সিলেটে অস্ত্রের তথ্য দিলে পরিচয় গোপন রেখে পুরস্কার
সিলেটে অস্ত্রের তথ্য দিলে পরিচয় গোপন রেখে পুরস্কার
সারা দেশে হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ অভিযানে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিলেটেও অচীরেই সেই অভিযান শুরু হবে। তথ্যটি দৈনিক সচিত্র সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম  শহিদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জানান- হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিয়ে গোপনে ও নিরাপদে পুরস্কার নেওয়া যাবে। অস্ত্র উদ্ধারে পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি আমরা। তিনি জানিয়েছেন- হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিতে সিলেটের র‍্যাবের হটলাইন নম্বর হচ্ছে- ০১৭৭৭৭১০৯৯৯ (কন্ট্রোল রুম) ও 0 1777-710956 (মিডিয়া অফিসার)। এছাড়া সারা দেশের জন্য হটলাইন নম্বরগুলো হচ্ছে- ০১৭৭৭৭১১৪৪১, ০১৭৭৭৭১১৪৪২, ০১৭৭৭৭১১৪৪৩, ০১৭৭৭৭১১৪৪৪ এবং ০২৫৫৬৬৯৯৯৯।  র‍্যাব কর্মকর্তা কে এম  শহিদুল ইসলাম সোহাগ আরও জানান- এসব নম্বরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ভাইবার ব্যবহার করেও তথ্য দেওয়া যাবে। র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং নিরাপদে তথ্য দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে, সর্বশেষ অভিযান চালিয়ে ৪টি পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান- মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদ পায় যে, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নস্থ দক্ষিণ সড়কের পূর্ব পাশের জঙ্গলে এয়ারগান রয়েছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে এ পাহাড়ি জঙ্গলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি এয়ারগান উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাউকে আটক করা না গেলেও র‍্যাবের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত র‍্যাব-৯ সিলেট বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা থেকে ৫১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০৪ রাউন্ড গুলি, ৬টি ম্যাগাজিন, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং ১৫৫টি এয়ারগান উদ্ধার করেছে।
সিলেটে অস্ত্রের তথ্য দিলে পরিচয় গোপন রেখে পুরস্কার
সিলেটে অস্ত্রের তথ্য দিলে পরিচয় গোপন রেখে পুরস্কার সারা দেশে হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ অভিযানে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিলেটেও অচীরেই সেই অভিযান শুরু হবে। তথ্যটি দৈনিক সচিত্র সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম  শহিদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জানান- হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিয়ে গোপনে ও নিরাপদে পুরস্কার নেওয়া যাবে। অস্ত্র উদ্ধারে পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি আমরা। তিনি জানিয়েছেন- হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিতে সিলেটের র‍্যাবের হটলাইন নম্বর হচ্ছে- ০১৭৭৭৭১০৯৯৯ (কন্ট্রোল রুম) ও 0 1777-710956 (মিডিয়া অফিসার)। এছাড়া সারা দেশের জন্য হটলাইন নম্বরগুলো হচ্ছে- ০১৭৭৭৭১১৪৪১, ০১৭৭৭৭১১৪৪২, ০১৭৭৭৭১১৪৪৩, ০১৭৭৭৭১১৪৪৪ এবং ০২৫৫৬৬৯৯৯৯।  র‍্যাব কর্মকর্তা কে এম  শহিদুল ইসলাম সোহাগ আরও জানান- এসব নম্বরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ভাইবার ব্যবহার করেও তথ্য দেওয়া যাবে। র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং নিরাপদে তথ্য দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে, সর্বশেষ অভিযান চালিয়ে ৪টি পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান- মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‍্যাব-৯, সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদ পায় যে, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নস্থ দক্ষিণ সড়কের পূর্ব পাশের জঙ্গলে এয়ারগান রয়েছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে এ পাহাড়ি জঙ্গলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি এয়ারগান উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাউকে আটক করা না গেলেও র‍্যাবের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত র‍্যাব-৯ সিলেট বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা থেকে ৫১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০৪ রাউন্ড গুলি, ৬টি ম্যাগাজিন, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং ১৫৫টি এয়ারগান উদ্ধার করেছে।
রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন সিলেটের তৈমোর হোসেন
রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন সিলেটের তৈমোর হোসেন রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. তৈমোর হোসেন খান (বিপুল)। তার বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তৈমোর হোসেন খানকে রাষ্ট্রপতির এপিএস হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক না রাখার শর্তে তৈমোর হোসেন খানকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল অথবা রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে যেটি আগে ঘটে তার নিয়োগ কার্যকর থাকবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী। তৈমোর হোসেন খানের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায়। আশির দশকে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের প্রতিষ্ঠাকালীন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। পরে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে তিনবার দায়িত্ব পালন করেন।
