বিদেশ

নেপালে মৃ-তে-র সংখ্যা বেড়ে ৩৩২, আরও দুইটি বন্যার শ-ঙ্কা

Icon
সচিত্র সিলেট ডেস্ক :

২৭ই আগস্ট, ২০২৬

নেপালে মৃ-তে-র সংখ্যা বেড়ে ৩৩২, আরও দুইটি বন্যার শ-ঙ্কা

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এ সংখ্যা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা।

বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে দেওয়া পুলিশের আপডেটে মৃতের সংখ্যা ছিল ২৮৯ জন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই মৃতের তালিকায় আরও ৪৩ জন যুক্ত হয়েছে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। এখনো ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজে নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার ব্যবহার করে চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা।

প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকেই এই ভয়াবহ জলস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে।

ভয়াবহ স্রোত দেশটির রাসুয়াসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার পর ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজও অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে দেশটির ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ডিজাস্টার স্টাডিজের পরিচালক বসন্ত রাজ অধিকারী বলেছেন, আজ অথবা আগামীকাল বন্যার ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানার ঝুঁকি রয়েছে। কখন আঘাত হানতে পারে, তা জানি না।

চীন থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এমন সহকর্মীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে নেপাল। রাজ অধিকারী বলেন, আপাতত ভারী বৃষ্টিপাত নেই, কিন্তু ভূমিধস ঘটতে পারে।

তার মতে, হিমালয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক ঝুঁকিগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। এখানে জলবায়ু পরিবর্তন সত্যিই ঘটছে। এই দুর্ঘটনার কথাও অনুমান করা গিয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন দিনে এমনটি ঘটবে, তা জানতেন না তারা।

প্রাথমিকভাবে নেপালের এ প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ভূমিকম্পের মাধ্যমে সৃষ্ট বন্যার কারণ মনে করা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকেই এই ভয়াবহ জলস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে।

ভয়াবহ স্রোত দেশটির রাসুয়াসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার পর ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। এতে বহু বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

আপলোড : আব্দুল খালিক