সিলেট
১৩ই জুন, ২০২৬
সিলেট নগরীর চালিবন্দর মহাশ্মশান ঘাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবা পরিধি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে সিসিক পরিচালিত সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের এই মহাশ্মশান পরিদর্শন এবং শ্মশান পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।
এর আগে শ্মশান ঘাটে পৌঁছালে পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ সিসিক প্রশাসককে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য। তিনি চালিবন্দর মহাশ্মশানের উন্নয়নে বিগত দিনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং শ্মশান পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য চারণভূমি। আবহমানকাল ধরে এখানে সব ধর্মের মানুষ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে আসছেন। নগরবাসীর শেষ বিদায়ের এই পবিত্র স্থানের মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, "চালিবন্দর মহাশ্মশান ঘাটের ইতোমধ্যে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। নাগরিক সেবার মান বাড়াতে এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।"
সভায় সিসিক প্রশাসক মহাশ্মশানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ, স্টাফ কোয়ার্টারের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সুবিধার্থে নতুন ভবন নির্মাণসহ সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— অ্যাডভোকেট কুমার পাল, অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ, অ্যাডভোকেট সন্তু দাস, শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, বিশ্বজিত দেবরায়, সুব্রত দেব, বিশ্বজিত গুণ, হারান চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট বিজয় কুমার দেব বুলু, বিভাশ শ্যাম যাদন, চন্দন দাশ, রাখাল দে, কিশোর ভট্টাচার্য জনি, উত্তম ঘোষ, রিপন এস চৌধুরী, হারাধন দেব প্রভাষ, নিখিল দে ও অপরেশ অপু প্রমুখ।
আপলোড: শিউল