সিলেট
০৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘তাজপুর কলেজ’ জাতীয়করণের সুপারিশ করেছেন সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর লুনা। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর প্রেরিত এক আধা-সরকারিপত্রে (ডিডিও) তিনি এ দাবি জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শীঘ্রই এটি কলেজটি জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত হচ্ছে।
এমপি ডিডিও-তে উল্লেখ করেন- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী কলেজে বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক (মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা), স্নাতক (পাশ) এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও বাংলা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) কোর্সে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। উপজেলা সদরে অবস্থিত এ কলেজে রয়েছে খেলার মাঠ, আইসিটি ল্যাব ও আধুনিক ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ। কলেজটিতে স্নাতক (সম্মান) কোর্সে পাসের হার ৯১%, স্নাতক (পাশ) কোর্সে প্রায় ৬০% এবং উচ্চমাধ্যমিকেও সন্তোষজনক ফলাফল রয়েছে। এটি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা এবং হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী এই কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি হিসেবে এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
এমপি তাহসিনা রুশদীর আরও উল্লেখ করেন- "বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নীতিমালা" অনুযায়ী উপজেলা সদরে অবস্থিত, প্রাচীনতম, আয়তন ও শিক্ষার্থী সংখ্যায় সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বিগত সরকারের আমলে কলেজটি চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছে। নীতিমালার শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও তাজপুর কলেজকে জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়, যার ফলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা সরকারি সুবিধার সুফল পাওয়া থেকে পিছিয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ খবরে সিলেট-২ আসনের এমপির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল। তারা বলছেন- বর্তমান সরকার তাজপুর কলেজ জাতীয়করণের মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করবে।