো না। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের নয়াই দক্ষিণ ভাগ দাখিল মাদ্রাসা ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এবং দক্ষিণভাগ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের পৃষ্টপোষকতায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নয়াই দক্ষিণ ভাগ দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ৪৩ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি এমপিও ভুক্ত করনের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে এমপিও কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তা চালুর সাথে সাথে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত করতে যা যা প্রয়োজন তা করা হবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, বাউন্ডারির কাজ করার উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির মাঠে মাটি ভরাটের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন। অনুষ্টানে নয়াই দক্ষিণ ভাগ দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মুনিম এনাম এর সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার সাহেদ আহমদ ও উপজেলা যুবদলের সদস্য আব্দুল কাইয়ুম এর যৌথ সঞ্চালনায় তিনি আরও বলেন, ঢাকাদক্ষিন পাহাড়লাইন ডি এম সড়কের সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। পাশাপাশি দেউরভাগা খাল খননের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী বছর-দুই বছরের ভেতরে রাস্তা ঘাটের আর সমস্যা থাকবে না ইনশাল্লাহ। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ডা. আব্দুল গফুর,  গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোমান উদ্দিন মুরাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর হেলালুজ্জামান হেলাল, সহ সভাপতি ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, দক্ষিণভাগ এসই উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আনহার উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এডভোকেট মামুন আহমদ রিপন, সিলেট জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক লিটন আহমদ, সিলেট সিটি করপোরেশন এর ২২নং ওয়ার্ড বিএনপির কোষাধ্যক্ষ অজি মোহাম্মদ কাওসার, মাওলানা মাহবুব আহমদ সালেহ, প্রবীণ মুরব্বী নিজাম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তানজিম আহাদ, লক্ষনাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুবের আহমদ রাসেল, যুবদল নেতা বাবলু আহমদ প্রমুখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অলিউর রহমান শামিম, জেলা বিএনপির সহ মানবাধিকার সম্পাদক মিনহাজ আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি কফিল উদ্দিন, এস এ রিপন, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু, সিলেট ল কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রশিদ আহমদ মুন্না, মাওলানা আব্দুস সোবহান, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিলু আহমদ, রেজা আহমদ রেজা, ইউপি সদস্য রেদোয়ান আহমদ, আবুল হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খলিল উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন নয়াই দক্ষিণ ভাগ দাখিল মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র খালেদ আহমদ।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত পর্ষদকে অভিনন্দন

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত পর্ষদকে অভিনন্দন

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে বিশ্বনাথ উপজেলা সমিতি, সিলেটের পাঁচ আজীবন সদস্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সংগঠনটি। নবনির্বাচিতরা হলেন—চেয়ারপারসন গুলজার খান, জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোহাব্বত শেখ, ট্রেজারার মনির আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান আজম খান এবং প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি মোহাম্মদ দৌলত হোসেন। এক যৌথ অভিনন্দন বিবৃতিতে বিশ্বনাথ উপজেলা সমিতির সভাপতি তাজ উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামান সিদ্দিকী (মুক্তা) আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি বিশ্বনাথের শিক্ষার প্রসার ও সার্বিক উন্নয়নে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। বিবৃতিতে নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যের সাফল্য ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
ক্ষুধা মোকাবিলায় এগিয়ে বাংলাদেশ, পিছিয়ে ভারত পাকিস্তান

ক্ষুধা মোকাবিলায় এগিয়ে বাংলাদেশ, পিছিয়ে ভারত পাকিস্তান

ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো বাংলাদেশের এই অগ্রগতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  বিপরীতে, পাকিস্তানে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দেশটির ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স—জিএইচআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর থেকে ভারত, বাংলাদেশ ও নেপাল ক্ষুধা মোকাবিলায় ধারাবাহিক উন্নতি করেছে। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সেই অগ্রগতির ধারা বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির পরিস্থিতি আবারও খারাপের দিকে যাচ্ছে। জার্মানির বনভিত্তিক ক্ষুধা মোকাবিলায় কাজ করা সংস্থা ওয়েলথাঙ্গারহিলফে, সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক সহায়তা সংস্থা হেলভেটাস এবং জার্মানির রুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন ইনস্টিটিউট যৌথভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষুধা সূচকের স্কোর ১৯ দশমিক ২ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই স্কোর অনুযায়ী, দেশটি মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১, যা গুরুতর ক্ষুধা পরিস্থিতির নির্দেশক। পাকিস্তানের স্কোর আরও বেশি—২৫ দশমিক ৫। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। ২০১৮ সালে দেশটির ক্ষুধা সূচকের স্কোর ছিল ২৪ দশমিক ০। বর্তমানে তা বেড়ে ২৫ দশমিক ৫ হয়েছে। সূচকে অন্তর্ভুক্ত ১২২টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানের অবস্থান ১০৬তম। দেশটির চেয়ে বেশি স্কোর রয়েছে আফগানিস্তান, সিয়েরা লিওন ও সিরিয়ার মতো কয়েকটি দেশেরও। বাংলাদেশের অগ্রগতিতে নারীর কর্মসংস্থান ও সামাজিক সেবার ভূমিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হলো নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবার বিস্তার। লন্ডনভিত্তিক আর্থিক বিশ্লেষক জাভেদ হাসান জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়াকে বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাত নারীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছেন। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণও ক্ষুধা মোকাবিলায় দেশের অগ্রগতিতে অবদান রেখেছে। ইসলামাবাদভিত্তিক স্বাধীন অর্থনীতিবিদ নিয়াজ মুর্তাজাও মনে করেন, নারীদের কর্মসংস্থানের ধারাবাহিক উন্নতি বাংলাদেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়ক হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুধা সূচকে ভারতের অবস্থান পাকিস্তানের তুলনায় খুব বেশি আলাদা না হলেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চারটি সূচকে নির্ধারিত হয় ক্ষুধার মাত্রা বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক চারটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। এগুলো হলো—জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া। সূচক নির্ধারণে অপুষ্টি ও শিশুমৃত্যুর জন্য ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ করে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাকি ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ করে গুরুত্ব পায় শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় ওজন কম হওয়ার বিষয়টি। বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর নির্ধারণ করা হয় শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে। স্কোর ১০-এর কম হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই হিসাবে বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতি নির্দেশ করে। বিপরীতে, পাকিস্তানের ২৫ দশমিক ৫ স্কোর দেশটিতে গুরুতর ক্ষুধার চিত্র তুলে ধরে। ২০১৮ সালের তুলনায় পাকিস্তানের স্কোর বেড়ে যাওয়ায় দেশটির খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্বনাথে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত

