সিলেট
২৪ই অক্টোবর, ২০২৬
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও রেহাই পাননি। এই সময়ে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। এরআগে সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী মাত্র পাঁচ বছরে এলাকায় যে উন্নয়ন করেছেন, তা মানুষের প্রত্যাশাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের প্রতিটি এলাকায় উন্নয়ন করা হবে।
উন্নয়নকাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করে এমপি বলেন, ‘সরকারি বরাদ্দ আসবে, উন্নয়নকাজ হবে। কিন্তু কাজ যেন সঠিকভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নের প্রতিটি টাকার পাই পাই হিসাব নিতে হবে। কেউ যেন উন্নয়নের টাকা আত্মসাৎ করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরের কোনো এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকবে না। প্রতিটি রাস্তা ও এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে রাস্তাঘাটসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।’
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পনাউল্লাহ বাজার প্রাঙ্গনে অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলতাব আলীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান লিটন চেয়ারম্যানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. ময়নুল হক, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, যুক্তরাজ্যের নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ আলী মেম্বার।
আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সাদেক আলী, দুলাল মিয়া, যুবদল নেতা দিলওয়ার মিয়া, সুমন মিয়া, জাসাস নেতা আলাল মিয়া, সেচ্ছাসেবক দল নেতা আতিকুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নুর মিয়া মেম্বার, পর্তুগাল প্রবাসী ও সাবেক ছাত্রনেতা সুমন মিয়া, সুন্দর আলী, সয়ফুল মিয়া, ময়না মিয়া, শাহিন আহমদ মেম্বার, আলকাছ মিয়া প্রমূখ।