সুনামগঞ্জের তিন যুবককে কাশ্মীরে পাচার, মুক্তিপণ আদায়
সুনামগঞ্জের তিন যুবককে কাশ্মীরে পাচার, মুক্তিপণ আদায় ভারতের কাশ্মীরে কাজের কথা বলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার তিন যুবক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ তিন যুবক হলেন—ছাতক উপজেলার সৈদেরগাঁও গ্রামের মৃত মনোহর আলীর ছেলে সোহেল মিয়া, মৃত রুসমত আলীর ছেলে আয়াছ আলী এবং জালিয়ারপাড় গ্রামের আনছার আলীর ছেলে আলা উদ্দিন। গত ২৮ জুলাই ওই তিন যুবককে ছাতকের নিজ বাড়ি থেকে ভারতের কাশ্মীরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। কাশ্মীরে নেওয়ার পর তাদের আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোহেল মিয়ার মা মোছা. সামতেরা বেগম একই গ্রামের বাসিন্দা ফারুক মিয়া ও তার ছেলে ফাহিমের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন। গত মাসের শেষ দিকে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। সোমবার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন। এ ছাড়া তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের সঙ্গে দেখা করে আটক তিন যুবককে মুক্ত করতে সহযোগিতা চেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, তিন যুবকই দিনমজুর। তারা এলাকায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযুক্তরা একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় পূর্বপরিচয়ের সুবাদে তাদের ভারতের কাশ্মীরে কাজ দেওয়ার কথা বলেন। পরে আলাপ-আলোচনা করে গত ২৮ জুলাই ওই তিন যুবককে বাড়ি থেকে ভারতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার এক সপ্তাহ পর ফারুক মিয়া ও তার ছেলে ফাহিম যুবকদের স্বজনদের জানান, তারা কারাগারে আছেন। তাদের কারাগার থেকে বের করতে ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। স্বজনরা তাদের মুক্তির জন্য ১৫ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে আরও ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। কথামতো টাকা না দেওয়ায় একপর্যায়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাদের হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ফাহিম নামের এক ব্যক্তি ভালো বেতনে কাজ দেওয়ার কথা বলে সোহেল, আয়াছ আলী ও আলা উদ্দিনকে কাশ্মীরে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। ভারতে যাওয়ার পর প্রথমদিকে পরিবারের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অভিযোগকারী সামতেরা বেগম জানান, নিখোঁজ তিন যুবককে আটকে রেখে তাদের মুক্তির বিনিময়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। টাকা না দিলে তাদের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ফারুক মিয়া বলেন, তার ছেলে ফাহিম ভারতে রয়েছে। বর্তমানে তিনিও ফাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। ছাতক থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বলেন, সৈদেরগাঁও গ্রামের তিন যুবককে কাজের উদ্দেশ্যে ভারতে নিয়ে যাওয়া এবং সেখানে আটকে রেখে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি একজন কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। অভিযোগটি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।
সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারি দুজন জেলহাজতে
সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারি দুজন জেলহাজতে সিলেটে অবৈধভাবে অনলাইনে রেলওয়ের টিকিট সংগ্রহ করে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) দুই সদস্যকে আটক করার পর আজ বুধবার আদালতের নির্দেশে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে অসংখ্য রেলের টিকিট ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সিলেট রেলস্টেশন এলাকায় এই অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। অভিযানে আটককৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মজলিসপুর এলাকার সঞ্জীব দাসের ছেলে সজীব দাস সঞ্জয় এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলিলপুর এলাকার মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. আবু তাহের। তারা দুজনই রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য বলে জানা যায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম। এসময় অভিযানে সহযোগিতা করেন রেলওয়ে থানা পুলিশ, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা। জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সিলেট রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকিট কালোবাজারির সক্রিয় দুইজনকে আটক করা হয়। তারা অনলাইনে অবৈধভাবে রেলের টিকিট ক্রয় ও ডাউনলোড করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আটকের সময় তাদের কাছে থাকা টিকিট এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে।