বিশ্বনাথে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত

বেশ কিছুদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অগ্রহায়ণের ফসলি ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। এ পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করেছেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার উত্তর দৌলতপুরের হাসনাজির গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। দোয়া মাহফিলে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। খোলা মাঠে একত্রিত হয়ে তাঁরা মহান আল্লাহর দরবারে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন এবং ফসলের সুষ্ঠু উৎপাদন ও মানুষের কল্যাণ কামনা করেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন সৎপুর দারুল হাদিস কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা শফিকুর রহমান পাকিছির হুজুর। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে বৃষ্টিপাত হলে জমির ফসলের জন্য উপকার হবে এবং কৃষকদের দুশ্চিন্তা কিছুটা লাঘব হবে। কৃষিনির্ভর এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা অনেকাংশেই ফসলের ওপর নির্ভরশীল। তাই সময়মতো বৃষ্টিপাত ও ভালো ফলনের আশায় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন উপস্থিত মুসল্লিরা।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও এয়ারগান উদ্ধার

সিলেটে বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও এয়ারগান উদ্ধার

সিলেটের শাহপরাণ (রহঃ) থানার সুরমা গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পুরাতন বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি এয়ারগান উদ্ধার করেছেস্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯।  বুধবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাত সেয়া ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে বিদেশী আগ্নে অস্ত্র এয়ারগান উদ্ধার করা হয়। এসআরবি-৯ জানায়,  বুধবার দিনগত রাত সেয়া ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯, সিলেট সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল সিলেটের শাহপরাণ (রহঃ) থানার সুরমা গেইট এলাকায় শাহপরাণ (রহঃ) থানার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম দলুইপাড়া সাকিনস্থ একটি রাবার বাগানের ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে রাবার বাগানের ঝোপঝাড়ের মধ্য থেকে প্লাস্টিকের বস্তা দ্বারা মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় বাটবিহীন একটি পুরাতন বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি এয়ারগান (০১টি বাটবিহীন) উদ্ধার করে।  উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো জিডি মূলে এসএমপি’র শাহপরাণ (রঃ) থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
কূটনীতিকদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

কূটনীতিকদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু মার্কিন কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবের মিশনগুলো থেকে চলে আসার নির্দেশ দিয়েছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তারা আরও জানান, ওই অঞ্চলের অন্য অনেকগুলো মার্কিন মিশন থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে মন্ত্রণালয়টি। সৌদি আরবের দাম্মামে একটি বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত ও আরও আটজন আহত এবং আরামকোর একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হওয়ার পর এ নির্দেশ এসেছে, জানিয়েছে রয়টার্স। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এক্সে এক পোস্টে জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘শুধু সৌদি আরবে থাকা জরুরি নন এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের’ ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক লক্ষ্যে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতিদের আক্রমণের মধ্যে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর পশ্চিম এশিয়ায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও দূতাবাসসহ বিভিন্ন স্থাপনায় তেহরান ব্যাপক পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। তখন অনেক নাগরিককে অঞ্চলটি থেকে সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপর গত কয়েক মাসে কিছু কূটনীতিককেও দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ওয়াশিংটন। এক্স পোস্টে পিগট বলেছেন, ইরান সমর্থিত হুতিরা আরও বেশি করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে শত্রুতা চালাচ্ছে। তারা বেসামরিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে আর তাতে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এবং ভ্রমণ ব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। চার মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোও পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেবে। তবে সৌদি আরবের বাইরে অন্যান্য মিশনগুলোতে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে পিগট সে বিষয়ে কিছু জানাননি। রয়টার্স লিখেছে, সর্বশেষ এই প্রত্যাহারগুলো ইয়েমেন সংঘাত তীব্রতর হওয়ার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে আরেকটি নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এই বৃহত্তর সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যক জটিল করে তুলেছে আর উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতিগুলোর ক্ষতি করছে। বুধবার রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস সৌদি আরবে হুতিদের আরও হামলার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। মার্চে এই দূতাবাস ও এখানে অবস্থিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের একটি স্টেশন ইরানি হামলার শিকার হয়েছিল।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট সোসাইটির ১৮তম বার্ষিকীতে জাতীয় কবির সংগীত প্রতিযোগিতা

সিলেট সোসাইটির ১৮তম বার্ষিকীতে জাতীয় কবির সংগীত প্রতিযোগিতা

সিলেট সোসাইটি’র ১৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোসাইটির আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ইসলামী সংগীত প্রতিযোগীতার ১ম পর্ব শুরু হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিলেটস্থ ডাক্তার অচিনপুরী স্টুডিওতে বাচাঁই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।  ডাক্তার জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, শিল্পি সৌরব সুহেল, আলী আকবর ও হাসনাত কবির। সংগঠন সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসা ও স্কুল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৮ বছরের ছাত্র/ছাত্রী অংশগহন করতে পারবেন। সেখানে প্রথম পর্যায়ে ৩২জন রেজিষ্টেশন করেন। এখান থেকে ১৭জনকে বাচাঁই করা হয়। তারা আগামি ২৮ অক্টোবর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদে ফাইনাল রাউন্ড ও পুরষ্কার বিতরনি অনুষ্ঠিত হবে।  বাচাঁইপর্ব শেষে বক্তব্য রাখেন, সোসাইটি’র সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম সিকদার।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
১০ বছরেও হাসিনার দেশে ফেরা সম্ভব না: স্পিকার

