সিলেট

সিলেটের জন্য ‘সুখবর নেই’!

Icon
সচিত্র সিলেট রিপোর্টার :

০৬ই জুন, ২০২৬

সিলেটের জন্য ‘সুখবর নেই’!

কয়েক সপ্তাহের প্রচণ্ড গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যেও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি দেবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা।

তাঁদের মতে, আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টিপাত বাড়লেও মাঝেমধ্যে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস শনিবার (৬ মে) বিকালে জানিয়েছে, এ অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।

গতকাল শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানেও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কিছুটা কমতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোববার ও সোমবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা পুরোপুরি কমে যাবে এমন সম্ভাবনা নেই। ফলে গরমের তীব্রতা চলতি মাসে থাকছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘আগামী দুই-এক দিন দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৯ ও ১০ জুন আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা কিছুটা কমলেও এই সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত থাকবে।’

ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সক্রিয় হওয়ায় বৃষ্টিপাত বাড়ছে। তবে বৃষ্টি শুরু মানেই গরম পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে এমনটি বলা যাবে না; বরং জুন মাসজুড়ে তাপমাত্রার তারতম্য দেখা যেতে পারে।’

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে মৌসুমি বায়ুর বিস্তার আরও বাড়তে পারে। ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়বে। তবে একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি পুরোপুরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।