জাতীয় জনতা পার্টির নতুন কমিটি, চেয়ারম্যান সিলেটের তাহমিনুল
জাতীয় জনতা পার্টির নতুন কমিটি, চেয়ারম্যান সিলেটের তাহমিনুল শনিবার শাহজালাল-শাহপরাণ মাজার জিয়ারত মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় জনতা পার্টির নতুন কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান হিসেবে এডভোকেট মোঃ তাহমিনুল ইসলাম খান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হিরু) মনোনীত হয়েছেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ওয়ারীস্থ ‘জনতা ভবন’ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জামাল উদ্দিন খান (অতিরিক্ত দায়িত্ব: কোষাধ্যক্ষ); ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ যথাক্রমে মোঃ শহিদুল ইসলাম, রোকশানা ইসলাম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ ও মীর আহমেদ ভূইয়া। সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল হক ভূইয়া, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আকলিছ আহমদ চৌধুরী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মফিজ এম মহিউদ্দিন, মহিলা সম্পাদিকা তাসলিমা চৌধুরী জুলি, সহ-মহিলা সম্পাদিকা রেহানা সুলতানা, আইন বিষয়ক সম্পাদক তারিফুর রহমান চৌধুরী প্রিন্স, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহিন মাহমুদ খান, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক তাহরিনুল ইসলাম খান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান, শ্রম ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক মো. নাজমুল হক বুলবুল, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিসান আরা জামাল, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এ.কে মাইদুল ইসলাম খান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. শফিকুর রহমান। এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় জনতা পার্টির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) প্রথম সিলেট সফর করবেন। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর মাজার জিয়ারত করবেন এবং বঙ্গবীরের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ সময় মাজার প্রাঙ্গণে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানানো হবে। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি পৈতৃক নিবাস সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামে গমন করবেন। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর পিতা, জাতীয় জনতা পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট নুরুল ইসলাম খানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করবেন। পরবর্তীতে স্থানীয় মসজিদে যোহরের নামাজ আদায় শেষে এলাকাবাসীর সাথে কুশল বিনিময় করবেন। এসব কর্মসূচিতে জাতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয়, সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। দলীয় সকল স্তরের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বঙ্গবীর ওসমানীপ্রেমীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পার্টির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও সিলেট জেলা সভাপতি আকলিছ আহমদ চৌধুরী।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : সিলেটে মহিলা দলের র‌্যালি-সমাবেশ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : সিলেটে মহিলা দলের র‌্যালি-সমাবেশ সিলেটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিলেট মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সমাপ্ত হয়। র‌্যালির উদ্বোধন করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন। এর আগে কোর্ট পয়েন্টে অনুষ্ঠিত র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে সিলেট মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী নিগার সুলতানা ডেইজির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জামান রোজীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা ফারুক শিরীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আসমা আলম, সিনিয়র সহ সাধারণ সম্পাদক সাফিয়া খাতুন মনি, রিনা আক্তার প্রমুখ এ ছাড়া ও ৪২ টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিম হোসাইন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দেশের নারীশক্তির অন্যতম প্রধান সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংগঠন দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সফলতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “নারীদের বাদ দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই দেশের নারীসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মহিলা দলকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।” সভাপতির বক্তব্যে নিগার সুলতানা ডেইজি বলেন, “দেশের নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তুলতে বিএনপি নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। ভবিষ্যতে নারীদের সামনে রেখে প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। নারী নির্যাতন, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।” পরে নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান নিয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশ নেন। র‌্যালিতে মহানগর মহিলা দলের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টানা তৃতীয় দিন সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবি
টানা তৃতীয় দিন সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। সমাবেশে সাদা দলের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্বকালে নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও নানা ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন তারা। আন্দোলনকারীরা বলেন, অবিলম্বে উপাচার্য পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে উপাচার্যের অপসারণ চেয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর লিখিত আবেদন পাঠানোর কথাও জানান তারা। এর আগে উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি প্রশাসনিক পদ থেকে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম। তার দাবি, তাকে হেয় করা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এদিকে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অবশেষে এমপি লুনার সুপারিশে জাতীয়করণ হচ্ছে তাজপুর কলেজ
অবশেষে এমপি লুনার সুপারিশে জাতীয়করণ হচ্ছে তাজপুর কলেজ সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘তাজপুর কলেজ’ জাতীয়করণের সুপারিশ করেছেন সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর লুনা। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর প্রেরিত এক আধা-সরকারিপত্রে (ডিডিও) তিনি এ দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শীঘ্রই এটি কলেজটি জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত হচ্ছে।  এমপি ডিডিও-তে উল্লেখ করেন- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী কলেজে বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক (মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা), স্নাতক (পাশ) এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও বাংলা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) কোর্সে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। উপজেলা সদরে অবস্থিত এ কলেজে রয়েছে খেলার মাঠ, আইসিটি ল্যাব ও আধুনিক ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ। কলেজটিতে স্নাতক (সম্মান) কোর্সে পাসের হার ৯১%, স্নাতক (পাশ) কোর্সে প্রায় ৬০% এবং উচ্চমাধ্যমিকেও সন্তোষজনক ফলাফল রয়েছে। এটি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা এবং হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী এই কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি হিসেবে এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এমপি তাহসিনা রুশদীর আরও উল্লেখ করেন- "বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নীতিমালা" অনুযায়ী উপজেলা সদরে অবস্থিত, প্রাচীনতম, আয়তন ও শিক্ষার্থী সংখ্যায় সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বিগত সরকারের আমলে কলেজটি চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছে। নীতিমালার শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও তাজপুর কলেজকে জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়, যার ফলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা সরকারি সুবিধার সুফল পাওয়া থেকে পিছিয়ে পড়েছে। এদিকে, এ খবরে সিলেট-২ আসনের এমপির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল। তারা বলছেন- বর্তমান সরকার তাজপুর কলেজ জাতীয়করণের মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করবে। 
সিলেটের ইয়াবার বড় চালান জব্দ
সিলেটের ইয়াবার বড় চালান জব্দ সিলেট মহানগরের মোগলাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৬৭০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদককারবারিকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নম্বরবিহীন পিকআপ ও একটি নোহা মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার দিবাগত (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে মোগলাবাজার থানাধীন নৈখাই খালেরমুখ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয় যেতে সক্ষম হয়। অভিযানে আটকরা হলেন- কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর নতুন বন্দর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. নুর হাকিম (৩০), শৌলমারী গ্রামের আজবাহার মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া (৩০) এবং নতুনবন্দর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মো. এহসানুল হক (২৬)। এসব তথ্য দৈনিক সচিত্র সিলেটকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. মঞ্জুরুল আলম। তিনি জানান- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা০ স্বীকার করেছে যে, তারা পলাতক আসামিদের সহায়তায় সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন ও বেচাকেনা করে আসছিল। এ ঘটনায় এ তিনজনের বিরুদ্ধে মোগলাবাজার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর আজ বুধবার তাদের আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।  এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন এসএমপির মিডিয়া অফিসার মো. মঞ্জুরুল আলম।