১০ বছরেও হাসিনার দেশে ফেরা সম্ভব না: স্পিকার

আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন না জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে অনুধাবন করা যায়, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে। নির্বাচনগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এসব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপরও তার আস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে সুষ্ঠু হয়েছে। এর আগে বুধবার ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় নিজের সংসদীয় আসনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘সমাজের নিকৃষ্ট যে লোকটা, সেটাই এমপি-মন্ত্রী হয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন স্পিকার। বৃহস্পতিবার ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে তিনি এসব কথা বলেছেন। তাদের আমলে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল, যাতে সমাজের ভালো মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ অবস্থার অবসান হবে। তিনি বলেন, অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা নেওয়া হয়নি। তবে নির্বাচন ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার প্রয়োজন। সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে নির্বাচন কমিশনকে একটি পদ্ধতি নির্ধারণের পরামর্শ দেন তিনি। এ ছাড়া দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদ নিয়েও কথা বলেন স্পিকার। তিনি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে দেশের মোট গ্যাসের মজুতের সমপরিমাণ গ্যাস ইতোমধ্যে ভোলায় পাওয়া যাচ্ছে। তার আশা, সেখানে আরও বিপুল গ্যাসের ভাণ্ডার রয়েছে। স্পিকার বলেন, ভোলার গ্যাস কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ বিষয়ে সরকার বিদেশে যোগাযোগ করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহজ বিকল্প ভোলাতেই রয়েছে। ভোলার গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর ও ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
নেটওয়ার্ক সচল হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে

নেটওয়ার্ক সচল হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে

অবৈধ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাচালানের মাধ্যমে আসা হ্যান্ডসেট শনাক্ত করার পাশাপাশি ক্লোন ফোন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়ন অনুযায়ী, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রেও এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে এ পর্যায়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরের তথ্যও এই ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা, চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা হ্যান্ডসেট শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থাও থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতি প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক কমিশন সভায় এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবস্থা চালুর পর তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালু করা হয়নি। ফলে এনইআইআর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন চেয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। রাজস্ব ফাঁকি রোধ, টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘদিন ধরেই এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায় এনবিআর। পরে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় প্রাথমিক অনুমোদন দেয়। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তির আশঙ্কায় ফোন বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো কার্যকর করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় তুলে ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তা জানায়। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন ও মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়। সর্বশেষ গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ওই সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধে পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি। এ পরিকল্পনার আওতায় এ ধরনের ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
অপরাধের তথ্য দিন, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে: ওসি রাজ্জাক

অপরাধের তথ্য দিন, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে: ওসি রাজ্জাক

‘অপরাধের তথ্য দিন, পরিচয় গোপন রাখবে পুলিশ’ এ আহ্বান জানিয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। চুরি-ডাকাতি, মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন ওসি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জকিগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের আলহাজ্ব নসিব আলী মাদ্রাসায় আয়োজিত বিট পুলিশিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। ওসি বলেন, রাতের বেলায় এলাকায় অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তির চলাফেরা নজরে এলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে। অপরাধ প্রতিরোধে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি গঠন করে এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে জানাতে হবে। তিনি বলেন, মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিংসহ যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে নির্ভয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মাদকাসক্তির কারণে অনেক পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার ও সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে পুলিশ তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। প্রথমে সামাজিকভাবে তাকে সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। এতে কাজ না হলে পুলিশকে তথ্য দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি। স্থানীয় বাসিন্দারা সচেতন হলে অপরাধের তথ্য দ্রুত পাওয়া এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব লায়েকের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন হালঘাট গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন। সভায় বক্তব্য দেন জকিগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার ও বিট কর্মকর্তা এসআই সেকান্দর আলী, এসআই মিজানুর রহমান, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শামীম আহমদ, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মন্নান, সালিশি ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব আছাব আলী, ইব্রাহিম আলী ও শিক্ষক তারেক আহমদ। এ সময় মাজবন্দ গ্রামের আব্দুর রহমান, মজলী গ্রামের আবিদুর রহমান, এলংজুরী গ্রামের আখলিছুর রহমান, সকড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
দোয়ারাবাজার সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৩

দোয়ারাবাজার সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৩

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে তিনজন বাংলাদেশীকে আটক করেছে বিজিবি। এসময় মানব পাচারকারী চক্রের আরও দুই সদস্য পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাঁশতলা বিওপির আওতাধীন আরমান ছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী এলাকার মো. আবুল হোসেন (৪২) এবং শার্শা উপজেলার বেনাপোল এলাকার নবিস উদ্দিনের মেয়ে ফাতেমা (১৮) এবং তাদেরকে পাচারকারী দোয়ারাবাজার উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের জহির মিয়ার ছেলে মো. আমির।  সুনামগঞ্জ-বিজিবি জানায়, আটক আবুল হোসেন ও ফাতেমার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা আমির অর্থের বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় দালালদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। ঘটনার দিনও তিনি তাদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিজিবি আরও জানায়, আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ভারতে আত্মীয়স্বজন রয়েছেন। তাদের অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টার সময় আটক করা হয়। এ সময় স্থানীয় আরও দুই ব্যক্তি অনিক মিয়া (২৪) ও আলাউদ্দিন (৫৪) পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে বিজিবি। আটক আমির, আবুল হোসেন ও ফাতেমাকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এমএসসি

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামলীকে অব্যাহতি

দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্যসচিব মো. আব্দুর রহিম রিপনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শ্যামলী সূত্রধরকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। চিঠির অনুলিপি বিএনপির কেন্দ্রীয় ও সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেটে সেই প্রাণঘাতি রোগ, হাসপাতালে ভর্তি সাড়ে ৪ শ জন

