টপ-১
১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, প্রকল্পটির ভূমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি যেসব প্যাকেজে নির্মাণকাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়, সেগুলোতেও গতি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পটি বেশ আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছরে এর অগ্রগতি প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, গত ছয় মাসে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫৬ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে পুরো ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করার আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ২৭ শতাংশ।
প্রকল্পের কাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে শেখ রবিউল আলম বলেন, যেখানে যে ধরনের বিচ্যুতি বা সমস্যা রয়েছে, সেগুলো কাটিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন প্রকল্পটি মোট ১৩টি প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে পাঁচটি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি এখনো সন্তোষজনক নয়। অন্য আটটি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানান তিনি।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে দরপত্র অনুযায়ী নির্মাণকাজ শেষ করে মহাসড়কটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চাই।’
নির্মাণকাজের কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে। দীর্ঘ সময় প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি কম থাকায় এখন একসঙ্গে বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সড়ক ব্যবহারকারীদের সাময়িক ভোগান্তি হচ্ছে।
ভূমি অধিগ্রহণকে প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্যতম বড় সমস্যা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, এই সমস্যা থেকে এখন উত্তরণ ঘটছে। যেসব এলাকায় ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রত্যাশিত নয়, সেসব জায়গায় কীভাবে কাজ আরও দ্রুত ও জোরালো করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।