হাম-উপসর্গ : সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ৫০০ রোগী
হাম-উপসর্গ : সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ৫০০ রোগী সিলেট বিভাগে হামের প্রকোপ কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল থেকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত) বিভাগে এ রোগে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও এই সময়ে ১৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)-এর কার্যালয় থেকে হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্র বলছে- গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া ১৮০ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৭ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৩ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩১ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন, পার্কভিউ মেডিকেলে ১০ জন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন। তাদের নিয়ে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৪৯৮ জন সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ওসমানী মেডিকেলে ১৮৮ জন, শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১৬১ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪৪ জন এবং মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ৩৫ জন ভর্তি রয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সিলেট বিভাগের চার জেলায় মোট ১ হাজার ৪৪ জন নিশ্চিত হাম ও রুবেলা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ১৫৯ জন।
জকিগঞ্জে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
জকিগঞ্জে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নের গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে সুরমা বিজনেস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহেদ আহমদ রাসেলের সার্বিক সহযোগিতায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাহেদ আহমদ রাসেলের পৃষ্ঠপোষকতায় মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব এ কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় তিনটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন— মানবসেবা ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জ, সোনাপুর-সুপ্রাকান্দি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এবং ‘মুক্তমন’ বীরশ্রী। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচিতে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। পাশাপাশি এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অর্ধশতাধিক কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ বহনে সহায়তার লক্ষ্যে শাহেদ আহমদ রাসেল কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শারীরিক বিকাশের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ প্রশস্ত ও সংস্কারের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেন তিনি। গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শ্রী বিবেক বিহারি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং মানবসেবা ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জের সদস্য গাউছুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুরমা বিজনেস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সমাজসেবক শাহেদ আহমদ রাসেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবসেবা ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জের সিনিয়র সদস্য ও জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, মানবসেবা ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জের সিনিয়র সদস্য রুজেল আহমদ চৌধুরী এবং সংগঠক দুহা আহমদ। অনুষ্ঠানে মানবসেবা ফাউন্ডেশন জকিগঞ্জের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জামিল আহমদ জামাল, কামরুল ইসলাম, মাহবুব আহমদ, কাজী হামিদুর রহমান, রাহিম আহমদ, মাহফুজ চৌধুরী, মিলাদ আহমদ, জিদান আহমদ ও সাত্তার আহমদ। ‘মুক্তমন’ বীরশ্রীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ, জামাল আহমদ, গাউছুল আলম, রাহিম চৌধুরী ও দিদারুল ইসলাম। এ ছাড়া সোনাপুর-সুপ্রাকান্দি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির পক্ষে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল আহমদ, প্রবাসী সদস্য আব্দুস সবুর এবং উপদেষ্টা মখলিছুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, এলাকার শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, ক্রীড়ার বিকাশ ও মানবসেবায় শাহেদ আহমদ রাসেলের অব্যাহত সহযোগিতা এবং তিনটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
যারা দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবেন তাদের পাশে দুদক : উপপরিচালক