সিলেটে সেই প্রাণঘাতি রোগ, হাসপাতালে ভর্তি সাড়ে ৪ শ জন

সিলেট বিভাগে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। চলতি বছরের শুরু থেকে গত ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভাগজুড়ে ১ হাজার ১১৫ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে মোট ১৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। শনাক্ত ও মৃত্যুর জেলাভিত্তিক চিত্র:স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিলেট জেলায় ৪৪২ জন, সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন, হবিগঞ্জে ১৫৮ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, অদ্যাবধি মৃত্যুবরণ করা ১৯৭ জনের মধ্যে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত মৃত্যুর হিসাব রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে মোট ৮১ জন (সন্দেহজনক ৭৭, নিশ্চিত ৪), সুনামগঞ্জে ৬৯ জন (সন্দেহজনক ৬৮, নিশ্চিত ১), হবিগঞ্জে ৩১ জন (সন্দেহজনক ২৭, নিশ্চিত ৪) এবং মৌলভীবাজারে ১৬ জন (সন্দেহজনক ১৫, নিশ্চিত ১) মারা গেছেন। তবে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সন্দেহজনক হামে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর চাপ:প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬৪ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন এবং পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২ জন ভর্তি হন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৪৫৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮৬ জন এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।   এছাড়া মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২২ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৯ জন, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ১৭ জন এবং নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি রয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে বিশ্বনাথে ২ জন, ফেঞ্চুগঞ্জে ২ জন, কোম্পানীগঞ্জে ২ জন এবং গোলাপগঞ্জে ১ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট স্টেশন ক্লাবে সেদিন কী ঘটেছিলো

সিলেট স্টেশন ক্লাবে সেদিন কী ঘটেছিলো

এক মিনিট ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল সিলেটে। ভিডিওটি ‘এলিট ক্লাব’ বলে পরিচিত সিলেট স্টেশন ক্লাবের। কয়েকজন সদস্য হাতাহাতি করছেন। মধ্যস্থতাও করছেন সিনিয়ররা। এমন ভিডিও গত দু’দিন ধরে ভাসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিও নিয়ে তোলপাড়। বিতর্কও তুমুল। পেছনের কারণ অজানা। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, নানা ঘটনা। এই ভিডিও ভাইরালের পেছনেও রয়েছে রহস্য। অভ্যন্তরীণ বিরোধ তুঙ্গে। কয়েক গ্রুপে বিভক্ত স্টেশন ক্লাবের সদস্যরা। ভিডিও’তে ভেসে ওঠা ঘটনার বিচার হয়েছে সোমবার। এই বিচার নিয়ে ক্ষোভ আছে কারও কারও। প্রতিবাদস্বরূপ ভিডিওটি ফের ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ঘটনায় বিব্রত ক্লাবের সদস্যরা। স্টেশন ক্লাবের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে পেছনের রহস্য। তারা জানিয়েছেন-ভিডিওটি বর্তমান সময়ের নয়। এক বছর আগের। তখন ঘটেছিল হাতাহাতির ঘটনা। ওই সময়ও ভিডিও ছাড়া হয়েছিল যোগাযোগমাধ্যমে। পুলিশ আমলে নিয়েছিল ঘটনাটি। স্টেশন ক্লাবে তদন্তে এসেছিল। পরে পুলিশের তদন্তও বেশি দূর এগোয়নি। তারা জানিয়েছেন-২০২৫ সালের নভেম্বরের ঘটনা। স্টেশন ক্লাবের কালচারাল রুম। বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন ক্লাব সদস্য সায়েক খান ও আব্দুল্লাহ আহমদ সহ কয়েকজন। একান্ত ব্যক্তিগত কথা নিয়ে তর্কে জড়ান সায়েক ও আব্দুল্লাহ। এক পর্যায়ে এটি রূপ নেয় হাতাহাতিতে। চেয়ার দিয়ে বাড়াবাড়ির ঘটনাও ঘটে। বিবাদ আটকাতে গিয়ে সিনিয়র সদস্য মাহবুব আহমদ মাটিতে পড়ে যান। ক্লাব সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ এগিয়ে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ১ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে এসব দৃশ্য দেখা গেছে। ভিডিওটি ধারণ করেন ক্লাব সদস্য জাকির আহমদ। তখন ভিডিও ধারণ করতে নিষেধও করেন খালেদ। তবে ভিডিও ধারণকারী ক্লাব সদস্য তার সেই নিষেধের বিষয়টি মানেননি। ভিডিও প্রসঙ্গে গতকাল কথা হয় সাইফুদ্দিন খালেদের সঙ্গে। জানান, এক বছর আগের ঘটনা। তখন ভিডিও ধারণকারী ক্লাব সদস্য জাকির আহমদ ঘটনার পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেটি ছেড়েছিলেন। ভিডিও’র সূত্র ধরে ডিবি পুলিশ এসে তদন্ত করে গেছে। তিনি জানান, ওইদিন ক্লাব সদস্য সায়েক ও আব্দুল্লাহ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তর্কে জড়িয়েছিলেন। এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। তখন অনেকে উপরের তলায় স্নুকার খেলায় ছিলেন। চিৎকার শুনে এসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি শান্ত করেন। ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মাহবুব আহমদও তখন সেখানে ছিলেন। ক্লাবের বর্তমান দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন-এ ঘটনায় বর্তমান সভাপতি সায়েকুর রহমান সাক্কু সহ দায়িত্বশীলরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে গত সোমবার ক্লাবের সভায় সায়েক খান ও ভিডিও ধারণকারী জাকির আহমদকে বিভিন্ন মেয়াদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ আহমদের ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্রুতই তার উপর আরোপিত শাস্তি বৈঠকের মাধ্যমে জানানো হবে। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক ঘটনায় সাবেক সভাপতি শাহ মোশাহিদ আলীকেও সতর্ক করা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন- যারা প্রকাশ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়েছে সে দৃশ্যটি দৃশ্যমান ছিল। যারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়। আর যে সদস্য ভিডিও ধারণ করেছেন তিনি পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির কাছে সেটি স্বীকারও করেছেন। ফলে ক্লাবের গঠনতন্ত্র মেনে তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে জানান দায়িত্বশীল নেতারা। এদিকে ক্লাবের বর্তমান দায়িত্বশীলদের এ বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক সভাপতি শাহ মোশাহিদ আলী। তিনি জানিয়েছেন- এক ঘটনায় দুইবার বিচার হতে পারে না। তিনি সভাপতি থাকার সময় কয়েক মাস আগে এ ঘটনার বিচার করে গেছেন। ঘটনায় এক সদস্যকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। ফলে হাতাহাতির ঘটনায় দ্বিতীয়বার ক্লাব সদস্যের যে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে সেটি অগঠনতান্ত্রিক। তাকেও সতর্ক করা হয়েছে। এ বিষয়টি তিনি ক্লাবের আগামী এজিএমে উপস্থাপন করলে ন্যায়বিচার পাবেন বলে জানান। ক্লাবের পরিচালক ফাইন্যান্স সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন- পূর্বের সভাপতি এ ঘটনায় যে কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন সেটি ক্লাবের কনস্টিটিউশনের গাইডলাইন ফলো করে করা হয়নি। এ কারণে বর্তমান কমিটি পুনরায় রিভিউ করে দোষীদের সতর্ক ও সাসপেন্ড করেছে। ক্লাবের স্বার্থে সব নিয়ম মেনে সেটি করা হয়েছে। তিনি বলেন- বর্তমান কমিটি নতুন করে সিদ্ধান্ত দেয়ার কারণে পূর্বের সেই ভিডিও নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন- ২০২৫ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি সায়েকুর রহমান সাক্কু ও সাবেক সভাপতি শাহ মোশাহিদ আলী সমান ভোট পান। এরপর ক্লাবের সদস্যরা দু’জনকেই ৬ মাস করে সভাপতির দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত দেন। শাহ মোশাহিদ আলী ৬ মাস দায়িত্ব পালনের পর সহ-সভাপতিকে নিয়ে পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়। পূর্বের সিদ্ধান্ত মতো সায়েকুর রহমান সাক্কু দায়িত্ব নিলে বিরোধ আরও চাঙ্গা হয়। ওই সময় শাহ মোশাহিদ আলীর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্টেশন ক্লাবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও তিন মাস বন্ধ ছিল। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। ক্লাবের এই চলমান বিরোধ, সদস্যদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি সহ নানা কারণে ভিডিও ভাইরাল সহ নতুন করে আলোচনায় আনা হয়েছে স্টেশন ক্লাবের কার্যক্রমকে। এ ব্যাপারে সিলেট স্টেশন ক্লাবের সভাপতি সায়েকুর রহমান সাক্কু মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফের ভিডিও ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় ক্লাব কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। এরপর পরবর্তী কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানান তিনি। (মূল রিপোর্ট : মানবজমিন)

