জীবন

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে যে মাছ বেশি খাবেন

Icon
জীবন ডেস্ক

০৮ই অক্টোবর, ২০২৬

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে যে মাছ বেশি খাবেন

থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেলেনিয়াম, আয়োডিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া ভীষণ জরুরি। কারণ এটি অত্যন্ত উপকারী সমৃদ্ধ খাবার। আর সে কারণে বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় খাবার মাছ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে থাইরয়েডের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সে জন্য খাওয়া-দাওয়ার দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত। বাঙালির পছন্দের এমন কিছু মাছ আছে, যা খেলে থাইরয়েডও নিয়ন্ত্রণে থাকে। সে জন্য ইলিশ মাছ খাওয়া উচিত। কারণ ইলিশ মাছে ভরপুর পরিমাণে রয়েছে ওমেগা ৩ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও সেলেনিয়াম। 

আর থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরে সবচেয়ে বেশি সেলেনিয়াম ধারণ করে। ইলিশের সেলেনিয়াম থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে মূল অনুঘটক হিসাবে কাজ করে এবং অটোইমিউন থাইরয়েড রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

সে কারণে থাইরয়েড হরমোনের এদিক-ওদিক হলেও ক্লান্তি, হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া কিংবা কমে যাওয়া, মেজাজ বিগড়ে থাকা কিংবা চুল পড়ার মতো নানা সমস্যা একসঙ্গে ভিড় করে। 

এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, গাদা গাদা ওষুধ খাওয়ার বদলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ রাখুন। আর যদি ইলিশ হয়, তবে তো কথাই নেই। ইলিশ মাছ নিয়ম মেনে খেলে থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সে জন্য বেছে নিতে পারেন ইলিশ মাছ ছাড়াও নানা ধরনের মাছ। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও প্রোটিনসমৃদ্ধ মাছ যেমন ওজন কমাতে পারে, ঠিক তেমনই থাইরয়েডও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। 

আর থাইরয়েড হরমোন টি৩ ও টি৪ তৈরিতে দুই খনিজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা হলো সেলেনিয়াম ও আয়োডিন। এর পাশাপাশি থাইরয়েডের কারণে শরীরে যে প্রদাহ হয়, তা কমাতে সাহায্য করে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই এমন মাছ খেতে হবে, যাতে এই সবকটি উপাদান থাকবে।

যেমন ভেটকি মাছ। এ মাছে উচ্চমাত্রায় ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং সেলেনিয়াম রয়েছে। সেলেনিয়াম থাইরয়েড গ্রন্থির প্রদাহ কমাতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। এর পাশাপাশি এ মাছে রয়েছে জিংক, যা থাইরয়েড হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

আবার পাবদা মাছ খেতে পারেন। কারণ আপনার যদি হাইপোথাইরয়েডিজম থাকে, তাহলে বিপাকহার ধীর হয়ে যায়। ফলে হজমে সমস্যা দেখা দেয়। সে জন্য পাবদার মতো মাছ সহজপাচ্য। কারণ এ মাছে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন ও সেলেনিয়াম থাকে, যা থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

এ ছাড়া বাটা মাছ খেতে পারেন। উপকূলীয় ও নোনাপানির কাছাকাছি থাকার কারণে বাটা মাছে প্রাকৃতিক আয়োডিনের পরিমাণ সাধারণ মিষ্টিপানির মাছের চেয়ে বেশি থাকে। থাইরয়েড হরমোন ক্ষরণের মূল ভিত্তি হলো আয়োডিন। শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে ওঠে এবং হরমোন উৎপাদন কমে যায়। বাটা মাছ খেলে এ সমস্যা কম হয়।

আর থাইরয়েড হরমোন সঠিক পরিমাণে তৈরি হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় আয়োডিন ও সেলেনিয়াম। এ দুই খনিজই ট্যাংরা মাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। সে জন্য ট্যাংরা মাছ খেতে পারেন। এ  মাছে থাকে ভিটামিন ডি, যা অতিরিক্ত ক্লান্তি ও হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যা দূর করে।

৫ আগস্টের পরে এদেশে হক-বাতিল চিহ্নিত হয়ে গেছে: হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী
বিশ্ব পোলিও দিবসে সিলেটে রোটারির র‌্যালি
পুসাগের নবীনবরণ, সংবর্ধনা ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান
সিলেটের চুরির মামলার আসামি সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার
মাধবপুরে সবুজ দিগন্তজুড়ে ছড়িয়েছে চাষিদের রঙিন স্বপ্ন
আজমিরীগঞ্জে পরিত্যক্ত গুদামে পৌরসভার কার্যক্রম
সুনামগঞ্জে নারী ইউএনওকে নিয়ে পুরুষ এসিল্যান্ডের ‘বিরহী’ পোস্ট, তোলপাড়
হেমন্তে সিলেটে বৃষ্টির আভাস
পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান: ড. আনোয়াারুল
সুস্থ-সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনের উদ্যোগ জরুরি: এমপি এমরান চৌধুরী