সিলেট
০৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিলেট মহানগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি বাসা থেকে দরজা ভেঙে পদ্যজিত চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামে এক চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করেছে কোতোয়ালি থানাপুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মির্জাজাঙ্গাল স্বপ্নিল আবাসিক এলাকার ২০ নম্বর বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পদ্যজিত চক্রবর্তী প্রান্ত মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭ নম্বর চাঁদনী ঘাট ইউনিয়নের সাবিয়া গ্রামের পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে তাদের ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পদ্যজিত চক্রবর্তীর দেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রান্ত দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। যার কারণে বিগত চার মাস ধরে তিনি কোনো চেম্বারে বসতেন না এবং চিকিৎসাসেবা প্রদান থেকেও বিরত ছিলেন।
জানা গেছে, তাঁর ছোট বোন প্রাপ্তি চক্রবর্তীও (২৫) এক বছর আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন; পরবর্তীতে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে সুস্থ করে তোলা হয়।
নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী সুবর্ণা চক্রবর্তী (২৫) টাঙ্গাইলের কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্রী। তিনি ভোলা জেলার তমুজ উদ্দিন থানার আড়ালিয়া গ্রামের সন্তোষ চক্রবর্তীর মেয়ে। বর্তমানে তিনি সিলেট সোবহানীঘাট এলাকার পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. মঞ্জুরুল আলম দৈনিক সচিত্র সিলেটকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান- পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।