বিনোদন

‘ফায়ার’ সিনেমার অশ্লীলতা নিয়ে ২৪ বছর পর এলো যে তথ্য

Icon
বিনোদন ডেস্ক

০৭ই অক্টোবর, ২০২৬

‘ফায়ার’ সিনেমার অশ্লীলতা নিয়ে ২৪ বছর পর এলো যে তথ্য

চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার ছিলেন প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না। ঢাকাই সিনেমায় অশ্লীলতার ব্যাপকতার সময়ে এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত ‘ফায়ার’ সিনেমায় অশ্লীল দৃশ্য থাকার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেতাও।

সিনেমাটি মুক্তির প্রায় ২৪ বছর পর সামনে এসেছে মান্নার একটি পুরোনো ভিডিও। সেখানে তিনি জানান, ছবিটির প্রায় অর্ধেক কাজ করার পরই তিনি সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান। এমনকি পরবর্তী সময়ে এর ডাবিংয়েও অংশ নেননি।

ভিডিওতে মান্না দাবি করেন, সিনেমাটিতে তার অংশের কাজ শেষ করার পর তিনি আর শুটিংয়ে যুক্ত হননি এবং নিজের চরিত্রের জন্য কোনো ভয়েসও দেননি। পাশাপাশি সিনেমাটিতে অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয়ের অভিযোগও সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

মান্নার ভাষ্য, একটি সিনেমায় সহশিল্পী, পরিচালক বা প্রযোজক কী ধরনের দৃশ্য করছেন, তা একজন অভিনেতার পক্ষে সবসময় নিয়ন্ত্রণ বা যাচাই করা সম্ভব নয়। তবে নিজের অভিনয় নিয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে বলেন, তিনি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করেননি।

মান্নার স্ত্রী শেলী মান্নাও জানান, ‘ফায়ার’-এর কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই তার স্বামী সিনেমাটি থেকে সরে এসেছিলেন। পরে মান্নার পরিবর্তে ডামি ব্যবহার করে কিছু দৃশ্যের শুটিং করা হয় বলে তার দাবি। সিনেমাটি মুক্তির পর বিতর্কিত কিছু দৃশ্য নিয়ে মান্না ও প্রযোজকের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

শেলী মান্নার দাবি, সিনেমায় এমন কিছু বিষয় যুক্ত করা হচ্ছিল, যা মান্নার ব্যক্তিত্ব ও অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। অপ্রাসঙ্গিক কিছু দৃশ্য তার অনুপস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছিল বলেও তিনি মনে করেন। এ ছাড়া পাইরেসি ও শিডিউলসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও প্রযোজনা পক্ষের সঙ্গে মান্নার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল।

পুরোনো ভিডিওতে মান্না চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে তার দীর্ঘদিনের অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রতিবাদ করেছেন এবং এ কারণে বিভিন্ন সময় সমালোচনা ও নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখিও হয়েছেন।

সেসময়ের চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিস্থিতি সম্পর্কে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির এক নেতা জানান, তখন অনেক সিনেমায় অশ্লীল দৃশ্য যুক্ত করার প্রবণতা ছিল। এর বিরুদ্ধে মান্না কয়েকজন পরিচালক, ফাইট ডিরেক্টর ও কলাকুশলীকে সঙ্গে নিয়ে অশ্লীলতামুক্ত সামাজিক চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অশ্লীলতার বিরোধিতার পাশাপাশি ‘ফায়ার’ সিনেমার শিডিউল নিয়েও জটিলতা ছিল। সব মিলিয়েই মান্না সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

‘ফায়ার’ পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছিলেন মোহাম্মদ হোসেন। সিনেমাটিতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন পলি। বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় সিনেমাটি নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ হোসেনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

 

আ/খা

৫ আগস্টের পরে এদেশে হক-বাতিল চিহ্নিত হয়ে গেছে: হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী
বিশ্ব পোলিও দিবসে সিলেটে রোটারির র‌্যালি
পুসাগের নবীনবরণ, সংবর্ধনা ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান
সিলেটের চুরির মামলার আসামি সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার
মাধবপুরে সবুজ দিগন্তজুড়ে ছড়িয়েছে চাষিদের রঙিন স্বপ্ন
আজমিরীগঞ্জে পরিত্যক্ত গুদামে পৌরসভার কার্যক্রম
সুনামগঞ্জে নারী ইউএনওকে নিয়ে পুরুষ এসিল্যান্ডের ‘বিরহী’ পোস্ট, তোলপাড়
হেমন্তে সিলেটে বৃষ্টির আভাস
পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান: ড. আনোয়াারুল
সুস্থ-সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনের উদ্যোগ জরুরি: এমপি এমরান চৌধুরী