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
আজ বিকাল থেকে যত সময় গ্যাস থাকবে না সিলেটের যেসব এলাকায়

আজ বিকাল থেকে যত সময় গ্যাস থাকবে না সিলেটের যেসব এলাকায়

সিলেটের বেশ কিছু এলাকায় জরুরি পাইপলাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা ৫ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ আজ সকাল থেকে মাইকিং করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোকে তথ্যটি জানাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী- আজ বিকালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকা এলাকাগুলো হচ্ছে, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শ্রীরামপুর থেকে কদমতলী মুক্তিযোদ্ধা চত্বর, বিসিক শিল্পনগরী, গোটাটিকর এলাকা, ঝালোপাড়া, বাবনা পয়েন্ট, ভার্থখলা, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শিববাড়ি, মোমিনখোলা এবং প্রগতি সিএনজি পাম্প এলাকা। জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাইপলাইনের জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থেই সাময়িকভাবে এই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের পর সার্ভিস স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। গ্রাহকদের অগ্রিম প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

২২ই অক্টোবর, ২০২৬
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৪ জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৪ জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে চারটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এবং মিরপুর বাঙলা কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মাউশি। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য চার নির্দেশনা ১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা: প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষ, বারান্দা, ছাদ, শৌচাগার, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ২. ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা: কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দ্রুত অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। ৩. সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা: শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ৪. শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা: সিসিক প্রশাসক

হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা: সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল প্রতীক। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলেও এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা আমাদের সমাজে থেকে যাবে। অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয় এবং হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই হোক আমাদের প্রত্যাশা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরীর চাঁদনীঘাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রতিমা নিরঞ্জন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হচ্ছে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন। একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সম্মান করা এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির অংশ। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; আর উৎসবের আনন্দ সবার। তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নগরবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক সব উৎসব যেন নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দময় পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপের জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা ও মণ্ডপভিত্তিক ৪০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সড়ক মেরামত, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও পূজামণ্ডপে আলোকসজ্জা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সিসিক প্রশাসক বলেন, পূজামণ্ডপ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, মণ্ডপভিত্তিক জোন নির্ধারণ, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজা ও বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নাগরিক সেবার বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সিটি করপোরেশনের বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়। ফলে পূজা উদযাপন কমিটি কিংবা নগরবাসী কোনো নাগরিক সমস্যা বা জরুরি বিষয়ে দ্রুত যোগাযোগ করতে পেরেছেন। তিনি আরও বলেন, বিসর্জনকে কেন্দ্র করে চাঁদনীঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উৎসবের আনন্দ সবার জন্য নিরাপদ রাখতে সবাইকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের প্রতি সবাইকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতের ভিন্নতা থাকলেও ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রশ্নে কোনো বিভাজন থাকা উচিত নয়। কোনো ব্যক্তি যেন কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেটি নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। গুজব, অপপ্রচার, উসকানি বা বিভাজন সৃষ্টিকারী কোনো তথ্য যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি সিলেট চাই, যেখানে একজন মুসলমান নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করবেন, একজন হিন্দু নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা করবেন, একজন বৌদ্ধ ও একজন খ্রিষ্টানও নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে পালন করবেন। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য, এটাই সিলেটের সম্প্রীতির ঐতিহ্য। তিনি বলেন, বিসর্জনের পর নদীর তীর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও আমাদের সবার। সিলেটকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সম্প্রীতির নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দাস ও মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ এবং সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব প্রমুখ।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
সৌদিতে ১৯ হাজার লোক নিয়োগের ঘোষণা