যারা দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবেন তাদের পাশে দুদক : উপপরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা সম্বন্নিত কার্যালয় উপ-পরিচালক মো. সুহেব আহমেদ বলেছেন- দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে  একযোগে কাজ করতে হবে। আর সেই কাজ পরিবার এবং  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করতে হবে। দুদক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে, যারা দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবেন, তাদের পাশে দুদক সব সময় থাকবে। তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক)এর উদ্যোগে মাধ্যমিক পর্যায়ে বির্তক প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।  সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সমাজকর্মী আবুল বাশারের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বালাগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন শাহিন, জকিগনজ কমিটি সভাপতি সৈয়দ আছলাম হোসেন,  দয়ামীর সদরুননেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন, ইয়াহইয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, সমাজ সেবক আব্দুর রব, ডাঃ আলা উদ্দিন,সাব্বির আহমদ, ক্রীড়া সংগঠক মোঃ আব্দুল কাদির  লাকসন,শিক্ষক লুৎফুর রহমান, আসাদুল ইসলাম সজিব,  নারী নেত্রী রুমানা বেগম,  স্কুল শিক্ষিকা ফারজানা বেগম, মারজানা বেগম, লিমা বেগম, ছাত্রী মিতু রানী দেবনাথ।   বির্তকে ইযাহইয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কে পরাজিত করে সদরুননেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ান হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছেন তায়িবা জান্নাত। প্রধান অতিথি বির্তকে অংশ গ্রহনকারীদের মধ্যে সনদ, ক্রেষ্ট, বুক ব্যাচ, ব্যাগ জামিতি বক্স প্রদান করেন।  উপ পরিচালক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলে দুপ্রক ওসমানীনগর কমিটি এবং দয়ামীর সদরুননেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় সততা সংঘ সদস্যরা তাকে আনুষ্টানিক ভাবে বরন করেন। উপ পরিচালক বিদ্যালয়ের সততা ষ্টোর পরিদর্শন করেন। 
জগন্নাথপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু
জগন্নাথপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আদেশ দাস (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। ​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আদেশ দাস ইনাতগঞ্জ থেকে টমটম চালিয়ে রানীগঞ্জ যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পাইলগাঁও ইউনিয়নের আমিনপুর এলাকায় পৌঁছালে একই দিশা থেকে আসা একটি অনিয়ন্ত্রিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা পেছন থেকে টমটমটিকে সজোড়ে ধাক্কা দেয়। এতে টমটমটি উল্টে গিয়ে আদেশ দাস গুরুতর আহত হন। ​দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ​ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনরা গ্রামে নিয়ে আসলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য ও শোকের ছায়ার সৃষ্টি হয়। ​অভিযোগ রয়েছে- দুর্ঘটনাটি ঘটে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গন্ধর্বপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে সিএনজি চালক তালেব মিয়ার বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের কারণে। এ ঘটনায় জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। (রিপোর্ট : গোবিন্দ দেব)
কয়লা আনতে গিয়ে ভারতে সুনামগঞ্জের যুবকের মৃত্যু
কয়লা আনতে গিয়ে ভারতে সুনামগঞ্জের যুবকের মৃত্যু সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে কয়লা আনতে গিয়ে বাংলাদেশি এক যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ‎বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের ভারতের অভ্যন্তরে কয়লা কোয়ারির ভেতরে মাটি ধসে তাতে চাপা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক ইউনুছ আলী (২২) উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের লালঘাট গ্রামের ছমির উদ্দিনের ছেলে। ‎জানা গেছে, বুধবার ভোরে ১০/১৫ জনের একটি শ্রমিকের দল কয়লা আনতে চারাগাঁও সীমান্ত দিয়ে গোপন পথে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে। একপর্যায়ে গুহার ভেতরে ঢুকে কয়লা কুড়ানোর সময় মাটি ধসে তাতে চাপা পড়ে এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইউনুছ আলীর মরদেহ গুহার ভেতর থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ।
সিলেটে ৬ বিষয়ে যৌথ অভিযান
সিলেটে ৬ বিষয়ে যৌথ অভিযান পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন- বিভাগের ৪ জেলায় শব্দদূষণকারী ও অবৈধ উচ্চ শব্দযুক্ত হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে পর্যায়ক্রমে বায়ুদূষণ, পাহাড়-টিলা কর্তন, অবৈধ ইটভাটা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং-ডাউকি ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ)-এর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় ও সিলেট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তারের নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে জাফলং-ডাউকি ইসিএ এলাকার বাউড়ভাগ হাওড়, নন্দিরভাগ হাওড়, চা বাগান, ঝুমপাড় ও জিরো পয়েন্ট এলাকায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ও অবৈধভাবে ব্যবহৃত ১০টি ড্রেজার মেশিন, ৬টি এক্সকেভেটর, ৫টি জেনারেটর, ৪৪টি বারকি নৌকা, ১৩টি কনভেয়ার বেল্ট, ১৫টি শ্যালো মেশিন এবং ৫টি ব্যাটারি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে ৪টি ব্যাটারি। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফাইজুল কবির, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।