সৌদিতে ১৯ হাজার লোক নিয়োগের ঘোষণা

সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হেলথ হোল্ডিং কোম্পানি জানিয়েছে, চলতি বছরে নতুন শূন্যপদ, সম্পন্ন নিয়োগ ও অনুমোদিত প্রশিক্ষণ চুক্তি মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬১০টি। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে নতুন করে ৪ হাজার ২৯১টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসব পদে বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, জনবলের ঘাটতি পূরণ এবং দক্ষ কর্মী আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন ঘোষিত শূন্যপদগুলোর নির্দিষ্ট পদ ও যোগ্যতার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৯১৪ জন সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আরও ২ হাজার ৪০৫টি প্রশিক্ষণ চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে। এই নিয়োগ, প্রশিক্ষণ চুক্তি এবং নতুন শূন্যপদ মিলিয়েই মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টি। অর্থাৎ, সবগুলো পদ বর্তমানে খালি নেই বা সব পদে এখনই আবেদন করা যাবে—বিষয়টি এমন নয়। আগ্রহী প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ পোর্টালে গিয়ে শূন্যপদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি স্বাস্থ্য অঞ্চলে শূন্যপদ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তাই আবেদনের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ও শেষ সময় নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ নিয়োগের মূল লক্ষ্য সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানো। ফলে ঘোষিত ৪ হাজার ২৯১টি পদ বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত কিনা, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে সৌদি আরবে বিদেশি চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পৃথক নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে। এসব পদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত নিবন্ধন, লাইসেন্স এবং কাজের অনুমতির শর্ত পূরণ করতে হয়। বাংলাদেশি প্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের বিজ্ঞপ্তিতে বিদেশি নাগরিকদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করতে হবে। সূত্র: গালফ নিউজ

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
কানাইঘাটে সিএনজি চালক হত্যা: পিতাসহ চার পুত্র গ্রেফতার

কানাইঘাটে সিএনজি চালক হত্যা: পিতাসহ চার পুত্র গ্রেফতার

সিলেটের কানাইঘাটে সিএনজি চালক শাহাব উদ্দিন হত্যা মামলায় একই পরিবারের পিতা মজন আলী ও তাঁর চার ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর মধ্যে মজন আলীর তিন ছেলে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয়দের হাতে আটক হন বলে জানা গেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কানাইঘাট উপজেলার সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের মজন আলী (৫৫) ও তাঁর চার ছেলে জাকারিয়া (৩০), ইয়াহিয়া (২৫), শাহরিয়া (২২) এবং কিবরিয়া (১৯)। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের ছামরতল এলাকায় শাহাব উদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সকাল ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহাব উদ্দিন সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। জানাগেছে, প্রায় এক মাস আগে সুরইঘাট উত্তর বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডের সিরিয়াল নিয়ে শাহাব উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিবেশী চালক জাকারিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন গ্রামের একটি বাড়িতে আসামিরা বৈঠক করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় জনতা মজন আলী ও তাঁর ছোট ছেলে কিবরিয়াকে আটক করে পুলিশে দেন। পরে বিকালে বাকি তিন ছেলেকে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় তাঁদের গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে পুলিশি প্রহরায় তাঁদের থানায় নেওয়া হয়। নিহতের ভাই এনাম উদ্দিন বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বুধবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে যথাযথ পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি

ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চালু হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা (ডিভি) লটারি। ট্রাম্প প্রশাসনের ডিভি লটারি বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা মামলায় গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) দেশটির একটি ফেডারেল আদালত এ কর্মসূচি পুনরায় চালুর পক্ষে রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ডিভি লটারির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবেদন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত পোর্টাল চালুর তারিখ ১ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। নিবন্ধন কার্যক্রম অন্তত ৩০ দিন চালু রাখার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত আবেদনকারীদের বিষয়ে নোটিশ দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? এবারের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ অংশ নিতে পারবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী ২৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী যাওয়ায় দেশটি ডিভি কর্মসূচির জন্য অযোগ্য হয়ে পড়ে। মূলত যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলক কমসংখ্যক অভিবাসী যান, সেসব দেশের নাগরিকদের অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতেই এ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। আবেদনের আগে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে আদালতের রায়ে আবেদনকারীদের যোগ্যতার শর্ত, সঠিক ওয়েবসাইটের ঠিকানা এবং আবেদনপদ্ধতি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভি লটারিতে নির্বাচিত করে দেওয়ার নিশ্চয়তা কিংবা অর্থের বিনিময়ে গ্রিন কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো প্রতারকদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ডিভি লটারির আবেদন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে করতে হয়। তাই আবেদন করার আগে সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ নামের নতুন এই প্রবিধানমালা সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সব খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ৪ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদন ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যসমূহের নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ১৬টি শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন গ্রহণের বিধান রয়েছে। এর আওতায় পথের ধারে ভ্রাম্যমাণ বা অস্থায়ী খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে আমদানিকারক ও বড় আকারের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, খাবারের ব্যবসায় জড়িত এমন সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এখন থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। প্রবিধানের তফশিলে খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রচলিত ১৬ ধরনের খাদ্যব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধু নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। তবে যারা বিশেষ ধরনের বা সুপার ফুড পণ্য নিয়ে কাজ করে, তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ এবং ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। প্যাকেটজাত বা মোড়কজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী এবং আমদানিকারকদেরও (কাঁচা ও তাজা খাবার বাদে) নিবন্ধন করতে হবে। এমনকি রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, নতুন এই নিয়মের আওতায় তাদেরও নিবন্ধন নিতে হবে। এছাড়া পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদন, বিশেষ খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ (ঋড়ৎঃরভরবফ) খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, একাধিক ধাপে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন: শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরিকৃত বিশেষ ধরনের খাবার, এমন চার ধরনের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হবে এ প্রবিধানের মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ অনুরূপ খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণন। এছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সহায়ক দাবি বা রোগের ঝুঁকি হ্রাস-সংক্রান্ত দাবি-সম্পন্ন খাদ্যের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এর তফশিল-১০-এ নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে বর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফরম ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ এবং নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ফরম ৫.১ অনুযায়ী আবেদন দাখিল করতে হবে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময় থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর এবং এরপর এটি নবায়ন করতে হবে। বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচলিত ১৬ ক্যাটাগরির খাদ্যব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হয়েছে। সুপারফুড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি ফ্লোরের আকারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার নিম্নে প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ফি ১০হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গমিটারের চেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন লাইসেন্স নিতে ৬০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা পণ্য দেখেই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা বুঝতে পারবে এবং যে কোনো অভিযোগ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করেই করতে পারবে। প্রাথমিক অবস্থায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মনে করে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে, খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম অধিকতর কার্যকর হবে।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
তুরস্ক-কাতার-ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের ‘বদর’ চুক্তি

তুরস্ক-কাতার-ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের ‘বদর’ চুক্তি

প্রতিরক্ষা শিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ সই করেছে তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া। এই সমঝোতার আওতায় যৌথ সমরাস্ত্র উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং কারিগরি প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়াবে দেশগুলো। বুধবার (২১ অক্টোবর) কাতারের রাজধানী দোহায় এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, সমরাস্ত্র উৎপাদন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়নে সমন্বিত সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে চার দেশের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। দোহায় আয়োজিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের। এ ছাড়া কাতারের প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সউদ বিন আব্দুল রহমান বিন হাসান আল থানি, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসজাফরি এসজামসুদ্দিন এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন। তুরস্কের ‘প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ’-এর সমন্বয়ে এই সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর আওতায় দেশগুলোর সহযোগিতা শুধু সামরিক প্ল্যাটফর্ম ও সরঞ্জাম সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং যৌথ সমরাস্ত্র উৎপাদন প্রকল্প গ্রহণ, সরবরাহব্যবস্থা একীভূত করা এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও তথ্য বিনিময় বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। অর্থাৎ, এই চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী  কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলোকে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে—এমন কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। চুক্তিটির মূল লক্ষ্য প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণ। এর আগে গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই হয়। ওই চুক্তিতে ন্যাটোর আদলে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকের সঙ্গে ওই চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, নতুন সমঝোতাটি প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতাকেন্দ্রিক; এতে পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার নেই।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা ঘোষণা দেয়া যাবে না: এমপি লুনা

মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা ঘোষণা দেয়া যাবে না: এমপি লুনা

সিলেট-২ আসনের এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, ইমামরা সমাজের মানুষের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাঁদের বক্তব্য ও পরামর্শ মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক আচরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজের মানুষের মধ্যে সততা, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করতে ইমামদের এগিয়ে আসতে হবে। মসজিদে ইসলামী আলোচনা হবে, মসজিদে যেন কোনো রাজনীতি আলোচনা না হয়।  বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা মডেল মসজিদ হল রুমে আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথাগুলো বলেন।  এমপি আরও বলেন, সম্প্রতি বিশ্বনাথে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েকটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা ঘোষণা দেয়া যাবে না। যাতে মসজিদের মাইকে মারামারির ঘটনা এলাকার কেউ জোরপূর্বক ঘোষণা দিতে চাইলে তাদের প্রতিহত করার চেষ্ঠা করতে হবে। এতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সর্তক অবস্থানে থাকতে হবে। যদি কেউ জোরপূর্বক মসজিদের মাইকে মারামারির ঘোষণা দিতে চায় তাহলে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আহবান জানান এমপি। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ প্রসঙ্গে এমপি বলেন, দুর্ঘটনা, পঙ্গুত্ব, দুরারোগ্য ব্যাধি ও বার্ধক্যজনিত অক্ষমতার কারণে আর্থিক সংকটে পড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামাদের সহযোগিতার লক্ষ্যে বেগম খালেদা জিয়া ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ ধরনের উদ্যোগ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতোমধ্যে পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মুফতি মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মাওলানা ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম।  প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইমাম সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা এহসান উদ্দিন, বিশ^নাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গৌছ আলী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা জিয়াউল হক আনছারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী, বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমামবৃন্দ।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্বনাথে সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

বিশ্বনাথে সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

সিলেটের বিশ্বনাথে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মনফর উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের মির্জারগাঁও গ্রামের মৃত উমেদ আলীর ছেলে। মনফর উদ্দিন (২০ অক্টোবর) গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে মির্জারগাঁও গ্রামের রাজিবুল মিয়া বাদি হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ্য করে আর ৩০/৩২জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে এজাহারনামীয় ৩ জনকে রাতেই গ্রেফতার করেছে।  এ তিনজন হলেন- উপজেলার মির্জারগাঁও গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে ছাইদুল মিয়া (২৯), শাহীন মিয়া (২৭), একই গ্রামের তছির উদ্দিনের ছেলে সালমান আহমদ কাঞ্চন (২৫)।  তাদের বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে থানাপুলিশ। এদিকে, লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকের কলেজে রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মির্জারগাঁও গ্রামের শাহজাহান মিয়া ও খালেদ মিয়ার লোকজনের মধ্যে র্দীঘ দিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিবোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত শুক্রবার বাদ জুম্মা প্রথমে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় লাঠি-সোটা নিয়ে সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অনন্ত ১৫জন আহত হন। এরই মধ্যে গুরুত্বর আহত কয়েকজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে শাহজাহান মিয়ার পক্ষের আহত মনফর আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।  মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান দৈনিক সচিত্র সিলেটকে বলেন- নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা হয়েছে। এ মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
পূজামণ্ডপে গান গেয়ে এএসআই ক্লোজড

পূজামণ্ডপে গান গেয়ে এএসআই ক্লোজড

সিলেটের আখালিয়া নতুনবাজারে ব্রাহ্মণশাসন সার্বজনীন পূজামণ্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্বে জালালাবাদ থানার এক এএসআইকে গান গাওয়ার ঘটনায় ক্লোজড করা হয়েছে। ক্লোজড হওয়া এএসআই (নি:) উদয়ন ফারুক। তিনি সিলেটের জালালাবাদ থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে সিলেট নগরীর ৮নম্বর ওয়ার্ডের আখালিয়া নতুনবাজার এলাকার ব্রাহ্মণশাসন সার্বজনীন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন জালালাবাদ থানার এএসআই (নি:) উদয়ন ফারুক। এ সময় পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে পূজামণ্ডপে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পুলিশের ইউনিফর্ম পরেই গান পরিবেশন করেন তিনি। তার গান গাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে ক্লোজড করে থানা থেকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুল হাবিব জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
বিশ্বনাথে পূজামণ্ডপে মেয়র প্রার্থী মুমিন খানের শুভেচ্ছা উপহার

বিশ্বনাথে পূজামণ্ডপে মেয়র প্রার্থী মুমিন খানের শুভেচ্ছা উপহার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে মণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ অনুদান ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও যুক্তরাজ্য নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক  মুমিন খান মুন্না।  মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)  সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পৌরসভার ছয়টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি পূজার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পূজার আয়োজক ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ। বিশ্বনাথ পৌরসভায় সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পূজার আনন্দ যেন প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছে, সে জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, বিশ্বনাথ পৌরসভার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। একটি শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন ও সম্প্রীতিপূর্ণ পৌরসভা গড়ে তুলতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সহসভাপতি ফারুক আহমদ, জেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাবেক সহ সভাপতি  নিশিকান্ত পাল, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্ঠা নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুনিল কান্তি দে, সাবেক সাধারন সম্পাদক  বিভাংশু গুণ বিভু, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক কয়েছ শিকদার, উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও সাংবাদিক প্রণঞ্জয় বৈদ্য অপু,  বিএনপি নেতা ইছাক আলী, তাজেক আলী, পুজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক প্রণয় দে বাপন, উপদেষ্টা  ডা. মৃত্যুঞ্জয় দে মলয় ও কাজল পালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। পৃথক পুজামন্ডপে সভাপতিত্ব করেন  শনি মন্দিরের সভাপতি বিজয় চন্দ্র দে ও পরিচালনায় সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, জানাইয়া পূজামণ্ডপের সভাপতি রমাকান্ত দে ও সাধারণ সম্পাদক অসীম পাল, নতুন বাজার রাধাগোবিন্দ পূজামণ্ডপের সভাপতি বিজয় বৈদ্য বারিন্দ ও সাধারণ সম্পাদক পুলক সিংহ এবং সদর পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সহসভাপতি সুরঞ্জিত বৈদ্য স্বরণ ও সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র ধরসহ সংশ্লিষ্ট মণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ। পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে আয়োজকরা মেয়র পদপ্রার্থী মুমিন খান  মুন্নার ধারাবাহিক শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
বড়লেখায় চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ৬

বড়লেখায় চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি। এর মধ্যে রয়েছে দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার। গত ১৮ অক্টোবর দিনগত রাতে বড়লেখা থানাধীন দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন তাঁর বসতঘরে তালা দিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার ও কানের দুল এবং দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে বড়লেখা থানার পুলিশের একটি দল ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন, জিল্লুর মিয়া (২৬),  মনির হোসেন (৩৩) ও আব্দুল আহাদ (৪৪)। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদ (২৭) মৌলভীবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তাদের সহযোগী সুমন আহমদ (৩৮) নামে আরও একজনকে জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃৃতদের তথ্য অনুযায়ী পরবর্তীতে সিলেট থেকে সাইদুর রহমানকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়। বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬
জকিগঞ্জে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি অধিনায়ক

জকিগঞ্জে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজিবি অধিনায়ক

সিলেটের জকিগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আট প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার তেলিকান্দি এলাকার শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আখড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান, ১৯ বিজিবি জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সোহেল আলম। এ সময় তিনি সীমান্তবর্তী জনপদের ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রশংসা করেন। শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পূজার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি সদস্যরা তৎপর রয়েছেন বলেও জানান ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সেক্টরের অধীন জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ১৩১ দশমিক ৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৮১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অবস্থিত ৫৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জকিগঞ্জ উপজেলায় একটি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আট প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন। এ ছাড়া পূজাকালীন যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিজিবি সদস্যরা এনটিএমসি কর্তৃক প্রস্তুত করা ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রেসপন্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদক ও অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তাঁরা। পরে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক খলাছড়া ইউনিয়নের বিত্তলাল বিশ্বাসের বাড়ির পূজামণ্ডপ এবং সদরপুর গ্রামের কালীবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় বিজিবির পক্ষ থেকে মণ্ডপগুলোর দায়িত্বশীলদের হাতে ফল ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। মণ্ডপের দায়িত্বশীলরা বিজিবি অধিনায়ককে অভ্যর্থনা জানান এবং তাঁর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এ বছর সিলেট জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৫টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত হচ্ছে জকিগঞ্জ উপজেলায়।

২১ই অক্টোবর, ২০২৬